কোমরের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ - মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ প্রতিকার-মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয় হলে কি করতে হয়

প্রিয় পাঠক আসসালামু আলাইকুম আমরা আলোচনা করব কোমরের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ ও মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে। আপনারা যারা গুগলে অথবা বিভিন্ন ভিডিওতে কোমরের হাড় খয়ের লক্ষণ ও মেরুদন্ড হাড় ক্ষয়ের প্রতিকার সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন আজকের আর্টিকেলটি তাদের জন্য।

কোমরের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ - মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ প্রতিকার-মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয় হলে কি করতে হয়

আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনারা মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে জানতে পারবেন কি কি করলে আপনি আপনার কোমরের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ এবং মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানতে পারবেন। কোমরের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ এবং ফেরোল্যান্ডের হাড় ক্ষয়ের প্রতিকার সম্পর্কে জানতে আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন

হাড় ক্ষয় কি

প্রিয় পাঠক আমাদের সকলেরই জানা প্রয়োজন হাড় ক্ষয় কি? আমরা যারা জানেনা যে হাড় ক্ষয় কি? তাদের জন্য আজকের আর্টিকেলটি।আমাদের শরীরে হাড়ের একটি গঠন প্রক্রিয়া রয়েছে ।আমাদের জন্মের পর থেকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত হাড়ের বৃদ্ধি হয়ে থাকে। তারপরে আবার একটি নির্দিষ্ট সময়ে হাড়ের গঠন পাতলা হতে থাকে। আর সেটাকেই বলা হয় হাড় ক্ষয়। যখন হাড় ক্ষয়ের সৃষ্টি হয় তখন হাড়ের ঘনত্ব কমে গিয়ে হাড় ছিদ্রযুক্ত , দুর্বল এমনি কি ভেঙ্গে যাওয়ার মত হয়ে যায়।

তখন হাড়ের স্ক্যান করে চিকিৎসকেরা বুঝতে পারেন যে হাড়ের ঘনত্ব কতটুকু কমছে এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা প্রদান করা হয়। সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পর মানুষের হাড় ক্ষয়ের মত রোগ দেখা দেয়। হাড় ক্ষয়ের অন্যতম কারণ হলো হরমোনের অভাব। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে পুরুষের তুলনায় নারীদের হাড় ক্ষয়ের রোগ বেশি হয়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে হাড় ক্ষয়ের রোগে আক্রান্ত সংখ্যা নারী ১০ঃ৭ আর পুরুষ ১০ঃ৬ জন । সাধারণত ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি এর অভাবে হাড় ক্ষয়ের মত রোগগুলোর সৃষ্টি হয়ে থাকে।

কোমরের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ

কোমর হাড়ের ক্ষয় একটি জটিল সমস্যা। বর্তমান সময়ে নারী পুরুষ উভয়ে এই রোগে ভুগছেন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড় ক্ষয় খুব একটি সাধারণ শারীরিক সমস্যা। তবে পুরুষের তুলনায় নারীদের মধ্যে কোমরের হাড়ের ক্ষয় জনিত সমস্যা অনেক গুণ বেশি। হারের ক্ষয় মূলত ভিটামিন ডি এর অভাবে হয়। কারণ ভিটামিন ডি এর অভাবে শরীর অনেক দুর্বল হয়ে যায়। হার ক্ষয়ে যাওয়ার কারণে সামান্য আঘাতে হাড় ভেঙে যেতে পারে। চলুন তাহলে কোমরের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ এর সাথে সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ বা সতর্কতা সম্পর্কে জানুন।

হাড় ভেঙে যাওয়াঃকোমরের হাড় ক্ষয়ের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য লক্ষণ গুলোর মধ্যে একটি হল কোমরের হাড়ের ফাটল যা সহজেই ঘটে। যা সামান্য কোন আঘাতে বা দুর্ঘটনা থেকে হয়। এই সমস্যা গুলো সাধারণত নিতম্ব, মেরুদন্ড বা কব্জিতে হয়ে থাকে।

পিঠে ব্যথাঃ কোমরের হাড় ক্ষয় রোগের মেরুদন্ডের কশেরুকার ব্যথা অনুভূত হতে পারে। এই ফ্যাকচার করে তীব্র পিঠে ব্যথা, ওজন হ্রাস এবং একটি নমনীয় ভঙ্গি সৃষ্টি করতে পারে।

উচ্চতা কমে যাওয়াঃসময় পরিবর্তনের সাথে সাথে মেরুদন্ডের কম্প্রেসার ফ্যাক্টরের ফলে উচ্চতা কমে যেতে পারে এবং একটি নমনীয় বা কুজানো ভঙ্গি হতে পারে।

দাঁতের ক্ষয়ঃকোমরের হাড় ক্ষয়ের সাথে দাঁতের চোয়ালের হাড়কে প্রভাবিত করে। এর ফলে দাঁতের ক্ষতি এবং দাঁতের ক্ষয় দেখা দেয়।

দাঁতের মাড়িতে সমস্যাঃকোমরের হাড় ক্ষয়ের সঙ্গে মাড়ির মন্দা এবং মাড়ির বিভিন্ন রোগ বা মাড়ির হাড়ের ক্ষয় জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কোমরের হাড় বাঁকানোঃকোমরের হাড় ক্ষয়জনিত সমস্যায় মেরুদন্ডের ফ্যাকচারের ফলে মেরুদণ্ড স্তব্ধ বা কুকানো ভঙ্গি দেখা দিতে পারে। এতে মেরুদন্ড সোজা অবস্থায় রেখে কাজ করা খুবই কষ্টকর।

উপরে আলোচনা পরিপ্রেক্ষিতে বুঝতে পেরেছেন যে কোমরের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণগুলো সম্পর্কে। তাই আপনাদের মধ্যেও যদি উপরের এই ধরনের সমস্যা গুলো দেখা যায় তাহলে বুঝতে হবে যে আপনার কোমরের হাড় ক্ষয় হয়েছে। এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।

কোমরের হাড় ক্ষয় হলে কি করতে হবে

আমাদের দেশে কোমরের হাড় ক্ষয় হলে কি করতে হবে সে বিষয়ে আমাদের অনেকেরই সঠিক ধারণা নেই। কোমরের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দূরত্ব রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার করা জরুরী। হাড় ক্ষয়ের মাত্রা মূল্যায়নঃ আমাদের প্রথমে দেখতে হবে হাড় ক্ষয়ের সাথে মোকাবেলা করার সময় প্রথম পদক্ষেপটি হল আমাদেরকে সঠিক মূল্যায়ন করতে হবে। আপনার কোমরের হাড়ের ক্ষয়ের অবস্থান মূল্যায়ন করার জন্য মেডিকেল পেশাদার এক্স-রে, এমআরআই স্ক্যান বা সিটি স্ক্যানার মত বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সরঞ্জাম ব্যবহার চিকিৎসা নিতে পারেন।

হাড় ক্ষয় রোধের ব্যায়াম

বর্তমানে আমাদের বয়স একটু বেড়ে গেলেই আমাদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ বাসা বাঁধে। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে আমাদের শরীরের মাংসপেশীর ব্যাথার সাথে হাড়ের ক্ষয় তৈরি হয়।অস্টিওপোরোসিস রোগটি হচ্ছে হাডের ক্ষয় জনিত রোগ ।যখন আমাদের শরীরের অস্টিওপোরোসিস রোগ হয় তাহলে আমাদের হাড দূর্বল হয়ে যাই তখন আমাদের হাড় ক্ষয় সৃষ্টি হয় ।অস্টিওপোরোসিস আক্রান্ত হলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ দুর্বল হয়ে যায় যার ফলে, পিঠে ব্যথা, হাড় বেঁকে যাওয়া , হাড় ফেটে যাওয়ার মতো সম্যাসা দেখা দেই ।
  • নিয়মিত আমাদের শারীরিক পরিশ্রম করা দরকার।
  • ধূমপান বাদ দিতে হবে।
  • বয়স বাড়ার সাথে সাথে যেহেতু আমাদের হাড়ের ঘনত্ব কমে যায় সেজন্য আমাদের হালকা হাটাহাটি , দৌড়াদৌড়ি , এবং জগিং করা প্রয়োজন। এ সকল ব্যায়ামগুলো করলে আমরা আমাদের হাড় ক্ষয় রোধের জন্য কাজ করতে পারবো

হাড় ক্ষয় রোধের খাবার

আমাদের হাড় ক্ষয় রোধে প্রতিরোধ করার জন্য আমাদের নিয়মিত কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো খেলে আমরা আমাদের হাড় ক্ষয় রোধে প্রতিরোধ করতে পারব। সেই সকল খাবারগুলো হলঃ

  • সবুজ শাকসবজিঃ আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য এবং হাড় ক্ষয় প্রতিরোধের জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমানে সবুজ শাকসবজি খাওয়া দরকার। সবুজ শাকসবজিতে থাকে ক্যালসিয়াম যা আমাদের হাড় ক্ষয় রোধের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। তাছাড়াও সবুজ শাকসবজিতে ভিটামিন কেহাড় ক্ষয় রোধের ঝুঁকি কমায়।

  • দইঃগরুর দুধে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন থাকে যা আমাদের হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
  • টক জাতীয় খাবারঃ লেবু এবং কমলা তে থাকে ভিটামিন সি যা আমাদের হাড়ের ক্লোজেন ও তন্ত্রময় অংশ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে এবং হাড় ক্ষয় রোধে প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
  • সামুদ্রিক মাছঃ সামুদ্রিক মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি যা আমাদের হাড় ক্ষয় রোধে প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে সেজন্য আমাদের নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ খাওয়া অত্যন্ত জরুরী

মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয় হলে কি করতে হয়

কারণঃমহিলাদের এই রোগ বেশি হয়। কারণ হরমোনের প্রভাব এবং কৈশোরে ও পরবর্তী সময়ে পর্যাপ্ত খেলাধুলা ও শরীরচর্চার অভাব। পঁচিশ বছরের পর থেকেই এই ক্ষয় শুরু হয় মহিলাদের ক্ষেত্রে। তবে পুরুষদের ক্ষেত্রেও এই রোগের ব্যাপক বিস্তার দেখা যাচ্ছে। জীবনযাপনে শরীরচর্চার প্রভাব কমে মস্তিষ্কের কাজ বৃদ্ধি পাওয়ায় এ রোগ পুরুষদের মধ্যেও দেখা দিচ্ছে।

লক্ষণঃ

  • কাঁধে, পিঠে কিংবা কোমরে ব্যথা।
  • দীর্ঘক্ষণ বসতে কিংবা দাঁড়াতে না পারা।
  • ধীরে ধীরে ব্যথা সমগ্র পায়ে ছড়িয়ে যাওয়া। তবে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ে যে কোন একটা পায়েই ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে।
  • ব্যথার প্রকোপ বাড়লে পিঠে জ্বালা-পোড়া অনুভূতি হতে পারে।


চিকিৎসাঃএই ব্যথার চিকিৎসা হিসেবে এখানে কিছু পদ্ধতির নাম উল্লেখ করা যায়। যেমন-

  • ব্যথানাশক এবং অন্যান্য ওষুধ দিয়ে ব্যথা নিয়ন্ত্রণ।
  • ফিজিওথেরাপি এবং যোগব্যায়াম।
  • সার্জারি।


চিকিৎসার পদ্ধতি হিসেবে এখনো আকুপাংচার কিংবা আয়ুর্বেদিক ঔষধসমূহের বিশেষ স্বীকৃতি না থাকলেও এগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ব্যথা নিরাময় পদ্ধতিঃ

  • জীবনযাপন পদ্ধতি শুদ্ধিকরণ। প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল যোগ করতে হবে খাদ্য তালিকায়। আমাদের ভেজাল নির্ভর খাদ্য তালিকায় এটা নিশ্চিত করা নি:সন্দেহে একটা বড় চ্যালেঞ্জ।
  •  শরীরচর্চা বৃদ্ধি, হাঁটা, সিঁড়ির ব্যবহার বৃদ্ধি শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। যাদের হাড়ের ক্ষয়জনিত ব্যথা আছে, তাদের অবশ্যই প্রতিদিনের কর্মতালিকায় ব্যায়াম অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এতে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হবে।
  • সর্বোপরি নিজেকে সময় দেয়াটা খুব জরুরি। নিয়মিত প্রার্থনা, মন ভাল রাখার মতো কিছু কাজ অবশ্যই গুরুত্ব দিয়ে করা উচিত।

হাড় ক্ষয় হলে কি খেতে হবে

আমাদের হাড় ক্ষয় রোধে প্রতিরোধ করার জন্য আমাদের নিয়মিত কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো খেলে আমরা আমাদের হাড় ক্ষয় রোধে প্রতিরোধ করতে পারব। সেই সকল খাবারগুলো হলঃ

  • সবুজ শাকসবজিঃ আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য এবং হাড় ক্ষয় প্রতিরোধের জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমানে সবুজ শাকসবজি খাওয়া দরকার। সবুজ শাকসবজিতে থাকে ক্যালসিয়াম যা আমাদের হাড় ক্ষয় রোধের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। তাছাড়াও সবুজ শাকসবজিতে ভিটামিন কেহাড় ক্ষয় রোধের ঝুঁকি কমায়।

  • দইঃগরুর দুধে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন থাকে যা আমাদের হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
  • টক জাতীয় খাবারঃ লেবু এবং কমলা তে থাকে ভিটামিন সি যা আমাদের হাড়ের ক্লোজেন ও তন্ত্রময় অংশ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে এবং হাড় ক্ষয় রোধে প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
  • সামুদ্রিক মাছঃ সামুদ্রিক মাছে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি যা আমাদের হাড় ক্ষয় রোধে প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে সেজন্য আমাদের নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ খাওয়া অত্যন্ত জরুরী

কোমরের হাড় ক্ষয়ের ঔষধের নাম

কোমরের হাড় ক্ষয়ের জন্য আপনারা যে ওষুধগুলো করছেন সে ওষুধগুলো আসলে একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া কখনোই ঠিক নয়। সেজন্য আমি আমার ওয়েবসাইটে এসে সকল ঔষধ গুলোর নাম উল্লেখ করতে পারলাম না। কারণ আপনার আর কতটা ক্ষয় হয়েছে সেটা একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার আপনার হাড় স্ক্যান করে দেখে সে অনুযায়ী আপনাকে ওষুধ দিবে।

হাড় ক্ষয় রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

লক্ষনঃ

  • কাঁধে, পিঠে কিংবা কোমরে ব্যথা।
  • দীর্ঘক্ষণ বসতে কিংবা দাঁড়াতে না পারা।
  • ধীরে ধীরে ব্যথা সমগ্র পায়ে ছড়িয়ে যাওয়া। তবে সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ে যে কোন একটা পায়েই ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে।
  • ব্যথার প্রকোপ বাড়লে পিঠে জ্বালা-পোড়া অনুভূতি হতে পারে।
প্রতিকারঃ

  • পঞ্চাশোর্ধ পুরুষ ও মহিলাদের দৈনিক ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা উচিত।
  • ননী তোলা দুধ ও দুগ্ধযাত দ্রব্য গ্রহণ করা।
  • কমলার রস, সবুজ শাকসবজি, সয়া দ্রব্য ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া
প্রতিরোধঃ

  • ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া।
  • নিয়মিত ব্যায়াম করা।
  • সুষম আশ যুক্ত খাবার গ্রহণ করা।

লেখকের শেষ কথাঃকোমরের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ-মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ প্রতিকার-মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয় হলে কি করতে হয়

প্রিয় পাঠক আপনাকে এত সময় ধরে আমাদের এই পোস্টটি পড়া জন্য ধন্যবাদ।আজকের আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা জানতে পারবেন কোমরের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ - মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয়ের লক্ষণ প্রতিকার-মেরুদন্ডের হাড় ক্ষয় হলে কি করতে হয় সম্পর্কে। আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। আজকের আর্টিকেলটি প্রয়োজন আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন । আর আপনার প্রিয় জনদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url