হিমালয়ান পিংক সল্ট খাওয়ার নিয়ম - হিমালয়ান পিংক সল্ট বাংলাদেশ দাম

প্রিয় পাঠক অভিনন্দন আমাদের বাইজিদ আইটির ওয়েবসাইটে। আমাদের এই সাইট থেকে বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল পাবেন যেগুলো পড়লে আপনার অনেক উপকৃত হবেন। আমাদের আজকের পোস্টের মূল আলোচ্য বিষয় হিমালয়ান পিংক সল্ট খাওয়ার নিয়ম - হিমালয়ান পিংক সল্ট বাংলাদেশ দাম সম্পর্কে।
হিমালয়ান পিংক সল্ট খাওয়ার নিয়ম


হিমালয়ান পিংক সল্ট খাওয়ার নিয়ম - হিমালয়ান পিংক সল্ট বাংলাদেশ দাম সম্পর্কে জানতে আমাদের আজকের আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনি । মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে জানতে পারবেন হিমালয়ান পিংক সল্ট খাওয়ার নিয়ম - হিমালয়ান পিংক সল্ট বাংলাদেশ দাম সম্পর্কে। 

হিমালয়ান পিংক সল্ট কোথায় পাওয়া যায়

হিমালয়া পিংক সল্ট বা হিমালয়ের লবণ হলো এক ধরনের প্রাকৃতিক লবণ। এই লবণটি উৎপাদিত হয় পাকিস্তানের পাঞ্জাব অঞ্চলে। হিমালিয়া পিংক সল্ট প্রকৃতি হইতে উৎপন্ন সব থেকে বিশুদ্ধ মানের লবণ বলে বিবেচনা করা হয়। এই লবণ মানুষের কাছে বিভিন্ন নামে পরিচিত কেউ কেউ এই লবণকে সন্ধক লব ফণ নামেও বলে থাকে। 

খনিজ উৎপাদন সমৃদ্ধ এই প্রাকৃতিক লবণ দূষিত পদার্থ মুক্ত এবং হিমালয় পর্বত থেকে সংগ্রহিত করা হয় সেই জন্য এই লবনকে বলা হয় হিমালয়ান পিংক সল্ট।তাহলে প্রিয় পাঠক আপনারা জানতে পারলেন হিমালয়ান পিংক সল্ট কোথায় পাওয়া যায় ।হিমালয়ান পিংক সল্ট সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে আজকের পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

পিংক সল্ট খাওয়ার নিয়ম

হিমালয়ান পিংক সল্ট বা গোলাপী লবনের কথা আমরা অনেকেই শুনে থাকি ।অনেকে আবার এই লবন কে রক সল্ট বা সিন্দুক লবণ বা পিংক সল্ট নামে চিনে থাকে ।এটি ভারত থেকে চিনে  যে প্রশারিত  পর্বতমালা রয়েছে তার মধ্যে হিমালয়ান পর্বত সেই পর্বতেই হিমালয়ান পিঙ্ক সল্ট বা গোলাপি লবণ পাওয়া যায়। 

এ লবণে গোলাপি সাদা এবং কমলা তিন ধরনের খনিজ পদার্থে মিশ্রণ থাকে। সাধারণ লবণের থেকে হিমালিয়া পিংক সল্টে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকে। সাধারণ লবণ আমাদের শরীরের জন্য অনেক সময় ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায় কিন্তু হিমালিয়া পিংক সল্ট  আমাদের জন্য অনেক উপকারি।আজকের পোষ্টে আমরা হিমালিয়া পিংক সল্টের গুনাগুন সম্পর্কে আলোচনা করবো।

হিমালয়ান পিংক সল্ট পৃথিবীতে পাওয়া সব থেকে দূষিত বিষাক্ত মুক্ত প্রাকৃতিক লবণ। এ লবণ হিমালয়ের পর্বত থেকে তৈরি হয় এবং সেখানে এটা হোয়াইট গোল্ড নামে পরিচিত। এ লবণ ভিন্নতর হওয়ার কারণ হলো এর গোলাপী রং যা আয়রন অক্সাইড উপকরণের জন্য হয়ে থাকে এ কারণেই এই লবণকে পিংক সল্ট ও বলা হয়ে থাকে।

প্রধানত হিমালয়া সল্ট সোডিয়াম ক্লোরাইড দ্বারা গঠিত তবে এতে সালফেট, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম , ফসফরাস, কপার, জিংক , সেলোনিয়াম , আইরিন সহ প্রায় ৮০টি উপাদান থাকে। এ ধরনের লবণে খনিজ উপাদান গুলো আঠালো গঠনে থাকে। মানুষের দেহে কোষ গঠনের সহজেই মিশে যেতে পারে। খনিজ লবণ মিশ্রিত এ লবণ দেহ ও মনের নিরাময়ক হিসাবে বিস্ময়কর হিসাবে কাজ করে।

হিমালয়া পিন সল্টে বিভিন্ন রকমের ইলেকট্রোলাইট থাকে যাদের আদ্রতা নিয়ন্ত্রণ করে। দেহের কোষ গুলোর কাজ সঠিকভাবে হওয়ার জন্য আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে থাকা অত্যন্ত জরুরী। এই লবণে থাকা প্রধান ইলেকট্রোলাইট গুলো হল , সোডিয়াম , পটাশিয়াম , ক্যালসিয়াম , ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্লোরাইড এই ইলেক্ট্রোলাইট গুলো পানির থেকেও দ্রুত দেহের কোষে শোষিত হয়।

  • প্রতিদিন রাত্রে ঘুমানোর আগে একটি পাত্রে কিছু পরিমাণে পানি নিয়ে তাতে হিমালিয়া পিংক সল্ট মিশিয়ে রেখে সকালে সেখান থেকে এক চা চামচ পানি নিয়ে প্রতিদিন খেলে দেহে দূষিত তরল পদার্থের চাহিদা মিটে যায় এবং দেহ বিষমুক্ত হয়।
  • প্রতিদিন রান্নার সময় হিমালিয়ান পিংক সল্ট সাধারণ লবণের পরিবর্তে ব্যবহার করতে হবে।
  • বিভিন্ন রকমের সালাত এবং ফলের সাথে মিশিয়ে এই হিমালিয়ান পিংক সল্ট খাওয়ার খেতে পারেন ।
  • লেবুর সাথে শরবত বানিয়ে মিশিয়ে খেতে পারেন।
  • হিমালিয়ান পিং সল্ট গোসলের সময় পানির সাথে মিশে ব্যবহার করলে দেহের কোষ গুলো পুনর্জীবিত এবং বিষমুক্ত হয়। গোসলের সময় হিমালিয়া পিংক সল্ট গোসলের সময় ব্যবহার করলে দেহ থেকে ক্ষতিকর পদার্থগুলো বের হয়ে যায় এবং দেহে যার ফলে দেহ সহজেই বিষমুক্ত হয়ে যায়।
  • পরিপাক নালীকে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে হিমালিয়ান পিং সল্ট।প্রাকৃতিকভাবে নালীকে পরিষ্কার করতে হয় সাহায্য করে এই হিমালিয়ান পিং সল্ট এটি জোলাজ হিসাবে কাজ করে ।হিমালিয়ান পিংক সল্ট এর ভিতরে জমে থাকা ক্ষতিকর বজ্র পদার্থ গুলো বের করে দেয়।
  •  শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তথ্য ভালো কাজ করে হিমালিয়ান পিং সল্ট।
  • সাইনোসাইটিস , এজমা ও অ্যালার্জি থেকে মুক্তি পেতে ভালো কাজ করেন হিমালিয়ান পিংক সল্ট।
  • শোষণতন্ত্রকে পরিষ্কার এবং ক্ষতিকারক পদার্থ থেকে দেহকে রক্ষা করতে কাজ করে হিমালিয়ান পিং সল্ট । এ লবণে অতিরিক্ত পরিমাণে এন্টি ইনফ্লেমেটরি অতিরিক্ত নিউক্লাসকে নরম করতে ও আলগা হতে সাহায্য করে এবং মিউকোসেলারি পরিবহনের গতি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। হিমালিয়া পিংক সল্ট এর উপাদান গুলো ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে ফুসফুস কে দূষণমুক্ত ও পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
  • দাঁতের গোড়া শক্ত এবং দাঁত পরিষ্কার করার জন্য হিমালিয়া পিংক সল্ট নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন।
  • যাদের হাই প্রেসার ও ব্লাড সুগার রয়েছে তারা তাদের হাই প্রেসার ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত হিমালিয়ান পিংক সল্ট খেতে পারেন।
  • পেশি সংকোচন করতে সাহায্য করে।
  • ত্বকের প্রদাহ করতে সাহায্য করে।
  • ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে হিমালিয়ান পিংক সল্ট।
  • রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে হিমালিয়ান পিংক সল্ট ফলে রক্তচাপ কম থাকে যার ফলে হার্ট ভালো থাকে। এতে স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাট্রাক এর ঝুঁকি কম থাকে।
  • তকে যদি একজিমা ও চুলকানি থাকে তাহলে হিমালিয়ান পিংক সল্ট দিয়ে গোসল করলে ত্বকের ছিদ্রগুলো সারাতে সাহায্য করে।
  • ডায়াবেটিকস নিয়ম করতে সাহায্য করে হিমালয়ান পিংক সল্ট রক্তে সুগারের মাত্রা  নিয়ন্ত্রণে রাখে যার ফলে ডায়বেটিকস প্রতিরোধে কাজ করে। ডায়াবেটিকস রোগীরা সাধারণ লবণের পরিবর্তে হিমালিয়ান পিংক সল্ট লবণ খেতে পারেন। 
  • হরমোন দেহের সেলাটরিন এবং মেলেটরিং নামে হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে যা অবসাদ ও দূরচিন্তা দূর করতে সাহায্য করে।
  • আমাদের পেশী সুস্থ রাখতে সাহায্য করে হিমালিয়ান পিংক সল্ট। বেশি সুস্থ রাখতে কাজ করে পটাশিয়াম যা এ লবন এ বিদ্যমান।
  • মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে হিমালিয়ান পিংক সল্ট।
  • যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে হিমালিয়ানপিঙ্ক সল্ট।
  • যারা শরীরের ওজন কমাতে চান তাদের জন্য হতে পারে হিমালয়ান পিংক সল্ট গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

পিংক সল্ট এর উপকারিতা

  • হিমালিয়ান পিং সল্ট গোসলের সময় পানির সাথে মিশে ব্যবহার করলে দেহের কোষ গুলো পুনর্জীবিত এবং বিষমুক্ত হয়। গোসলের সময় হিমালিয়া পিংক সল্ট গোসলের সময় ব্যবহার করলে দেহ থেকে ক্ষতিকর পদার্থগুলো বের হয়ে যায় এবং দেহে যার ফলে দেহ সহজেই বিষমুক্ত হয়ে যায়।
  • পরিপাক নালীকে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে হিমালিয়ান পিং সল্ট।প্রাকৃতিকভাবে নালীকে পরিষ্কার করতে হয় সাহায্য করে এই হিমালিয়ান পিং সল্ট এটি জোলাজ হিসাবে কাজ করে ।হিমালিয়ান পিংক সল্ট এর ভিতরে জমে থাকা ক্ষতিকর বজ্র পদার্থ গুলো বের করে দেয়।
  •  শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তথ্য ভালো কাজ করে হিমালিয়ান পিং সল্ট।
  • সাইনোসাইটিসএজমা ও অ্যালার্জি থেকে মুক্তি পেতে ভালো কাজ করেন হিমালিয়ান পিংক সল্ট।
  • শোষণতন্ত্রকে পরিষ্কার এবং ক্ষতিকারক পদার্থ থেকে দেহকে রক্ষা করতে কাজ করে হিমালিয়ান পিং সল্ট । এ লবণে অতিরিক্ত পরিমাণে এন্টি ইনফ্লেমেটরি অতিরিক্ত নিউক্লাসকে নরম করতে ও আলগা হতে সাহায্য করে এবং মিউকোসেলারি পরিবহনের গতি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। হিমালিয়া পিংক সল্ট এর উপাদান গুলো ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে ফুসফুস কে দূষণমুক্ত ও পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
  • দাঁতের গোড়া শক্ত এবং দাঁত পরিষ্কার করার জন্য হিমালিয়া পিংক সল্ট নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন।
  • যাদের হাই প্রেসার ও ব্লাড সুগার রয়েছে তারা তাদের হাই প্রেসার ও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত হিমালিয়ান পিংক সল্ট খেতে পারেন।
  • পেশি সংকোচন করতে সাহায্য করে।
  • ত্বকের প্রদাহ করতে সাহায্য করে।
  • ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে হিমালিয়ান পিংক সল্ট।
  • রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে হিমালিয়ান পিংক সল্ট ফলে রক্তচাপ কম থাকে যার ফলে হার্ট ভালো থাকে। এতে স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাট্রাক এর ঝুঁকি কম থাকে।
  • তকে যদি একজিমা ও চুলকানি থাকে তাহলে হিমালিয়ান পিংক সল্ট দিয়ে গোসল করলে ত্বকের ছিদ্রগুলো সারাতে সাহায্য করে।
  • ডায়াবেটিকস নিয়ম করতে সাহায্য করে হিমালয়ান পিংক সল্ট রক্তে সুগারের মাত্রা  নিয়ন্ত্রণে রাখে যার ফলে ডায়বেটিকস প্রতিরোধে কাজ করে। ডায়াবেটিকস রোগীরা সাধারণ লবণের পরিবর্তে হিমালিয়ান পিংক সল্ট লবণ খেতে পারেন। 
  • হরমোন দেহের সেলাটরিন এবং মেলেটরিং নামে হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে যা অবসাদ ও দূরচিন্তা দূর করতে সাহায্য করে।
  • আমাদের পেশী সুস্থ রাখতে সাহায্য করে হিমালিয়ান পিংক সল্ট। বেশি সুস্থ রাখতে কাজ করে পটাশিয়াম যা এ লবন এ বিদ্যমান।
  • মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে হিমালিয়ান পিংক সল্ট।
  • যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে হিমালিয়ানপিঙ্ক সল্ট।
  • যারা শরীরের ওজন কমাতে চান তাদের জন্য হতে পারে হিমালয়ান পিংক সল্ট গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
তাছাড়া মানুষের শরীরের পাশাপাশি বিভিন্ন রকমের গৃহপালিত পশু পাখির জন্য হিমালয়ন পিংক সল্ট বিশেষ ভূমিকা পালন করে নিচে গবাদি পশুর জন্য হিমালিয়ান পিংক সল্টের উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো
  • গবাদি পশুর শরীরে খনিজ লবনের অভাব দূর করতে হিমালিয়ান  পিংক সল্ট খাওয়াতে হবে।
  • যে সব গুরুর শরীর খনিজ পদার্থের অভাবে ওজন বাড়ে না সে সকল গবাদি পশুর ওজন বৃদ্ধি করতেন হিমালিয়ান পিংক সল্ট খাওয়াতে হবে।

হিমালয়ান পিংক সল্ট খাওয়ার নিয়ম

  • প্রতিদিন রান্নার সময় হিমালিয়ান পিংক সল্ট সাধারণ লবণের পরিবর্তে ব্যবহার করতে হবে।
  • বিভিন্ন রকমের সালাত এবং ফলের সাথে মিশিয়ে এই হিমালিয়ান পিংক সল্ট খাওয়ার খেতে পারেন ।
  • লেবুর সাথে শরবত বানিয়ে মিশিয়ে খেতে পারেন।
  • প্রতিদিন রাত্রে ঘুমানোর আগে একটি পাত্রে কিছু পরিমাণে পানি নিয়ে তাতে হিমালিয়া পিংক সল্ট মিশিয়ে রেখে সকালে সেখান থেকে এক চা চামচ পানি নিয়ে প্রতিদিন খেলে দেহে দূষিত তরল পদার্থের চাহিদা মিটে যায় এবং দেহ বিষমুক্ত হয়।

রক সল্ট কোথায় পাওয়া যায়

ব্রিটিশ আমলে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের েড সেনাবাহিনীর প্রধান এই হিমালিয়ান পিং সল্ট বা রক সল্ট এর আবিষ্কারের সন্ধান করেন। এর আগে খুনিতে প্রথম বারোশো শতকের দিকে জানুজুয়াদের কাছ থেকে এ লবণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এই লবণ বেশির ভাগই পাঞ্জাব , পাকিস্তান, জিমার জেলা , খেওড়া এই সকল অঞ্চলে পাওয়া যায়। তাছাড়া সিন্ধু নদী ও পাঞ্জাব সম মরুভূমির মধ্যবর্তী মরুভূমি গুলোতে এই হিমালিয়ান পিংক সল্ট বা রক সল্ট পাওয়া যায়।

হিমালয়ান পিংক সল্ট এর দাম

হিমালিয়ান পিংক সল্ট আপনি আপনার আশেপাশের বিভিন্ন বড় দোকানে পেয়ে যাবেন। হিমালিয়ান পিংক সল্ট যেহেতু আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী সাধারণ লবণের থেকে এর দাম বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক। সাধারণ এক কেজি লবণের দাম 45 থেকে 50 টাকা আর হিমালিয়ান পিংক সল্ট ১ কেজি লবণের দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। আর পাউডার হিমালিয়ান পিংক সল্টের দাম ৪৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা।

হিমালয়ান পিংক সল্ট বাংলাদেশ দাম

হিমালিয়ান পিংক সল্ট বাংলাদেশের যে কোন স্থানে পাওয়া যায় না কিন্তু বড় বড় শপিংমল কিংবা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এই প্রোডাক্ট গুলি পাওয়া যায়। আমাদের বাংলাদেশী হিমালিয়ান পিংক সল্টের অনেক চাহিদা আর এই প্রোডাক্টগুলি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস করা যাবার অনলাইনে বিক্রি হয়। আপনি আপনার চাহিদার মতন বার আকারে অথবা পাউডার আকারে কিনতে পারবেন। 

বার আকারে কিনলে একটু দাম কম পাওয়া যাবে আর যদি পাউডার আকারে কেনা হয় তাহলে দামটা একটু বেশি হবে। আপনি যদি কোন দোকান থেকে বা শপিংমল থেকে কিনেন তাহলে আপনার থেকে দাম নেবে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা আর আপনি যদি অনলাইনে কেনেন তাহলে তার দাম নেবে ৩০০ টাকা ৫০০ টাকার মধ্যে।

লেখকের শেষ কথা ঃহিমালয়ান পিংক সল্ট খাওয়ার নিয়ম - হিমালয়ান পিংক সল্ট বাংলাদেশ দাম

হিমালয়ান পিংক সল্ট আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারি। হিমালিয়া পিংক সল্ট যদি আমরা নিয়মিত খাই তাহলে আমাদের বিভিন্ন রকমের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া আর সাধারন লবণের থেকে ৮০ গুণ পুষ্টি উপাদান বেশি হিমালিয়ান পিংক সল্টে। আজকের পোস্ট পড়ে আপনারা হিমালিয়ান পিংক সল্টের বিভিন্ন উপকারিতা সম্পর্কে জেনেছেন। আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। নতুন নতুন তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন "ধন্যবাদ"

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url