আনাজি কলার উপকারিতা - কাঁচা কলার উপকারিতা ও অপকারিতা

প্রিয় পাঠক আজকে আমাদের নতুন আর্টিকেলে আপনাদেরকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। আজ আমাদের আজকের আর্টিকেলের আলোচ্য বিষয় আনাজি কলার উপকারিতা - কাঁচা কলার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে। আপনারা যারা আনাজি কলার উপকারিতা - কাঁচা কলার উপকারিতা ও অপকারিতা  সম্পর্কে জানার জন্য গুগলে সার্চ করছেন আজকের আর্টিকেলটি তাদের জন্য।
আনাজি কলার উপকারিতা - কাঁচা কলার উপকারিতা ও অপকারিতা
আপনারা যারা আনাজি কলার উপকারিতা - কাঁচা কলার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে তথ্য খুঁজছেন আপনারা সঠিক পোস্টটি খুজে পেয়েছেন। আজকের এই পোস্টটি পড়লে আপনাদের আনাজি কলার উপকারিতা -কাঁচা কলার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে সকল ধারণা পেয়ে যাবেন সেই জন্য আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য অনুরোধ করা হলো

কাঁচা কলার উপকারিতা

আমরা সকলে পাকা কালার উপকারিতা সম্পর্কে কম বেশী জানি কিন্তু কাঁচা কলার উপকারিতা সম্পর্কে আমাদের ধারনা খুব কম।কাঁচা কলা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারি । আমাদের প্রতিদিন বেঁচে থাকার জন্য শরীরে ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রয়োজন।কাঁচা কলা আমাদের শরীরে জন্য যেমন উপকার তেমনি কাঁচা কলার ভিতরের অংশ আমাদের শরীরের জন্য  উপকারি।কাঁচা  সারা বছর স্পব জায়গাতে পাওয়া যাই ।

কাঁচা কলার আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারি,হজমে সহায়তা করে ,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমাতা বাড়ায়।তাছাড়া রয়েছে কাঁচা কলাতে নানা রকম পুষ্টি গুন রয়েছে । কাঁচা কলাতে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম থাকে । তাছাড়া বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে কাঁচা কলা খেলে হৃদরোগের আক্রান্তের ঝুঁকি কমে যায়। কাঁচা কলাতে থাকে এনজাইম যা আমাদের পেটের বিভিন্ন রোগ যেমন ডায়রিয়া সংক্রমণ দূর করে।

সেজন্য চিকিৎসকেরা আমাদের পেটে কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিলে কাঁচা কলা খাওয়ার জন্য বলে থাকেন।আমাদের পেট খারাপ বা ডায়রিয়া হয় তাহলে কাঁচা কলার বা আনাজি সিদ্ধ করে লবণ দিয়ে খেলে খুব তাড়াতাড়ি ডায়রিয়া ভালো হয়ে যায়। কাঁচা বা আনাজি কলা খেলে অনেক ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধের সহায়ক।

তাছাড়াও হাড় মজবুত করতে যেমন ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন সেই চাহিদা পূরণ করার জন্য কাঁচা বা আনাজি কলা খাওয়া খুবই জরুরী । কাঁচা বা আনাজি কলাতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। কাঁচা বা আনাজি কলা খেলে শরীরে রক্তের শর্করার মাত্রা না বাড়িয়ে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ডায়াবেটিসের রোগীরা বিনা দ্বিধাতেই কাঁচা বা আনাজি কলা খেতে পারেন।

কাঁচা কলার খোসার উপকারিতা

কাঁচা কলা যেমন আমাদের জন্য উপকারী তেমনি কাঁচা খোলার খোসা আমাদের জন্য উপকারী আসলে আমরা মূলত কাঁচা কলা বলতে আনাজি কলা কে বুঝি। আমরা যদি প্রতিদিন কাঁচা কলার খোসা টুকরো টুকরো করে কেটে প্রতি রাতে পানিতে ভিজিয়ে পরের দিন সকালে সেই পানি পান করি তাহলে আমাদের ডায়রিয়া বা আমাশয় ভালো হবে। 

তাছাড়া আমাশয় বা ডায়রিয়া প্রতিরোধ করার জন্য কলার সিদ্ধ করে তার সাথে যদি টক দই যোগ করে খাওয়া যায় তাহলে আমাশয় ভালো হয়। তাছাড়া কাঁচা কলা বা আনাজি কলার খোসা শুকিয়ে গুড়ো করে যদি দুধের সাথে বা গরম পানির সাথে মিশিয়ে নিয়মিত খাওয়া যায় তাহলে যৌন ব্যাধি বা প্রস্রাবের অসুখ দূর হয়। 

  • কাঁচা কলার খোসা ফেলে না দিয়ে কুচি ‍কুচি করে কেটে সিদ্ধ করে নিন। তার পর তেলে সামান্য কালো জিরে, পেয়াজ কুচি,রসুন, ও কাচা মরিচ দিয়ে পাটায় বেটে সুস্বাদু ভর্তা তৈরী করুন।
  • দাঁতের হলুদ হলুদ ভাব হলে কাঁচা কলার বোটা দিয়ে তাতে একটু পেষ্ট লাগিয়ে কয়েকদিন নিয়ম করে ঘুষতে থাকুন। কয়েকদিনের মধ্যে দাতের হলুদ ভাব কমে চকচকে হয়ে যাবে।
  • গরমের সময় ত্বকের অনেক সমস্যাদেখা দেয়। কলার খোসা বেটে তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে মুখে লাগান। দেখবেন মুখের কালো দাগ এবং শুশকতা দুর হবে। সহজেই ত্বক মসৃন হয়ে যাবে।
  • কলার খোসাকে টুকরো টুকরো করে কেটে কয়েকদিন রেখে দিতে হবে। যা ফুল গাছের স্যার হিসাবে ব্যাবহার করা যায়।

কাঁচা কলা খাওয়ার নিয়ম

  • একটি কাঁচা কলা খোসা সহকারে চক চক করে কেটে প্রতি রাতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে ওই পানি পান করলে কঠিন আমাশয় বা রক্ত আমাশয় থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এভাবে এক মাস খেতে হবে।
  • পেটের অসুখে আমাশয় ও রক্ত আমাশয় রোগে কাঁচা কলা সেদ্ধ করে টাটকা টক দইয়ের সঙ্গে মেখে খেলে রোগ সারে। দুই সপ্তাহ খেতে হবে।
  • কলা গাছের শুকনো শিকড় গুঁড়ো করে অল্প পরিমাণে খেলে পিত্তরোগ সারে। রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগের ও এটি মহা ঔষধ। ১ মাস খেতে হবে।
  • অনেকের মতে কলা গাছের শিকড়ের রসের সঙ্গে ঘি ও চিনি মিশিয়ে খেলে প্রসবের অসুখ বা মেহরোগ ভালো হয়।
  • কাঁচা কলা শুকিয়ে গুড়া করে প্রতিদিন অল্প পরিমাণে দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে যৌন রোগ সারে ও প্রসবের জ্বালাপোড়া সারে।
  • একবারে কচি কলাপাতা মিহি করে বেটে দুধ মিশিয়ে ঘন ক্ষীরের মতো করে খাওয়ালে মেয়েদের প্রদর রোগে উপকার হয়। ৭-৮ ‍দিন খেতে হবে।

গর্ভাবস্থায় কাঁচা কলা খাওয়ার উপকারিতা

বাড়তি ওজন কমায়ঃগর্ভবস্থায় এমনিতে অনেক ওজন বেড়ে যায়। আবার ওজন বাড়লেও সমস্যা না বাড়লেও সমস্যা। তবে অতিরোক্ত ওজন বাড়াটা স্বাভিক নয়। এতে গর্ভবতী মায়ের বাচ্চাপ্রসব কালীন সময়ে সমস্যা হয়। ওজন কমাতে চাইলে প্রত্যেকদিনের খদ্য তালিকায় অল্পপরিমানে কাঁচা কলা রাখবেন। কাঁচাকলার ফাইবার অনেকটা সময় পেট ভরিয়ে রাখে। এটি আশযুক্ত হওয়ায় মেদ কমাতে সাহায্য করে।

পেটের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দুর করেঃ কাঁচা কলা আঁশ যুক্ত সবজি হওয়ার জন্য পেটের খাবার সহজেই হজম করে দেয়। যার ফলে পেটের ভিতরের খারপ ব্যাকটেরিয়া গুলো সহজেই দুর করে ফেলে। কিন্তু অতিরোক্ত পেট ফুলে থাকলে বা গ্যাসের সমস্যা হলে কাঁচা কলা না খাওয়াটাই ভালো। পেটের কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা ও অনেক সময় বাড়িয়ে দেয়। নিজের শরীরের অবস্থা দেখে বুঝে খেতে হবে।

পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়ায় কাঁচা কলাঃ কাঁচা কলায় আছে এনজাইম, যা পাতলা পায়খানায় বা ডায়রিয়ার মতো রোগে পেটের নানা ইনফেকশন দুর করে। পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া হলে ডাক্তাররা কাঁচা কলা খাওয়ার পরমর্শ দিয়ে থাকে বা খেতে বলে।

হৃদরোগের ঝুকি কমে দেয়ঃ পকা কলাতে যেমন পটশিয়াম আছে তেমনি কাঁচা কলাতেও প্রচুর পরিমানে পটশিয়াম আছে। ডাক্তার রা বলে কাঁচা কলা নিয়মিত খেলে হুদরোগের ঝুুকি কমে দেয়। তবে যাদের উচ্চরক্ত চাপ বা কিডনির সমস্যা আছে তাদের কে কাঁচা কলা বা পাকাকলা খাওয়া টা সবসময় নিয়ত্রন করে খেতে হবে।

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রন করেঃ রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রনের জন্য কাঁচা কলা বেশ কার্যকরী। কাঁচা কলা আশ যুক্ত সবজি হওয়ায় রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রন করতে সাহায্য করে। ভিটামিন বি ৬ গ্লুকোজ নিয়ত্রন করে এবং ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধ করতে সাহয্য করে।

আনাজি কলার উপকারিতা

আমরা সকলে পাকা কালার উপকারিতা সম্পর্কে কম বেশী জানি কিন্তু এবং ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধ করতে সাহয্য করে।আনাজি কলার উপকারিতা সম্পর্কে আমাদের ধারনা খুব কম।এবং ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধ করতে সাহয্য করে।আনাজি কলা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারি । আমাদের প্রতিদিন বেঁচে থাকার জন্য শরীরে ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রয়োজন।এবং ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধ করতে সাহয্য করে।

আনাজি কলা আমাদের শরীরে জন্য যেমন উপকার তেমনি কাঁচা কলার ভিতরের অংশ আমাদের শরীরের জন্য  উপকারি।এবং ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধ করতে সাহয্য করে।আনাজি কলা সারা বছর স্পব জায়গাতে পাওয়া যাই ।এবং ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধ করতে সাহয্য করে।আনাজি কলার আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারি,হজমে সহায়তা করে ,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমাতা বাড়ায়।তাছাড়া রয়েছে কাঁচা কলাতে নানা রকম পুষ্টি গুন রয়েছে ।

এবং ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধ করতে সাহয্য করে।আনাজি কলাতে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম থাকে । তাছাড়া বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে এবং ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধ করতে সাহয্য করে।আনাজি কলা খেলে হৃদরোগের আক্রান্তের ঝুঁকি কমে যায়। এবং ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধ করতে সাহয্য করে।আনাজি কলাতে থাকে এনজাইম যা আমাদের পেটের বিভিন্ন রোগ যেমন ডায়রিয়া সংক্রমণ দূর করে। সেজন্য চিকিৎসকেরা আমাদের পেটে কোন ধরনের সমস্যা দেখা দিলে কাঁচা কলা খাওয়ার জন্য বলে থাকেন।আমাদের পেট খারাপ বা ডায়রিয়া হয় তাহলে এবং ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধ করতে সাহয্য করে।

আনাজি কলার বা আনাজি সিদ্ধ করে লবণ দিয়ে খেলে খুব তাড়াতাড়ি ডায়রিয়া ভালো হয়ে যায়। আনাজি কলা খেলে অনেক ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধের সহায়ক। তাছাড়াও হাড় মজবুত করতে যেমন ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন সেই চাহিদা পূরণ করার জন্য আনাজি কলা খাওয়া খুবই জরুরী । আনাজি কলাতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আনাজি কলা খেলে শরীরে রক্তের শর্করার মাত্রা না বাড়িয়ে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ডায়াবেটিসের রোগীরা বিনা দ্বিধাতেই কাঁচা বা আনাজি কলা খেতে পারেন।

লেখকের শেষ কথাঃআনাজি কলার উপকারিতা - কাঁচা কলার উপকারিতা ও অপকারিতা

আমাদের শরীরের পুষ্টি উপাদান ঠিক রাখতে প্রতিদিন আমাদের দুই একটা করে কলা খাওয়া জরুরী । আমরা যদি আমাদের শরীর সুস্থ রাখতে চাই তাহলে সবথেকে দুই থেকে তিন দিন কাঁচা কলার তরকারি খেতে পারি । আনাজি কলা বা কাঁচা কলা খেলে আমাদের পেটের বিভিন্ন রোগ ভালো হয়ে যায়। নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য পেতে আমাদের ওয়েবসাইট এপিসোড করুন। আপনি যদি স্বাস্থ্য সেবা , শিক্ষা চিকিৎসা সহ বিভিন্ন রকমের তথ্য পেতে চান তাহলে নিয়মিত ভিজিট করুন বাইজিদ আইটিতে 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url