সর্দি হলে কি খাওয়া উচিত - সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক, আপনি কি সর্দি হলে কি খাওয়া উচিত - সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। আমরা অনেকেই জানিনা সর্দিতে নাক বন্ধ হলে করণীয় কি সেই সম্পর্কে। আজকের আর্টিকেলে সর্দি হলে কি খাওয়া উচিত - সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়,সর্দির লক্ষণ কি, সর্দি হলে কি ঔষধ খাওয়া উচিত, সর্দিতে নাক বন্ধ হলে করণীয় ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
সর্দি হলে কি খাওয়া উচিত - সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়
আশা করছি সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে আপনি উপকৃত হবেন। আমরা অনেকেই সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার নানা ধরনের ঔষধ খেয়ে থাকি যেগুলো পার্শ্ব প্রতিক্রি থাকে। আশা করছি এ আর্টিকেলটি সর্দি হলে কি খাওয়া উচিত - সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় বিস্তারিত তথ্য জানতে পেরেছেন এবং পরে উপকৃত হয়েছেন। তাহলে দেরি না করে সম্পূর্ণ আর্টিকেল মনোযোগ সহকারে পড়ে ফেলুন।

সর্দির লক্ষণ কি

  • সর্দি হওয়ার প্রথম লক্ষণ হচ্ছে নাক দিয়ে পানি ঝরা।
  • কোন কিছুর গন্ধ বা স্বাদ নেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবর্তন টের না পাওয়া।
  • শরীরে হালকা জ্বর জ্বর অনুভূতি হওয়া কিংবা জ্বর আসে।
  • শরীরে ঠান্ডা অনুভূতি হওয়া অথবা শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।
  • তীব্র মাথাব্যথা অনুভব করা।
  • সর্দি হওয়ার ক্ষেত্রে নাক ভারী হয়ে আসে এবং নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝরে।
  • নাক বন্ধ হয়ে থাকা
  • অতিরিক্ত পরিমাণে হাঁচি হওয়া।
  • কোন কিছুর গন্ধ নাকে না লাগলে।

সর্দি হলে কি খাওয়া উচিত

আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা জ্বর সর্দি কাশি সমস্যা হয়ে থাকে। তবে সর্দি হলে কি খাওয়া উচিত - সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে আমাদের জানা উচিত। নিয়মিত শরীর চর্চা পুষ্টিকর খাবার এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে খুব অল্প সময়ে সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক সর্দি হলে কি খাওয়া উচিত সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

  • সর্দির কারণে অনেক সময় গলা ব্যথা হয় এবং গলার ভেতরে প্লান্ট ফুলে যায়। এই সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে ডিমের সাদা অংশ। ডিমের সাদা অংশ গলা সংক্রমণ দূর করে।
  • পানি হালকা কুসুম গরম করে নিবেন এবং সেই পানির সঙ্গে মধু এবং লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে সেই পানি পান করুন। এর ফলে আপনার ঠান্ডা জনিত সর্দির কাশি নিমিষেই দূর হয়ে যাবে।
  • গাজর একটি পুষ্টিকর সবজি। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করে। তাই গাজরকে সুপার ফুড বলা হয়। সর্দি-কাশি  সমস্যায় গাজর সেদ্ধ করে খেলে দারুন উপকার পাওয়া যায়।
  • ঠান্ডা জনিত সমস্যায় ধুলাবালি শ্বাসনালীর সংকুচিত করে ফেলে। এর ফলে অধিক পরিমাণে শ্বাসকষ্ট সমস্যা হয়ে থাকে। এ কারণে আপনি গরম আদা চা কিংবা লেবু চা খাবেন। এতে অল্প কিছু সময়ে মধ্যেই শ্বাসকষ্টের সমস্যা থেকে আরাম পাবেন।
  • সর্দি কাশি দূর করতে কলা খাওয়া দারুন উপকারি। অনেকেই মনে করেন যে ঠান্ডা লাগা কলা খাওয়া যাবে না তবে এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কলা হলো নন-অ্যাসিডিক এবং লো গ্লাইসেমিক খাদ্য ঠান্ডা লাগা সর্দি কাশি এবং কলা খুসখুস কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী। তাই সর্দি-কাশি সমস্যায় কলা খেলে খুব অল্প সময়ে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
  • প্রাচীনকাল থেকেই সর্দি ও খুসখুসে কাশি কমাতে গরম পানির ব্যবহার হয়ে আসছে। এ সকল তালিকার মধ্যে মুরগির সুপ ও রয়েছে। মুরগির সুপে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং এন্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান। যা সর্দি এবং গলা খুসখুসের জন্য দায়ী ভাইরাস এবং মিউকাস দূর করে
  • দীর্ঘকাল থেকে ঔষধি হিসেবে ব্যবহার করা হয় রসুন। রসুন রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং এন্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য। চিকিৎসকদের মতে নিয়মিত রসুন খাওয়ার ফলে সর্দি কাশি হওয়া সম্ভবনা অনেকাংশে কমে ।
  • সর্দির সমস্যায় যদি পারেন কালোজিরা ভর্তা করে খাবেন। কালোজিরাতে প্রচুর পরিমাণে ঔষধি গুণ রয়েছে যেটা কিনা আপনার সর্দি কাশি নিরাময়ে সহায়তা করে।
  • সর্দির সমস্যা যখন ইচ্ছা হবে তখনই চা খাবেন। চায়ের সঙ্গে লবঙ্গ কিংবা গোলমরিচ খাবেন। কেননা লবঙ্গ ও গোলমরিচ আপনার সর্দি কমাতে অনেকটা সাহায্য করবে।

সর্দি থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়

শীতকালে সাধারণত কমন অসুখ সর্দি। আমরা অনেকেই জানি না যে সর্দি হলে কি খাওয়া উচিত - সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় রয়েছে কিনা। অনেক সময় সর্দি হলে ঔষধ খাওয়ার ফলেও কমে না কিন্তু ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে খুব অল্প সময়ে সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। অনেক সময় এলার্জি জাতীয় সমস্যার কারণে ও সর্দি হয়ে থাকে। এ ধরনের সমস্যায় ঔষধ খেয়েও কমানো যায় না। তখন সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় খুঁজে থাকে। চলুন তাহলে জেনে নেই সূর্য থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় কি কি সে সম্পর্কে।

  • সর্দির সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নিবেন এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমাবেন। অনেক সময় কয়েক ঘন্টা ভালোভাবে ঘুমালে সহজেই আপনি সর্দি থেকে মুক্তি পাবেন। এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজন।
  • যতটা সম্ভব উষ্ণ পরিবেশে থাকার চেষ্টা করবেন। ঠান্ডা পরিবেশে রোগ জীবাণু অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে যায়। সুতরাং সর্দিতে আক্রান্ত হলে গরম পোশাক পরিধান করবেন এবং উষ্ণ জায়গায় থাকার চেষ্টা করুন।
  • সর্দিতে তুলসী ও আদার চা নিয়মিত পান করুন। এছাড়া আদা এবং তুলসী পাতা কুচি করে কেটে পানিতে কিছুক্ষণ সেদ্ধ করে সেই পানি হালকা কুসুম গরম অবস্থায় দিনে দুইবার পান করুন। এর ফলে সর্দি ছাড়াও জ্বর কাশি দ্রুত সেরে যাবে।
  • এছাড়াও সর্দির কারণে অনেক সময় গলা ব্যথা করে। এ ক্ষেত্রে হালকা কুসুম গরম পানির সঙ্গে লবণ দিয়ে কুলকুচি কিংবা গার্গেল করবেন। দিনে ৩ থেকে ৪ বার কুসুম গরম পানির সঙ্গে লবন মিশিয়ে গার্গেল করলে গলা ব্যথা থেকে দ্রুত আরাম পাবেন।
  • প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। পানি এক ধরনের তরল জাতীয় খাদ্য। শরীরের জন্য তরল জাতীয় খাবার খুবই প্রয়োজন। সর্দির সমস্যায় তরল জাতীয় খাবারের মধ্যে ফলের রস ডাবের পানি,স্যুপ ইত্যাদি খেতে পারেন।
  • খাবারের সাথে চেষ্টা করবেন প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ এবং রসুন খাওয়ার। কেননা পেয়াজ এবং রসুনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা সর্দি দূর করণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি কাচা রসুন খেতে না পারেন তাহলে ঘিয়ে ভেজে নিয়ে খেতে পারেন।
উপরোক্ত এ সকল ঘরোয়া উপায় গুলো অনুসরণ করলে আশা করছি আপনি সর্দি থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাবেন। কারণ ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করলে এতে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। কিন্তু সর্দি কাশি মারাত্মক আকার ধারণ করলে অবশ্যই চিকিৎসকরা পরামর্শ গ্রহণ করুন

সর্দি হলে কি ওষুধ খাওয়া উচিত

সাধারণত সর্দি কোন ঔষধ ছাড়াই ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই সেরে যায়। তবে প্রচন্ড পরিমানে সর্দি লেগে থাকলে তাহলে আপনাকে অবশ্যই সঠিক ঔষধ সেবন করতে হবে। অতিরিক্ত সর্দি লেগে থাকলে তখন আপনাকে বুঝতে হবে যে এটা কি এলার্জি জনিত সর্দি নাকি ঠান্ডা জনিত সর্দি। এলার্জির জনিত সর্দি হলে তাহলে আপনি অবশ্যই এলার্জি ঔষধ খাবেন অর্থাৎ হিস্টাসিন বা হিস্টামিন খাবেন। এছাড়া যদি দেখেন এটা এলার্জিজনিত সর্দি নয় অর্থাৎ ঠান্ডা জনিত সর্দি তাহলে প্যারাসিটামল খাবেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করবেন। অনেকেই সর্দি হলে কি খাওয়া উচিত - সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে অবগত নয়।


এছাড়াও মনে রাখবেন যে খুব বেশি পরিমাণ সর্দি হয় তখনও কিন্তু এন্টিবায়োটিক জাতীয় ঔষধ খাওয়া যাবে না। কেননা এন্টিবায়োটিক ঔষধ শরীরের জন্য অনেক ক্ষতি করে। অ্যান্টিবায়োটিক সর্দির কোন ঔষধ নয় সে ক্ষেত্রে সর্দি লাগলে আপনি অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ সেবন করবেন না। অ্যান্টিবায়োটিক হচ্ছে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া ঘাতক ঔষধ যেটা শরীরে কোন ভাইরাসের আক্রমণ হয়ে থাকে।

নাকের সর্দি দূর করার ঔষধ

নাকের সর্দি এটা সাধারণত একটি অসুখ হলেও খুবই বিরক্তি কর। নাকে সর্দি দূর করার জন্য বিভিন্ন রকমের ঔষধ খাওয়া যায়। তবে নাকের সর্দি দূর করার ক্ষেত্রে হোমিও ঔষধ ব্যবহার না করার। কেননা হোমিও অনেক সময় সঠিক চিকিৎসা দেয় না। তাই এলোপতি ঔষধ খাওয়ার চেষ্টা করবেন। সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করেও যদি সর্দি ভালো না হয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন । এছাড়াও নাকের সঠিক দূর করার কিছু ঔষধের নাম নিচে দেওয়া হলোঃ
  • Histacin
  • Sinamin
  • Deslor
  • Neocilor
  • Fexo 60
  • Histalex
  • Metriln

ঘন ঘন সর্দি লাগা কিসের লক্ষণ

অনেকেই মনে করেন ঘন ঘন সর্দি কোন বড় ধরনের রোগের লক্ষণ। তাই অনেকেই জানতে চায় ঘন ঘন সর্দি লাগা কিসের লক্ষণ। আসলে ঘন ঘন সর্দি লাগা কেমন কোন কিছুরই লক্ষণ নয়। সাধারণত সর্দি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। বড় কোনো ধরনের রোগের লক্ষণ ঘন ঘন সর্দি হয় না। তাই এক্ষেত্রে চিন্তার কোন কারণ নেই।

সর্দিতে নাক বন্ধ হলে করণীয়

সর্দির কারণে নাক বন্ধ হয়ে যায় এতে শ্বাস নিতে খুবই কষ্ট হয়। সর্দির কারণে নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নেওয়া যায় না এর ফলে মুখ দিয়ে হা করে নিঃশ্বাস নিতে হয়। যা খুবই বিরক্তি কর। সর্দি হলে কি খাওয়া উচিত - সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে জানতে হলে সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়তে থাকুন। এ ধরনের অবস্থা থেকে পরিত্রান পেতে ব্যবহার নাকে ড্রপ করতে পারেন কিংবা নিচে দেওয়া এই নিয়মগুলো মেনে চলে অল্প সময়ে উপকার পাওয়া যায়।

  • সর্দি হলে নাক সব সময় পরিষ্কার রাখুন।
  • সর্দি নাকে আসতেই পরিষ্কার করে ঝেড়ে ফেলুন, সর্দি নাকে আটকে সর্দি নাকি আটকে রাখবেন না।
  • প্রচুর পরিমাণে পানি এবং তরল জাতীয় খাবার খাবেন।
  • সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে গেলে বা আটকে গেলে কপালে হালকা গরম সেঁক দিন।
  • কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করুন।
  • দিনে ২ থেকে ৩ বার গরম পানি দিয়ে গরগরা করুন।
  • গরম চা পান করতে পারেন।
  • ঝাঁঝালো ম্যানথল যুক্ত মলম ব্যবহার করতে পারেন বা শ্বাস নিতে পারেন।
  • এছাড়াও আপনার যদি এলার্জিজনিত কারণে নাক বন্ধ হয়ে থাকে তাহলে হিস্টামিন জাতীয় ঔষধ সেবন করতে পারেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপর সেবন করবেন।

সর্বশেষ পরামর্শ

প্রিয় বন্ধুরা আশা করছি উপরের আলোচনা শেয়ার করবে না থেকে সর্দি হলে কি খাওয়া উচিত - সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় কি সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। এছাড়া আরো জানতে পেরেছেন সর্দি হলে করণীয় কি এবং কি কি উপায় খুব অল্প সময়ে সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাছাড়া কোন ট্যাবলেট খেলে দ্রুত সর্দি থেকে আরাম পাবেন সে সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য এই আর্টিকেলে  তুলে ধরা হয়েছে। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়লে সর্দি থেকে উপশম পাওয়ার উপায় জানতে পারবেন।

আশা করছি পুরো পোস্টটি পড়ে আপনার কাছে ভালো লেগেছে এবং আপনি পরে উপকৃত হয়েছেন। পোস্টটি ভাল লেগে থাকলে অবশ্যই বন্ধুত্বের সঙ্গে শেয়ার করবেন যেন তারা জানতে পারে সর্দি হলে কি খাওয়া উচিত - সর্দি থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায় সম্পর্কে। এ ধরনের প্রয়োজনীয় মূলক তথ্য পেতে নিয়মিত আমার লেখা আর্টিকেল পড়ুন । সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url