ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন

প্রিয় পাঠক আপনি কি ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্য ইসবগুলের ভুষি খাওয়ার নিয়ম এ সম্পর্কে জানেন না। তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা আজকের আর্টিকেলে ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা ,ইসবগুলের ভুষি খাওয়ার নিয়ম, খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেলে কি হয় ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছেন।
ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা
আশা করছি ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা আর্টিকেলটি পড়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন এবং উপকৃত হবেন। আপনাদের সুবিধার্থে ইসবগুলের ভুষি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। তাই দেরি না করে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকুন।

ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম

আমরা ইসবগুলের ভুষি বিভিন্ন উপায়ে খেয়ে থাকি কিন্তু আপনারা অনেকেই ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানেন না। অর্থাৎ কতটুকু বা কিভাবে ইসবগুলের ভুষি খেলে তার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ইসবগুলের ভুষি নিয়ম করে পরিমাণ মতো খেলে স্বাস্থ্যের জন্য দারুন উপকারি তবে অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে তার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। ইসবগুলের ভুষি খাওয়ার মূলত সঠিক নিয়ম সকালে খালি পেটে এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে শরবত করে খাওয়া। এর ফলে হজম শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের মত সমস্যা গুলো খুব সহজেই দূর হয়ে যায়। নিচে কয়েকটি ইসবগুলের ভুষি খাওয়ার সহজ নিয়ম উল্লেখ করা হলো-
  • এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চামচ ইসবগুলের ভুষি ১০ থেকে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রেখে খাবেন।
  • কুসুম গরম বা ঠান্ডা পানিতে দুই চামচ ইসবগুলের ভুষি মিশিয়ে সাথে সাথে খেতে পারেন।
  • এক গ্লাস পানির মধ্যে ২ থেকে ৩ চামচ ইসুবগুলের ভুষি মিশিয়ে খেতে পারেন।
এছাড়াও ইসবগুলের ভুষি কতটুকু পরিমাণে খাওয়া যায় এ সম্পর্কে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন। তবে ৫ থেকে১০ গ্রামের বেশি ইসবগুলের ভুষি খাওয়া শরীরের জন্য ঠিক নয়। আপনি যদি ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ইসবগুলের ভুষি খেতে চান তাহলে অবশ্যই ২ থেকে ৩ চামচের বেশি খাওয়ার চেষ্টা করবেন না।

ইসবগুলের ভুষি খাওয়ার উপকারিতা

ইসবগুলের ভুষি নামটির সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত কিন্তু ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে তেমন একটা জানেনা। অনেকে ঘুমানোর আগে ইসবগুলের ভুষি খেয়ে থাকেন অথবা সারারাত ইসবগুলের ভুষি পানিতে ভিজিয়ে রেখে তারপর সকালে খায়। কিন্তু এক্ষেত্রে ইসবগুলের ভুষি রাতে অনেকক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে এর পুষ্টিগুণ উপাদান নষ্ট হয়ে যায়। অর্থাৎ ইসবগুলের ভুসি ভেজানোর কিছু সময় পর খেয়ে ফেলতে হবে।


ইসবগুলের ভুষির শরীরের বিভিন্ন জটিল ও কঠিন রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে। গবেষণা জানা গেছে এক চামচ ইসুবগুলের ভুষিতে ৫৩% ক্যালরি ১৫% শর্করা ও ০৯ মিলিগ্রাম আয়রন ও ২৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। দীর্ঘদিন যাবত যারা পেশাবের জ্বালাপোড়া, কোষ্ঠকাঠিন্য,পেটের চর্বি সমস্যা নিয়ে ভুগছেন তাদের জন্য ইসুবগুলের ভুসি এক ধরনের মহা ঔষধ। চলুন তাহলে ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জেনে নেওয়া যাক।

ওজন কমানোর জন্যঃ ওজন কমাতেও দারুন উপকারি ইসবগুলের ভুষি। ওজন কমানোর জন্য কুসুম গরম পানির সঙ্গে ২ চামচ ইসবগুলের ভুষি মিশিয়ে পান করতে পারেন। স্বাদ বাড়ানোর জন্য সামান্য পরিমাণে লবণ ও লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন। ইসবগুলের ভুষি ওজন কমানোর জন্য একটি কার্যকর উপায়। এক গ্লাস ইসবগুলের ভুষির শরবত সারাদিনের ক্লান্তি ও দীর্ঘ সময় পেট ভরে রাখতে সাহায্য করে। এর ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রতি চাহিদা রোধ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও ইসবগুলের ভুষির শরবত অতিরিক্ত কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃ কোষ্ঠকাঠিন্য অনেক জটিল একটি রোগ। ইসবগুলের ভুষি উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ খাদ্য যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য ঘরোয়া প্রতিকার গুলোর মধ্যে অন্যতম। ইসবগুলের ভুষি পেট পরিষ্কার এবং সঠিক হজম করতে সহযোগিতা করে। এতে উপস্থিত অদ্রবণীয় ফাইবার কোষ্ঠকাঠাম রোগীদের মল নরম করে দেয়। তাই প্রতিদিন রাত্রে ঘুমানোর আগে ২ চামচ ইসবগুলের ভুষি কুসুম গরম পানির সঙ্গে ভিজিয়ে পান করুন। এটি আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে দারুন কাজ করে।

ডায়রিয়া প্রতিরোধঃ ইসবগুলের ভুষি ডায়রিয়া প্রতিরোধে দারুন ভূমিকা পালন করে। অনেকে ডায়রিয়ায় ভুগে থাকেন। ডায়রিয়া প্রতিরোধে দারুন টনিক হলো এ ইসুবগুলের ভূষি ও দই। ডায়রিয়া হলে ভরা পেটে দিনে ২ বার ৩ টেবিল চামচ দই ও ২ চামচ পরিমাণ ইসবগুলের ভুষি মিশিয়ে খাবেন। এই দুইটি উপাদান একসাথে মিশিয়ে খাওয়ার ফলে ডায়রিয়া থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধেঃ ইসুবগুলের ভুষি ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে। ইসবগুলের ভুষিতে জিলাপির নামক উপাদান রয়েছে। যা শরীরের রক্তের শর্করা শোষণ ও ভাঙ্গার প্রক্রিয়া কে বাধাগ্রস্ত করে। গবেষণায় জানা গেছে দিনে দুইবার ৫ গ্রাম ইসুবগুলের ভুষি খেলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইসবগুলের ভুষি খুবই উপযুক্ত।

রক্তে কোলেস্টেরল মাত্রা কমায়ঃ
ইসবগুলের ভুষি রক্তে ক্ললেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হাটকে সুস্থ রাখতে দারুণ উপকারী। ইসবগুলের ভুষি খাওয়ার ফলে আমাদের অন্ত্রে এক ধরনের স্তর সৃষ্টি হয়। যা কোলেস্টেরল শোষণ করতে বাধা দেয়। এর ফলে আমাদের শরীরে খারাপ কোলেস্টরে মাত্রা কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই আক্রান্ত রোগীদের জন্য দারুন একটি খাবার ইসবগুলের ভুসি।

প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া দূর করেঃ অনেকে দীর্ঘদিন যাবত প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া সমস্যায় ভোগেন। তাদের জন্য এইসবগুলের ভুষি একটি উপকারী খাদ্য। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া দূরীকরণে ইসবগুলের ভুষির সঙ্গে আখের গুড় মিশিয়ে শরবত করে খেতে হবে। এই শরবতটি দিনে ২ বার নিয়ম মেনে খেলে আপনার প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া অনেকটাই দূর হয়ে যাবে এবং প্রস্রাবের রং স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

পেটের চর্বি কমাতেঃ ইসবগুলের ভূসিতে উপস্থিত পুষ্টিগুণ উপাদান আপনার পেটের চর্বি কমাতে সাহায্য করে। তাই পেটের অতিরিক্ত মেদ ভুরি কমাতে কুসুম গরম পানির সঙ্গে ইসবগুলের ভুষি ও লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন দুইবার খেলে খুব সহজেই এ সমস্যা থেকে সমাধান পাবেন।


যৌন শক্তি বৃদ্ধি করেঃ ইসবগুলের ভুষি যৌন শক্তি বৃদ্ধি করতে দারুণ কার্যকর। তাই প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সঙ্গে মধু ও দুই চামচ ইসবগুলের ভুষি মিশিয়ে শরবত করে খেলে খুব অল্প সময়ে যৌন শক্তি বৃদ্ধি পায়। তাই তাদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে তারা নিয়মিত ইসবগুলের ভুসি খেলে এ সমস্যা থেকে খুব সহজেই সমাধান পাবেন।

খালি পেটে ইসবগুলের ভুসি খেলে কি হয়

অনেকেই দীর্ঘদিন যাবত পেটের সমস্যায় ভুগে থাকেন। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য এক মহা ঔষধ ইসবগুলের ভুষি। তবে এই সমস্যাটির কথা অনেকেই লোক লজ্জার কারণে কারো সাথে এই বিষয়টা নিয়ে আলাপ করতে পারে না। এর ফলে ধীরে ধীরে এই কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যাটি মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়। নিয়মিত খালি পেটে ইসবগুলের ভুষি খেলে বিভিন্ন ধরনের পেটের সমস্যা দূর হয়ে যায়।

আপনিও যদি কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যায় ভোগেন তাহলে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ইসবগুলের ভুষি শরবত করে খাবেন। তবে চেষ্টা করবেন বেশি সময় পানিতে না ভিজিয়ে রাখার। কারণ দীর্ঘসময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ইসবগুলের ভুষি পানি শুষে নেয় ফলে কার্যকারিতা কমে যায়। সুতরাং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তির পাওয়ার জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ইসবগুলের ভুষি ভিজিয়ে খাবেন।

প্রতিদিন কতটুকু ইসুবগুলের ভুষি খাওয়া উচিত

ইসবগুলের ভুষি খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে কতটুকু পরিমাণে এসব করে ভুষি খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য উপকার সে সম্পর্কে অনেকেই জানেনা। তা আজকের ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা  আর্টিকেলের এই পর্বে আপনাদের জানাবো প্রতিদিন কতটুকু ইসুবগুলের ভুষি খাওয়া উচিত। প্রতিদিন ইসবগুলের ভুষি ১ টেবিল চামচ থেকে সর্বোচ্চ ৩ চামচ পরিমাণ খেতে পারবেন।


তবে ইসবগুলের ভুষি পানির সঙ্গে মিশিয়ে শরবত করে খাওয়া শরীরের জন্য উত্তম। সকালে খালি পেটে অথবা রাতে ঘুমানোর আগে ইসবগুলের ভুষির শরবত খেলে জন্য খুবই উপকারী। ইসবগুলের ভুষি মাত্রা অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আশা করি প্রতিদিন কতটুকু ইসবগুলের ভুসি খাওয়া উচিত সে সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

ইসবগুলের ভুসি খেলে কি মোটা হওয়া যায়

অনেকেই মনে করেন ইসবগুলের ভুষি খেলে মোটা হওয়া যায়। তবে এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। ইসবগুলের ভুষি ওজন কমাতে সহায়ক। আমরা ওজন কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ডায়েট অনুসরণ করি কিংবা বিভিন্ন ধরনের শরীরচর্চা করে থাকি। অতিরিক্ত ওজনের কারণে প্রিয় খাবারগুলো বাদ দিয়ে ডায়েট করে থাকেন। ইসবগুলের ভুষি এমন একটি পরিচিত খাদ্য কিন্তু ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই খুব বেশি ধারণা নেই। ইসুবগুলের ভুষি ওজন কমাতে যে কতটা কার্যকরী সে সম্পর্কে হয়তো অনেকেই জানেন না।


তবে ইসবগুলের ভুষি খেলে যে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর হয়ে যায় এ বিষয়টি হয়তো সকলেরই জানা আছে। ইসবগুলের ভুষি একটি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার। এটি সাধারণত রেচক ও কোষ্ঠকাঠি নিরময়ে সহায়তা করে এছাড়াও হার্ট, পাকস্থলী,লিভার এর ক্ষেত্রে বেশ উপকারী। সকালে খালি পেটে ইসবগুলের ভুষির সরবত খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরে রাখতে সাহায্য করে। এর ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার চাহিদা কমে যায়। সুতরাং ইসবগুলের ভুষি খেলে অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পায় না অর্থাৎ এটি যথাযথভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

ইসবগুলের ভুসি কখন খেতে হয়

উপরোক্ত আলোচনা থেকে জানতে পেরেছেন ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে। এখন আপনাদের জানাবো ইসবগুলের ভুষি কখন খেতে হয়। ইসুবগুলের ভুষি খাওয়ার উত্তম সময় হলো সকালে খালি পেটে এবং রাতে খাবার খাওয়ার পর ঘুমানোর আগে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দিনে ২ বার ইসবগুলের ভুসি খেতে পারবেন। এক গ্লাস ঠান্ডা অথবা কুসুম গরম পানির সঙ্গে ২ থেকে ৩ চামচ ইসবগুলের ভুষি মিশিয়ে খাবেন। তবে মনে রাখবেন ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ইসবগুলের ভুষি খাওয়ার পূর্বে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করবেন। আপনার শরীরে যদি শারীরিকভাবে কোন সমস্যা থাকে তাহলে অবশ্যই ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করবেন।

কোষ্ঠকাঠিন্য ইসবগুলের ভুষি খাওয়ার নিয়ম

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে মল নরম করার কার্যকরী ঔষধ এর মধ্যে অন্যতম হলো ইসবগুলের ভুষি। সকালে খালি পেটে ইসবগুলের ভুষি খাওয়া শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই থেকে তিন চামচ পরিমাণ ইসবগুলের ভুষি মিশিয়ে শরবত করে খাবেন। তবে এই শরবতে চিনি মেশানোর কোন প্রয়োজন নেই। তবে দীর্ঘ সময় ইসবগুলের ভুষি ভিজিয়ে রাখবেন না। ইসবগুলের ভুসি ভেজানোর সাথে সাথেই খেয়ে ফেলা উচিত। কেননা দীর্ঘ সময় ভুষি পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এর কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।

ইসুবগুলের ভুষি খাওয়ার অপকারিতা

ইতিমধ্যে উপরে আলোচনা থেকে ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা  সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। ইসবগুলের ভুসি খাওয়া যেমন স্বাস্থ্যের জন্য যেমন উপকারিতা রয়েছে ঠিক তেমনি এর অপকারিতা রয়েছে। পরিমাণ অনুযায়ী ইসবগুলের ভুসি খেলে স্বাস্থ্যের ওপর কোন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ইসবগুলের ভুষি খাওয়ার উপকারিতা জানতে হলে অবশ্যই এর অপকারিতা গুলো আমাদের জানা উচিত। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক এসব করে ভূষি খাওয়ার অপকারিতা কি কি সে সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে।
  • পেট ব্যথা
  • পেট ফাঁপা বা ফোলা
  • বমি বা বমি ভাব
  • অ্যাসিডিটি/গ্যাস্টিক
  • ডায়রিয়া
  • অন্ননালির সমস্যা
  • শ্বাসকষ্ট
  • অ্যাজমা
  • এলার্জি
  • চামড়া লাল লাল ফুসকুড়ি
উপরোক্ত আলোচনা থেকে বুঝতে পেরেছেন যে অতিরিক্ত পরিমাণে ইসবগুলের ভুষি খাওয়ার ফলে কি কি সমস্যা হতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে ইসবগুলের ভুষি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। সুতরাং মাত্রা অতিরিক্ত পরিমাণে ইসবগুলের ভুষি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

লেখকের সর্বশেষ কথা

প্রিয় বন্ধুরা আজকেরে আর্টিকেলে ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও এই আর্টিকেলে কোষ্ঠকাঠিন্য ইসবগুলের ভুষি খাওয়ার নিয়ম, ইসবগুলের ভুষি খেলে কি মোটা হওয়া যায়, খালি পেটে ইসবগুলের  ভুষি খেলে কি হয় ও ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করেছি। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়লে ইসবগুলের ভুষি খাওয়া উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং পড়ে উপকৃত হবেন। আপনাদের সুবিধার্থে ইসবগুলের ভুষি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এই পোস্টে আলোচনা করা হয়েছে। এ ধরনের নতুন নতুন আর্টিকেল দেখতে পড়তে আমার এই ওয়েবসাইটের সঙ্গে থাকুন। আর্টিকেল গুলো পড়ে যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন এবং এই ওয়েবসাইটের আর্টিকেল পড়ার সুযোগ করে দিন। সম্পূর্ণ আর্টিকেল মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url