সেহরি খাওয়ার পর সহবাস করা যাবে কিনা

ছেলেদের উওেজনা করার উপায় প্রিয় পাঠক আসসালামু আলাইকুম আপনাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যারা জানতে চেয়েছন সেহরি খাওয়ার পর সহবাস করা যাবে কিনা ।আজ আমরা আপনাদের জানাবো সেহরি খাওয়ার পর সহবাস করা যাবে কিনা সেই বিষয়ে ।আমি আশা করছি আপনারা সেহরি খাওয়ার পর সহবাস করা যাবে কিনা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়বেন।
সেহরি খাওয়ার পর সহবাস করা যাবে কিনা
চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সেহরি খাওয়ার পর সহবাস করা যাবে কিনা সেই বিষয়ে।আরো জেনে নেওয়া যাক মাহান আল্লাহ তায়ালা সেহরি খাওয়ার পর সহবাস করা যাবে কিনা এই বিষয়ে কি বলেছেন ।সেহরি খাওয়ার পর সহবাস করা যাবে কিনা বিস্তারিত জানতে আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। 

সহবাস কি?

সহবাস একটি বিশেষ শব্দ যার অর্থ হলো একত্রিত হওয়া, একসঙ্গে বসবাস,সম্ভোগ,স্ত্রী এবং পুরুষের দৈহিক মিলন।সহবাস হচ্ছে একটি জৈবিক প্রক্রিয়া যা দ্বারা একজন নারী এবং একজন পুরুষ তাদের শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন করে।সহবাসের  মাধ্যামে মূলত যৌন আনন্দ এবং সুখ লাভের জন্য সহবাস করা হয়ে থাকে ।

সহবাসের আগে কি খেলে অনেকক্ষণ সহবাস করা যায়

প্রিয় পাঠক আপনাদের জানায় আন্তরিক অভিনন্দন আপনারা যারা আমাদের থেকে জানতে চাচ্ছিলেন  সহবাসের আগে কি খেলে অনেকক্ষণ সহবাস করা যায় আজকের আর্টিকেলটা তাদের জন্য ।আপনারা যারা সহবাসের আগে কি খেলে অনেকক্ষণ সহবাস করা যায় এই বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন এই বিষয় সম্পর্কে জানতে আজকের পোষ্টটা মনোযোগ সহকারে পরবেন।

আমাদের যদি শরীর সুস্থ না থাকে তাহলে আমরা দীর্ঘ সময় সহবাস করতে পারবো না সেই জন্য আমাদের শরীর সুস্থ রাখার জন্য আমাদের সঠিক পরিমানে পুষ্টিকর খাবার খাইতে হবে।চলুন তাহলে দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক সহবাসের আগে কি খেলে অনেকক্ষণ সহবাস করা যায় সেই বিষয়ে ।

আমাদের সব কিছু যদি ঠিক থাকে আর যদি আমাদের সহবাস করার সময় সুখের পরিবর্তে উল্টোটা হয় তাহলে বেঁধে যায় কলহল। দাম্পত্য জীবনে যাদের যৌন সমস্যার সৃষ্টি হয় তাদের জীবনে পরিণত হয় বিচ্ছেদে।সাধারণত যৌন অক্ষমতা বলতে বোঝানো হয়েছে, কম সময়ে বীর্যপাত,অকাল বীর্যপাত ,এবং স্বামী স্ত্রীর মাঝে সেক্স ড্রাইয়েট করা  এই সকল সম্যাসাগুলো বর্তমান সময়ে কথীন আকার ধারন করেছে।

আমাদের মাঝে অনেকে রয়েছে যারা এই সকল সম্যাসাতে ভুগছে তারা অনেকেই ডাক্তারের চিকিৎসা ছাড়া ওষুধ সেবন করে থাকেন।তবে আপনারা যারা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ সকল সেবন করে থাকেন তাহলে আপনাদের উপকারের দিকে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি থাকে। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক সহবাসের আগে কি খেলে অনেকক্ষণ সহবাস করা যায় সম্পর্কে।

দুধঃআমাদের যৌন ক্ষমাতাকে ধরে রাখতে দুধের গুরুত্ব অপরিসীম। দুধে থাকে প্রাণীজ ফ্যাট যা আমাদের যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।আমাদের শরীরে সেক্স হরমোনের পরিমান বাড়াতে সাহায্য করে সেই জন্য আমাদের নিয়মিত দুধ খাওয়া প্রয়োজন।আর আমাদের এই ফ্যাট জাতীয় খাবার গুলো খাওয়া অনেক জরুলি ।বিশেষ করে  ছাগলের দুধ পুরুষের যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করে ।

এলাচঃসকল মশলার মধ্যে এলাচকে বলা হয় রোমান্টিক মশলা। এলাচে রয়েছে রয়েছে অ্যাফ্রোডিসিয়াক যা যৌন ক্ষমতাকে বাড়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া যদি নিয়মিত এলাচের তেল ব্যবহার করা যায় তাহলে রোমান্টিকতা বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া আমরা বিভিন্নভাবে এলাচ খেয়ে থাকি যেমন চা বা কফির সাথে এলাচ খেতে থাকি। পুরুষের যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে।

কলাঃকলা আমাদের সবার কাছে একটি পরিচিত ফল। আমরা সবাই কমবেশি কলা খেয়ে থাকি। কলাতে রয়েছে ভিটামিন এ,বি,সি, এবং পটাশিয়াম যা আমাদের মানব দেহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবংযৌন ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে। কলাতে ব্রোমালাইন নামক এনজাইম থাকে যা পুরুষের যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরনের পরিমান বৃদ্ধি করে।

ডিমঃআমাদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য প্রতিদিন একটি করে ডিম খাওয়া প্রয়োজন। কারণ হলো ডিমে থাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা হওয়ার মনের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। আর প্রতিদিন একটি করে ডিম খেলে শারীরিক শক্তিও যৌন শক্তি বৃদ্ধি পায়।

মধুঃমধু হলো হাজারো ফুলের নির্যাস ,যা আমাদের শরীর গরম রাখে এবং যৌন ইচ্ছাকে বৃদ্ধি করে। তাছাড়া যৌবন ধরে রাখতে মধুর বিকল্প কোন কিছু হতে পারে না। তাই আমাদের প্রতিদিন সকালে এক চা চামচ করে মধু খাওয়া উচিত।

কালোজিরাঃমহান আল্লাহ তায়ালা কালোজিরা কে এমন একটি মহৎ ঔষধি শক্তি দান করেছেন যে মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের জন্য কালোজিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।আমাদের শরীর সুস্থ রাখার জন্য প্রতিদিন কিছু পরিমানে কালোজিরা খাওয়া দরকার যার ফলে আমাদের শরীর সুস্থ থাকবে এবং আমাদের যৌন শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

রসুনঃ বহুকাল আগে থেকেই যৌন সমস্যা মিটানোর জন্য রসুন ব্যবহার করা হয়। সুতরাং আপনারাও যদি যৌন সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে আপনারা নিয়মিত যদি কাচা রসুন খান তাহলে আপনারা তাড়াতাড়ি আপনাদের যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধি পাবে। সে জন্য যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন 2/4 কোয়া করে রসুন খেতে হবে তাহলে ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

সেহরি খাওয়ার পর সহবাস করা যাবে কিনা

মহান আল্লাহ তা'আলা আমাদের জন্য একটা রহমতের মাস নাযিল করেছেন সেটা হচ্ছে রমজান মাস। মহান আল্লাহতালা তার বান্দাদের জন্য রমজান মাসের ইফতারের পর থেকে সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত সহবাসকে জায়েজ করেছেন। রমজান মাসে আপনি যদি আপনার স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে পর সেহরি খাওয়ার পর অর্থাৎ সুবহে সাদিকের পূর্বেই তা শেষ করতে হবে।

সুবহে সাদিক থাকতে থাকতে অবশ্যই আপনাকে গোসল করে নিতে হবে। আর খেয়াল রাখতে হবে কোন কারণেই যেন আপনার ফজরের নামাজ কাজা না হয়ে যায়। আপনি যদি সুবহে সাদিকের পূর্বে গোসল করে পবিত্র হয়ে ফজরের নামাজ আদায় করেন তাহলে আপনার রোজার কোন ক্ষতি হবে না।

সহবাস করার ইসলামিক নিয়ম কি?/সেহরি খাওয়ার পর সহবাস করা যাবে কিনা

আল্লাহ তাআলা স্বামী এবং স্ত্রীর হালাল সহবাসের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করার নিয়ামত দান করেছেন। আমরা যদি সহবাস করার জন্য কিছু ইসলামিক নিয়ম রয়েছে সেইগুলো অনুসরণ করে সহবাস করি তাহলে আমরা দীর্ঘ সময় সহবাস করতে পারব। আল্লাহতায়ালা বলেন সহবাসের সময় কিছু নিয়ম ও দোয়া রয়েছে যেগুলো নিয়মিত পাঠ করলে আমরা সুস্থভাবে সহবাস করতে পারব এবং বংশ বৃদ্ধি করতে পারবো।

তাছাড়া ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী যদি স্বামী-স্ত্রী সহবাস করে তাহলে তারা স্বামী এবং স্ত্রী দুজনেই সাওয়াব পাবে। সহবাস করার জন্য স্বামী এবং স্ত্রী যখন দুইজনেই সহবাস করার জন্য উত্তেজিত হয়ে যাবে তখনই ইসলামে সহবাসের কথা বলা হয়েছে। ইসলামিক নিয়মে সহবাস করার প্রথম ধাপ হচ্ছে।

  • স্বামী এবং স্ত্রী একে অপরের সাথে আলিঙ্গন করবে।
  • স্বামী স্ত্রী একে অপরকে চুম্বন করবে।
  • তারপরে স্বামী স্ত্রী যখন উত্তেজিত হয়ে যাবে তখন তারা সহবাস শুরু করবে।

এভাবে যদি স্বামী এবং স্ত্রী দুজনেই তাদের ইচ্ছের উপর ভিত্তি করে সহবাস করে এবং তাতে যদি আল্লাহ তায়ালা সন্তুষ্ট হয় তাহলে তারা সে সহবাসে সাওয়াব পাবে।

সহবাসের ক্ষেত্রে কিছু নিষিদ্ধতা

প্রিয় পাঠক আপনারা যারা সহবাসের ক্ষেত্রে কিছু নিষিদ্ধতা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন আজকের আর্টিকেলটি তাদের জন্য। আজকের আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা জানতে পারবেন সহবাস কোন কোন ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ সে বিষয়ে। সহবাস কোন কোন ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে আজকের আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক সহবাসের ক্ষেত্রে কি কি নিষিদ্ধতা রয়েছে সে বিষয়ে।

  • দিনের বেলায় রোজা রাখা অবস্থায় সহবাস করা হারাম। যদি রোজা থাকা অবস্থায় ভুলবশত স্বামী এবং স্ত্রী সহবাসে লিপ্ত হয় তাহলে সে রোজার কাফফর আদায় করতে হবে।
  • হজ্জ বা ওমরা করা অবস্থায় সহবাস করা যাবে না।
  • মেয়েদের পিরিয়ড বা মাসিক চলাকালীন সহবাস করা যাবে না। 
  • অসুস্থ অবস্থায় সহবাস করা যাবে না এর ফলে অসুখ আরও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • স্বামী এবং স্ত্রী সহবাসের সময় স্ত্রীর পায়ুপথে যৌন মিলন করা হারাম।

সহবাসের শেষে করণীয়

প্রিয় পাঠক আপনারা যারা সহবাসের শেষে করণীয় কি সে বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন আজকের পোস্টটি তাদের জন্য। আজকের পোস্টটি যদি আপনারা পড়েন তাহলে জানতে পারবেন সহবাসের শেষে করনীয় সে বিষয়ে। সহবাসের শেষে করণীয় কি সে বিষয় জানতে আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার অনুরোধ করা হলো। তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেয়া যাক সহবাসের শেষ করনীয় কি সে বিষয়ে।

  • সাহবাসের শেষে স্বামী এবং স্ত্রী উভয়ই দ্রুত গোসল করে নিতে হবে। তবে গোসল করতে যদি কোন অসুবিধা হয় তাহলে অবশ্যই স্বামী এবং স্ত্রী দুজনেই হালকা গরম পানি দিয়ে তাদের যৌনাঙ্গ ধুয়ে ফেলবে।
  • স্বামী এবং স্ত্রী দুজনেই মধু খাবে এবং তারপরে ঘুমাবে।
  • স্বামী - স্ত্রী সহবাসের পর ঘুমিয়ে যাই তারপরে স্বামী যদি বেশি ঘুমায় তখন স্ত্রীর দায়িত্ব তার স্বামীকে ডেকে ফজরের নামাজ আদায় করানো।
  • প্রথমবার সহবাস করার পর যদি কেউ আবার দিতেও পারে সহবাস করতে চাই তাহলে অবশ্যই তাকে ওযু করে নিতে হবে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেন কেউ যদি প্রথমবার সহবাস করে দ্বিতীয়বার সবার হতে চায় তাহলে তাকে ওযু করে নিতে হবে তার ফলে তারা অবশ্যই আনন্দ ও করতে পারবে।

রমজান মাসে সহবাস করা যাবে কি

রোজা থাকা অবস্থায় সহবাস করা হারাম যার ফলে রোজা ভেঙ্গে যাবে এবং বড় গুনা হবে। রোজা থাকা অবস্থায় দিনের বেলায় স্বামী স্ত্রী একে অপরকে চুম্বন করতে পারবেন, আলিঙ্গন করতে পারবেন যদি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তবে এটি জায়েজ নয়তো বা এটি নাজায়েজ। আল্লাহতালা রমজান মাসে সহবাস করাকে হালাল করেছেন। সহবাস করার সময় হচ্ছে ইফতারের পর থেকে অর্থাৎ এশার নামাজের পর থেকে ফজরের নামাজের পূর্ব পর্যন্ত।

রমজান মাসে সহবাস করার নিয়ম

রোজা থাকা অবস্থায় সহবাস করা হারাম যার ফলে রোজা ভেঙ্গে যাবে এবং বড় গুনা হবে। রোজা থাকা অবস্থায় দিনের বেলায় স্বামী স্ত্রী একে অপরকে চুম্বন করতে পারবেন, আলিঙ্গন করতে পারবেন যদি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তবে এটি জায়েজ নয়তো বা এটি নাজায়েজ। আল্লাহতালা রমজান মাসে সহবাস করাকে হালাল করেছেন। সহবাস করার সময় হচ্ছে ইফতারের পর থেকে অর্থাৎ এশার নামাজের পর থেকে ফজরের নামাজের পূর্ব পর্যন্ত।

সহবাস করলে কি রোজা ভেঙে যায়

মহান আল্লাহ তা'আলা আমাদের জন্য একটা রহমতের মাস নাযিল করেছেন সেটা হচ্ছে রমজান মাস। মহান আল্লাহতালা তার বান্দাদের জন্য রমজান মাসের ইফতারের পর থেকে সুবহে সাদিকের আগ পর্যন্ত সহবাসকে জায়েজ করেছেন। রমজান মাসে আপনি যদি আপনার স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে পর সেহরি খাওয়ার পর অর্থাৎ সুবহে সাদিকের পূর্বেই তা শেষ করতে হবে।

সুবহে সাদিক থাকতে থাকতে অবশ্যই আপনাকে গোসল করে নিতে হবে। আর খেয়াল রাখতে হবে কোন কারণেই যেন আপনার ফজরের নামাজ কাজা না হয়ে যায়। আপনি যদি সুবহে সাদিকের পূর্বে গোসল করে পবিত্র হয়ে ফজরের নামাজ আদায় করেন তাহলে আপনার রোজার কোন ক্ষতি হবে না।

সহবাসের পর ফরজ গোসল করার নিয়ম

প্রিয় পাঠক আপনারা যারা সহবাসের পর ফরজ গোসল করার নিয়ম সে বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন আজকের পোস্টটি তাদের জন্য। আজকের পোস্টটি যদি আপনারা পড়েন তাহলে জানতে পারবেন সহবাসের পর ফরজ গোসল করার নিয়ম সে বিষয়ে।সহবাসের পর ফরজ গোসল করার নিয়ম কি সে বিষয় জানতে আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার অনুরোধ করা হলো। তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেয়া যাক সহবাসের পর ফরজ গোসল করার নিয়ম কি সে বিষয়ে।

আমরা সকলে জানি গোসলের ফরজ ৩ টা । যদি এই ৩ টা ফরজের মধ্যে যেকোন একটা বাদ পরে যাই তাহলে গোসলের ফরজ আদায় হবে না।গোসলের ফরজ ৩ টা হলো ঃ
  • গড়গড়াসহ কুলি করা।
  • নাকের ভিতরে পানি দেওয়া ।
  • সমস্ত শরীর ভালো ভাবে পানি দিয়ে ধোয়া।
ফরজ গোসলের জন্য মনে মনে নিয়ত করলেই হবে মুখে উচ্চারণের দরকার নেই। সেজন্য প্রথমে দুই হাতের কবজি পর্যন্ত তিন বার ধৌত করতে হবে। তারপরে ডান হাতের পানি নিয়ে বাম হাতে লজ্জাস্থানে ও তার আশেপাশে ভালোভাবে ধৌত করতে হবে। তাছাড়া শরীরের অবস্থানে নাপাকি লেগে থাকলে সেটাও দিয়ে ফেলতে হবে।

এবার বাম হাতকে ভালোভাবে ধরে নিতে হবে। সঠিকভাবে অজু করে নিতে হবে তবে দুই হাত ধৌত করা যাবে না। ওযু শেষ হলে মাথায় তিন বার পানি ঢালতে হবে। এরপর শরীর ধোয়ার জন্য প্রথমে ডান হাতে তিনবার তারপরে বাম হাতে তিনবার পানি ঢেলে সমস্ত শরীর ধুয়ে ফেলতে হবে যেন কোথাও শুকনা না থাকে। সবার শেষে একটু সরে গিয়ে দুই পা ভালোভাবে ওযুর মতো করে ধুয়ে ফেলতে হবে।

লেখকের শেষ কথাঃসেহরি খাওয়ার পর সহবাস করা যাবে কিনা

প্রিয় পাঠক আজকে আমরা আলোচনা করেছি সেহরি খাওয়ার পর সহবাস করা যাবে কিনা সে বিষয়ে। আজকের আর্টিকেলটি সম্পর্কে আপনাদের অনেকেরই ধারণা ছিল না আজকের আর্টিকেলটি পড়লে আপনাদের সমস্ত ধারণা হয়ে যাবে. আজকের আর্টিকেলে আমরা সহবাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আশা করছি আমাদের আজকের পোস্টটি পড়ে আপনারা উপকৃত হবেন। আজকের পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়েছেন আপনাদেরকে ধন্যবাদ ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url