বিষাক্ত সাপে কামড়ালে করণীয় - সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা

প্রিয় পাঠক বিন্দু আজকে আপনাদের জন্য আলোচনা করবো বিষাক্ত সাপে কামড়ানোর লক্ষণ - সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত। আপনি কি বিষাক্ত সাপে কামড়ালে করণীয় কি এ সম্পর্কে জানেন না। তাহলে আজকেরে আর্টিকেলটি আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি এই আর্টিকেল বিষাক্ত সাপে কামড়ানোর লক্ষণ - সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা। 
বিষাক্ত সাপে কামড়ানোর লক্ষণ - সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে প্রয়োজনের তথ্য জানতে পারবেন এবং উপকৃত হবেন। তাই আপনাদের সুবিধার্থে বিষাক্ত সাপে কামড়ানোর লক্ষণ - সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। তাহলে দেরি না করে বিস্তারিত জানতে হলে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে করে ফেলেন।

বিষাক্ত সাপে কামড়ালে করণীয়

  • প্রথমে সাপে কামড়ানোর রোগীকে বারবার শান্ত করতে হবে এবং সাহস দিতে হবে। সাপের কামড়ানো রোগীকে আতঙ্কগ্রস্থ হতে দেওয়া যাবে না। কেননা বিষহীন সাপের কামেরও আতঙ্কিত হয়ে মানসিক আঘাতের ফলে মারা যেতে পারে। উত্তেজনায় রোগীর স্পন্দন বেড়ে যেতে পারে এর ফলে বিষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই সাপে কামড়ালে রোগীকে শান্ত রাখতে হবে।
  • সাপে কামড়ানো অঙ্গ অবশ্যই স্থির অবস্থানে রাখতে হবে। যেমন হাতে হলে হাত নাড়ানো যাবে না এবং পায়ে হলে হাঁটাচলা বা দৌড়ানো যাবে না স্থির হয়ে থাকতে হবে।
  • সাপে কামড়ানো আক্রান্ত স্থান ব্যান্ডেজ এর সাহায্যে শক্ত করে বেঁধে দিতে হবে। হাতের কাছে ব্যান্ডেজ না পাওয়া গেলে গামছা কিংবা ওড়না এ জাতীয় কিছু ব্যবহার করতে হবে।
  • সাপে কামড়ানোর স্থান সাবান দিয়ে আলতো করে ধুতে হবে কিংবা ভেজা কাপড় দিয়ে আলতোভাবে মুছে দিতে হবে।
  • সাপে কামড়ানো রোগীর দেহে টাইট পোশাক ঘড়ি বা অলংকার ইত্যাদি পড়ে থাকলে খুলে ফেলুন।
  • রোগীকে আধা শোয়া অবস্থায় রাখুন। রোগী যদি শ্বাস না নিতে পারে তাহলে তাকে মুখে শ্বাস দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
  • সাপ যদি হাতে বা পায়ে কামড় দেয় তাহলে শক্ত করে বাঁধন দিতে হবে। সাপে কামড়ানোর স্থান থেকে কিছুটা ওপরে বাঁধন দিতে হবে। এর ফলে বিষ শরীলে ছড়িয়ে পড়তে পারবেনা।
  • সাপে কামড়ানো রোগী অ্যালকোহল বা ক্যাফিন পান করবেন না। কারণ এটি আপনার হৃদস্পন্দনকে বাড়িয়ে দেবে এবং বিষকে শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে দিবে।
  • যত দ্রুত সম্ভব সাপে কামড়ানো ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
  • যে সাপ কামড়েছে তা দেখতে কেমন তা স্মরণ রাখুন। কারণ হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসককে সাপের বর্ণনা জানাতে হয় যাতে খুব সহজেই জানতে পারে সাপটি বিষাক্ত কিনা। যতটা সম্ভব হয় সাপের ছবি তুলে রাখুন। এতে করে সাপটি বিষাক্ত কিনা সে সম্পর্কে দ্রুত জানা যাবে।শ
উপরে আলোচনা থেকে বুঝতে পেরেছেন যে সাপে কামড়ালে আক্রান্ত ব্যক্তিকে কি করণীয় সে সম্পর্কে। অনেকেই জানে না সাপে কামড়ালে প্রথম অবস্থায় রোগীকে কিভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হয় বা সাপে কামড়ালে করণীয় এ কারণে অনেক ব্যক্তি মারা যায়। আশা করি উপরে আলোচনা থেকে বুঝতে পেরেছেন সাপে কামড়ালে করণীয় কি সে সম্পর্কে বিস্তারিত।

বিষাক্ত সাপে কামড়ানোর লক্ষণ

গ্রামে বর্ষাকালের সাপের উপদ্রব বেশি হয়। বর্ষাকালে বিভিন্ন জঙ্গল আগাছা তৈরি হয় এতে বিষাক্ত পোকামাকড় ও সাপের বাসস্থান হয়। সাপে কামড় দিলে অনেক সময় বোঝা যায় না। বিষাক্ত সাপে কামড়ানোর লক্ষণ - সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে অনেকেই সঠিকভাবে জানে না। তাই আপনাদের সুবিধার্থে সাপে কামড়ের লক্ষণ কি কি সেগুলো নিয়ে আলোচনা করব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদনে জানা যায় বাংলাদেশে প্রতি বছরে ৪ লক্ষ ৯০ হাজার ৯২০ জন সাপে কামড়ের শিকার হয়।


এদের মধ্যে বছরের মারা যায় প্রায় ৬  হাজার ৪০ জন। এছাড়াও এদের মধ্যে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয় মাত্র ৩ শতাংশ মানুষ। বাংলাদেশের সাপে কামড়ের চিকিৎসা অভাব যার ফলে সঠিক সময় মত চিকিৎসা দিতে পারে না চিকিৎসকরা। বিষাক্ত সাপে কামড় দিলে শরীরে কিছু লক্ষণ দেখা যায় যেগুলো থেকে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনাকে সাপের কামড় দিয়েছে। সাপে কামড়ালে কিছু লক্ষণ দেখা যায় যেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলোঃ
  • সাপে কামড়ানোর স্থানে দুটি দাঁতের চিহ্ন উপস্থিত থাকে।
  • কামড়ানো স্থানে অনেক জ্বালা যন্ত্রণা করে।
  • নিম্ন রক্তচাপ ও দ্রুত হৃদে স্পন্দন এবং পালস রেট কমে যাওয়া।
  • সাপে কামড়ানো ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত হওয়া ও স্থান ফুলে ওঠে।
  • শ্বাস নিতে অসুবিধা বা শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়া।
  • লালা ঝরা এবং ঘামের বৃদ্ধি পাওয়া।
  • বমি বমি ভাব বা বমি,ডায়রিয়া হওয়া। এর সঙ্গে মাথা ব্যথা মাথা ঘোরা এবং অস্বস্তিতে হাসফাঁস করা।
  • কখনো কখনো সম্পূর্ণ শরীর ফুলে যায়।
  • চোখের পাতা বন্ধ হয়ে আসা ও চোখে ঝাপসা দেখা।
  • ঢোক গিলতে সমস্যা ও নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসে।
  • হাত পা অবশ হয়ে যায় এবং ঘাড় সোজা রাখতে পারে না।
  • ঘন ঘন অচেত হয়ে পড়ে।
  • ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে খুব ফেকাসে হয়ে যেতে পারে।
উপরের এ ধরনের লক্ষণ গুলো দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। সাপে কামড় দিলে আক্রান্ত স্থানে দুটি দাঁতের চিহ্ন থাকলে এ বিষয় নিয়ে অবহেলা না করে রোগীকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে শরণাপন্ন হতে হবে।

সাপে কামড়ালে কি করা উচিত নয়

উপরে আলোচনা থেকে বিষাক্ত সাপে কামড়ানোর লক্ষণ - সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন। এখন আলোচনা করবো সাপে কামড়ালে কি করা উচিত নয় এ সম্পর্কে। এটি না জানার কারণে রোগী পর্যাপ্ত প্রাথমিক চিকিৎসার অভাবে মারা যায়। চলুন তাহলে এ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
  • সাপে কামড়ানো রোগীকে মানসিক চাপ দেওয়া যাবে না।
  • সাপে কামড়ানো ক্ষতস্থানে বরফ দিয়ে ঘষা যাবে না।
  • সাপে কামড়ানোর রোগীর শরীরে একাধিক স্থানে খুব শক্ত করে গিট দেওয়া যাবে না।
  • সাপে কামড় দিলে ওঝা কিংবা কবিরাজের কাছে যাওয়া যাবে না।
  • ক্ষতস্থানটিকে চিরে অথবা কাটা যাবে না। কেননা এতে শিরা ফেটে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে।
  • সাপে কামড়ানো রোগীর ক্ষতস্থান থেকে মুখ দিয়ে রক্ত বের করা যাবে না।
  • সাপের কামড়ের স্থানে কোন ধরনের কেমিক্যাল বা ঔষধ ব্যবহার না করা।
  • কোন ধরনের গাছ গাছড়ার রস দিয়ে প্রলেপ না দেওয়া।
  • সাপে কামড়ানো আক্রান্ত ব্যক্তিকে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন করানো যাবে না।
  • সাপে কামড়ানো ব্যক্তি হাঁটাচলা কিংবা দৌড়ানো যাবে না।
  • সাপে কামড়ানোর পর অ্যালকোহল জাতীয় কোন পানীয় পান করবেন না। কারণ এতে বিষ ছড়িয়ে যেতে পারে।
  • সাপে কামড় দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা

সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা আমাদের সকলেরই জেনে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ সম্পর্কে ধারণা থাকলে আমাদের বন্ধু-বান্ধব কিংবা আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে কাউকে সাপে কামড় দিলে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে পারবেন। অনেক ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসার কারণে অনেক রোগী বেঁচে যায়। সুতরাং আপনি যদি বিষাক্ত সাপে কামড়ানোর লক্ষণ - সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা  সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করছি আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ ভালোভাবে পড়লে আপনার খুব উপকারে আসবে। তাই এই পোস্টটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন।

আরো পড়ুনঃ ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন

প্রথমতঃ সাপে কামড় দিলে প্রথম অবস্থায় রোগীকে শান্ত করতে হবে। কেননা এ সময় রোগী খুব আতঙ্কের মধ্যে থাকে। আতঙ্কে থাকার কারণে রোগীর হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই এই সময়ে কোনভাবেই ভয় দেখানো যাবে না এবং সাহস জোগাতে হবে তার। আক্রান্ত রোগীকে বোঝাতে হবে সাপে কামড়ে ভয়ের কিছু নেই চিকিৎসা নিলে দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবে।

দ্বিতীয়তঃ সাপে কামড়ের আক্রান্ত স্থানে কোনোভাবে কাটাছেঁড়া করা উচিত নয়। শুধুমাত্র ভেজা কাপড় কিংবা জীবাণুনাশক ঔষধ দিয়ে মুছে দিতে হবে। সাপে কামড়ানোর পর কোন ভাবেই নড়াচড়া করা যাবে না কারণ এতে বিষ সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

তৃতীয়তঃ
 সাপে কামড়ানোর দংশনকৃত স্থান থেকে কিছুটা উপরের দিকে গামছা কিংবা ওড়না, দড়ি দিয়ে শক্ত করে গিট দিতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে গিট টি যেন খুব বেশি শক্ত না হয় আবার ঢিলে ও যেন না হয়।

চতুর্থঃ রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠাতে হবে। এক্ষেত্রে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় রোগীকে শোয়ানো অবস্থায় নিয়ে যেতে হবে। যতটা সম্ভব সাপের ছবি কিংবা সাপ ধরে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। এতে করে ডাক্তার খুব সহজেই বুঝতে পারবে যে রোগীকে কোন ধরনের প্রজাতির বিষাক্ত সাপে কামড় দিয়েছে। তবে সাপ হাসপাতালে পরিবহনের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে সাপটি মৃত নাকি মরে যাওয়ার ভান করে আছে।

সাপে কামড়ালে কি ইনজেকশন

যেকোনো ব্যক্তিকে সাপে কামড় দিলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে সাপের ভ্যাকসিন দেওয়া জরুরি। আর এই সাপের ভ্যাকসিন কে বলা হয় অ্যান্টিভেনম। এই অ্যান্টিভেনম সরকারি হাসপাতালে ফ্রিতে পাওয়া যায়। এছাড়াও অন্যান্য হাসপাতাল কিংবা ওষুধের ফার্মেসিতেও পাওয়া যায়। নিচে কিছু সাপে কামরের ইনজেকশন এর নাম তুলে ধরা হলোঃ
  • Asvs Injection
  • CroFab
  • Anavip
  • Antivenin Polyvalent
  • antivenin (micrurus fulvius)
উপরের এই ভ্যাকসিন গুলো সাপে কামড়ের অ্যান্টি ইঞ্জেকশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই ইনজেকশন দেওয়ার ফলে শরীরে বিষ ছড়িয়ে গেলে কিংবা শরীরের মধ্যে বিষের প্রভাব কমাতে,বিষ কে রোধ করতে সহযোগিতা করে। সাপে কামড়ানো রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব এই ভ্যাকসিন গুলো দেওয়া জরুরী না হলে সাপের বিষ শরীরের পরে এবং রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

বিষহীন সাপের কামরের লক্ষণ

উপরে আলোচনা থেকে বিষাক্ত সাপে কামড়ানোর লক্ষণ - সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এখন আপনাদের জন্য বিষহীন সাপে কামড়ের লক্ষণ নিয়ে আলোচনা করবো। বিষ হীন সাপে কামড়ালে এতে চিন্তার কিছুই নেই। কারণ বিষ হীন সাপ কামড় দিলে কেউ মারা যায় না। তবে যে লক্ষণ গুলো দেখা যায় তা হলোঃ কামড়ানোর ক্ষতস্থান থেকে রক্ত বের হবে এবং ক্ষতস্থানে দ্রুত সময়ে রক্ত জমাট বেধে যাবে। ক্ষতস্থানে জ্বালাপোড়া করবে কিন্তু ফুলে যাবে না। 


এছাড়াও অতিরিক্ত যন্ত্রণা হবে না এবং ক্ষতস্থানে জ্বালাপোড়া ধীরে ধীরে কমে যাবে। এ সময় রোগীকে শান্ত রাখতে হবে। তাকে মনে সাহস যোগাতে হবে। কেননা সাপে কামড়ে রোগে আতঙ্কিত হয়ে মারা যেতে পারে। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন যে এই সাপে কামড়ের কোন বিষ নেই এবং চিকিৎসা নিলে দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবে। তাকে সব সময় বলুন ভয়ের কিছুই নেই অল্প সময়ের মধ্যেই সে সুস্থ হয়ে যাবে। সাপে কামড়ানো ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যাবেন। তবে বিষহীন সাপে কামড়ের লক্ষণ ভেবে অবহেলা করা যাবে না।

কালাচ সাপে কামড়ানোর লক্ষণ

  • কালাচ সাপ অতি রহস্যময় একটি সাপ। কালাচ সাপ সাধারণত নিশাচর অর্থাৎ রাতে খাবারের খোঁজে বের হয় ও রাতে বেশিই কামড়ায়। তবে কামড়ানোর পর তেমন কোনো লক্ষণ না দেখা দিলেও ৪ থেকে ৮ পর পেটে অসহ্য ব্যথা হয়।
  • কালাজ সাপের বিষে প্যারালাইসিস হতে পারে।
  • রোগীর চোখের পাতা খুলে রাখা দুঃসাধ্য হয়ে উঠবে। যত সময় অতিবাহিত হবে রোগীর তত ঝিমিয়ে পড়বেন। আর এ লক্ষণ গুলো থেকে নিশ্চিত ভাবে বোঝা যাবে ওই ব্যক্তিকে কালাচ সাপে কামড় দিয়েছে।
  • কালাচ সাপের কামড়ানো ব্যক্তির শরীরে অস্বস্তি বোধ এবং জ্বর জ্বর ভাব হতে পারে।
  • পাশাপাশি শরীর গাটে গাটে ব্যথা হয় এবং কথাও জড়িয়ে যায়।
  • কালার সাপের বিষের নিউরোটক্সিন উপাদান মানুষের নার্ভ সিস্টেমকে আক্রান্ত করে অর্থাৎ দম বন্ধ হয়ে নির্ঘাত মৃত্যু ঘটবে
  • তাই এ সকল লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত রোগীকে চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

লেখকের শেষ কথা

আশা করছি আমার লেখা বিষাক্ত সাপে কামড়ানোর লক্ষণ - সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা  আর্টিকেলটি পড়ে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পেরেছেন। সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসার পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। আজকের এই আর্টিকেলে বিষাক্ত সাপে কামড়ানোর লক্ষণ - সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা।

পাশাপাশি কালাচ সাপে কামড়ানোর লক্ষণ, বিষহীন সাপে কামড়ের লক্ষন বিষাক্ত সাপে কামড়ালে করণীয় ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই আর্টিকেলটি পড়ে যদি আপনার কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করবেন। এই ধরনের প্রয়োজনের তথ্য পেতে নিয়মিত আমার লেখা আর্টিকেলগুলো পড়ুন। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url