পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ - পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায়

প্রিয় পাঠক বিন্দু আপনি কি বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভুগছেন কিংবা পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ - পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায় খুঁজছেন। যদি এমনটা হয় তাহলে নিশ্চিন্তে আমার লেখা পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ - পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায় এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন। আজকেরে আর্টিকেলে পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ - পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায় ও বন্ধ্যাত্ব কোন ভিটামিনের অভাবে হয় সে সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ - পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায়
আশা করছি পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ - পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায় এই আর্টিকেলটি পরে আপনি প্রয়োজনে তথ্য খুঁজে পাবেন এবং উপকৃত হবেন। তাই আপনার বন্ধ্যাত্বের সমস্যা সমাধান জানতে হলে আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ

মানুষ মনে করে যে বন্ধ্যাত্ব শুধুমাত্র নারীদের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। কিন্তু এ কথাটি সম্পূর্ণই ভুল। কারণ বন্ধ্যাত্ব নারী এবং পুরুষ উভয়ের মধ্যেই থাকতে পারে। পুরুষের বন্ধুত্ব লক্ষণগুলো সনাক্ত করা অপরিহার্য কারণ নারীদের গর্ভধারণের জন্য পুরুষের প্রজনন স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়। তাই আপনি যদি পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ - পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান তাহলে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ুন। পুরুষ বন্ধুত্বের কোন লক্ষণ দেখা বা লক্ষ্য করা সত্যিই অনেক কঠিন তবে এমন কিছু লক্ষণ আছে যা পুরুষের বন্ধ্যাত্বে নির্দেশ করতে পারে। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ গুলোর মধ্যে অন্যতম কয়েকটি লক্ষণ।

যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া
যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া পুরুষ বন্ধ্যাত্বের অন্যতম লক্ষণ। পুরুষের বন্ধ্যাত্ব সমস্যা হলে যৌন ইচ্ছা কমে যাবে। এর ফলে যৌন ইচ্ছা কমে হরমোনের অস্বাভাবিকতা নির্দেশ করতে পারে যা শুক্রাণু উৎপাদনকে প্রভাবিত করে।

বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা কমে যায়
বীর্যে শুক্রানু সংখ্যা কম থাকা হলো বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ। কারণ পুরুষের বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা না থাকলে সেই বীর্যে সন্তান হওয়া অসম্ভব।

পুরুষাঙ্গ ব্যথা বা ফুলে যাওয়া
পুরুষাঙ্গ ব্যথা বা ফোলা হতে পারে বেশ কয়েকটি রোগের কারণ। তবে এই সকল রোগের মধ্যে বন্ধাতে ইঙ্গিত হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ বিষাক্ত সাপে কামড়ালে করণীয় - সাপে কামড়ালে প্রাথমিক চিকিৎসা

বীর্যপাতের গতি কমে যাওয়া
পুরুষের বীর্যপাতের সময় একে নির্দিষ্ট গতি থাকে। আর এই গতির কারণে শুক্রাণু জরায়ুর নির্দিষ্ট অংশে পৌঁছাতে পারে। তবে যদি বীর্যপাতের গতি কম হয় সেক্ষেত্রে শুক্রাণু জরায়ুতে পৌঁছাতে পারবেনা। এর ফলে গর্ভধারণ হয় না। তাই বীর্যের গতি কমে যাওয়া বন্ধত্বের লক্ষণ।

হরমোন জনিত সমস্যা
কোন পুরুষের যদি হরমোন জনিত সমস্যা থাকে সে ক্ষেত্রে তার সঙ্গীকে গর্ভবতী করতে পারবে না। তাই হরমোন জনিত সমস্যা পুরুষের বন্ধ্যাত্বের অন্যতম একটি লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়।

পুরুষাঙ্গে সংক্রমণ
পুরুষের বিশেষ অঙ্গে যদি সংক্রমণ থাকে তাহলে ও কিন্তু বন্ধ্যাত্বের সমস্যা হতে পারে।

সহবাসে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভব করা
সহবাসের সময় নারী ও পুরুষ আনন্দ অনুভব করা স্বাভাবিক বিষয়। তবে সহবাসের সময় যদি অস্বস্তি অনুভব হয় তাহলে আপনার বুঝতে হবে অবশ্যই কোন সমস্যা হয়েছে। অর্থাৎ এ ধরনের সমস্যা থেকে আপনার সঙ্গী গর্ভবতী নাও হতে পারে।

আলোচনা থেকে বুঝতে পেরেছেন যে পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণগুলো সম্পর্কে। যদি কোন পুরুষের উপরোক্ত লক্ষণগুলো দেখা দেয় তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে আপনার বন্ধ্যাত্ব জনিত সমস্যা হয়েছে। এই ধরনের সমস্যা দূর করার জন্য আপনাকে চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্য খেতে হবে।

বন্ধ্যাত্ব কোন ভিটামিনের অভাবে হয়

বর্তমান সময়ে পুরুষের বন্ধুত্ব জনিত সমস্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পুরুষের বন্ধ্যাত্ব হওয়ার বিভিন্ন ধরনের কারণ থাকতে পারে। যদি কোন পুরুষের বন্ধ্যাতের লক্ষণ সমূহ যদি কোন ব্যক্তির ভিতরে দেখা দেয় তাহলে ধরে নিতে হবে সে আংশিক কিংবা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ্যা। অনেকেই মনে করে ভিটামিনের অভাবে বন্ধ্যাত্ব হয়। তবে বন্ধ্যাত্ব হওয়ার অন্যান্য কারণেও হতে পারে। বিশেষ করে যে সকল পুরুষের হরমোন জড়িত সমস্যা বা পুরুষাঙ্গে সংক্রমণের কারণেও বন্ধ্যাত্ব সমস্যা দেখা দিতে পারে।


এছাড়াও আরো বিভিন্ন কারণ বশত পুরুষের বন্ধুত্ব হয়। যে সকল পুরুষের শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ই অভাব থাকে তাহলে এই সমস্যা ধীরে ধীরে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই পুরুষের বন্ধুত্বের জন্য ভিটামিন- ই দায়ী। সুতরাং পুরুষের বন্ধুত্ব সমস্যা দূর করার জন্য ভিটামিন- ই  সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

পুরুষের বন্ধ্যাত্ব কিভাবে হয়

পুরুষের বন্ধ্যাত্ব হাওয়ার বিভিন্ন ধরনের কারণ থাকতে পারে। তবে কিছু কারণ জন্ম থেকে থাকে যা  হয়তো অনেকেই জানেনা। আর বাকি যে কারণগুলো সেগুলো তো মানুষের জীবন যাত্রার ও স্বভাবে হয়। যেমন কারো ওজন বেশি থাকে তাহলে এ সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও শরীরের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বেশি কিংবা হরমোন জনিত সমস্যা। হরমোন সমস্যার মধ্যে থাইরয়েড সমস্যা অথবা প্রলাপটিন নামে আরেকটি মেয়েলি হরমোন শরীরে বেড়ে গিয়ে থাকে তাহলে বন্ধ্যাত্ব সমস্যা বৃদ্ধি পায়।

আরেকটি সমস্যা হলো শুক্রাণু তৈরি হচ্ছে কিন্তু শুক্রানো বের হওয়ার যে পথ রয়েছে সেখানে কোথাও আঘাত বা বাধা পেলে বন্ধ্যাত্ব সমস্যা হতে পারে। এছাড়াও পুরুষের কিছু বদভ্যাস রয়েছে যেমন অতিরিক্ত ধূমপান করা, মাদকদ্রব্য ও অ্যালকোহল গ্রহণ, এমন কোন পরিবেশে কাজ করেন যেখানে তেজস্ক্রিয়তা বা এক্স-রে রয়েছে কিংবা এমন কিছু রাসায়নিক থাকে যা তার শ্বাস প্রশ্বাসের সঙ্গে রক্তে মিশে বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য এই ধরনের বদ অভ্যাস গুলো ত্যাগ করা জরুরী।

পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায়

উপরের পুরুষের বন্ধ্যাত্ব লক্ষণ সমূহ উল্লেখ করা হয়েছে। এখন আপনাদের জন্য পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। এমন অনেকে আছে পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ - পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায় সম্পর্কে জানে না। বন্ধ্যাত্ব শুধু নারীদের ক্ষেত্রে হয় তা কিন্তু নয়। বন্ধ্যাত্ব সমস্যা পুরুষেরও হতে পারে। মূলত পুরুষদের শুক্রাণুর দুর্বল হলেই বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দেখা দেয়। বিভিন্ন গবেষণা জানা গেছে, দেহে ভিটামিন ও জিংকের ঘাটতি হলে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব হতে পারে। তাই পুষ্টিকর খাদ্যাভাসের ফলে শুক্রাণু গুণগত মান বৃদ্ধি পায়। তাই এই বন্ধ্যাত্ব দূর করার কিছু উপায় তুলে ধরা হলোঃ
  • পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা।
  • অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা থেকে বিরত থাকা।
  • নিয়মিত শরীর চর্চা বা ব্যায়াম করা।
  • মাদক বা ধুমপান পরিহার করুন।
  • ওজন কমানো বা নিয়ন্ত্রণের রাখা।
  • অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় খাওয়া বর্জন করুন।
  • বেশি বেশি শাকসবজি ও মৌসুমির ফল মূল খাওয়া
  • চকলেট বা ডার্ক চকলেট গ্রহণ করুন।
  • বিষাক্ত খাদ্য পরিহার করুন।
উপরে আলোচনা বিষয়গুলো অনুসরণ করে খুব সহজেই পুরুষের বন্ধ্যাত্ব জনিত সমস্যা দূর করা সম্ভব। তাই যে সকল পুরুষের বন্ধ্যাত্ব সমস্যায় রয়েছে তার উপরোক্ত উপায় গুলো মেনে চলুন। শরীরকে সুস্থ ও বন্ধ্যাত্ব দূর করতে ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন।

পুরুষের বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা

আশা করছি উপরে আলোচনা থেকে পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ - পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পেরেছেন। এখন আপনাদের জন্য পুরুষের বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো । পুরুষদের বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো রোগের  তথ্য ও ইতিহাস জেনে নেওয়া। অনেক রোগীরা চিকিৎসকের কাছে তাদের তথ্য গোপন করে। আপনি যদি সঠিক উপায়ে পুরুষ  বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা করাতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে একজন বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং উপযুক্ত চিকিৎসা নিতে হবে।


বন্ধ্যাত্ব সমস্যা কোন ভয় পাওয়ার কারণ নেই। বাংলাদেশে  বন্ধ্যাত্ব অনেক চিকিৎসক রয়েছে যাদের মাধ্যমে সঠিক চিকিৎসা নিলে এ সমস্যা দূর করা সম্ভব। এছাড়াও বাংলাদেশের চিকিৎসা নিয়ে যদি আপনি এ সমস্যা দূর করতে না পারেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণ করার জন্য যেতে হবে। অনেকে পুরুষের  বন্ধ্যাত্ব সমস্যার চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে যায়। আপনি চাইলে ভারতে চিকিৎসা করাতে পারেন বা দেশের বাহিরে গিয়ে চিকিৎসা করতে পারেন।

পুরুষ বন্ধ্যাত্ব হোমিও চিকিৎসা

পুরুষের বন্ধ্যাত্ব হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমেও নিরাময় করা সম্ভব। তাই আপনি যদি পুরুষের বন্ধ্যাত্ব হোমিও চিকিৎসা করাতে চান সে ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। হোমিওপ্যাথি ওষুধ শরীরে ধীরে ধীরে রোগ নির্মূল করে। হোমিওপ্যাথি ওষুধ আপনি নিজে কখনো ফার্মেসি থেকে কিনে খাবেন না। কারণ শরীরে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। চলুন তাহলে পুরুষ বন্ধুত্ব হোমিও চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ সমূহ গুলো জেনে নেওয়া যাক।
  • কালোফাইলম
  • বোরাক্স
  • হেলোনিয়াস
  • আয়োডিয়াম
  • প্লাটিনা
  • নেট্রাম মিউর
  • কার্বোভেজ
  • পালসেটিলা
  • লাইকোপডিয়াম

পুরুষ বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ঢাকা

উপরের আলোচনা থেকে জানতে পেরেছেন পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ - পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। অর্থাৎ পুরুষ বন্ধুদের লক্ষণ সমূহ উপরের আলোচনা উল্লেখ করা হয়েছে। ঢাকায় বাংলাদেশের সেরা পুরুষ বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসক পাওয়া যায়। আপনি যদি পুরুষ বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ঢাকায় চিকিৎসা গ্রহণ করতে চান তাহলে নিম্নবর্ণিত তথ্যগুলো আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিম্নে বেশ কয়েকটি পুরুষ বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ঢাকা এর ঠিকানা তুলে ধরা হলো।

প্রফেসর ডাঃ র টি এইচ চৌধুরী (পুরুষ বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ঢাকা)
যোগ্যতাঃ MBBS,FRCS, FRCOG, FRCP, FCPS(PK) FCPD(BD)
স্ত্রী রোগ ও বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ
চেম্বারঃ ফরিদা ক্লিনিক, ঢাকা
ঠিকানাঃ 163/4, শান্তি নগর রোড, ইস্টার্ন সেলার্স মার্কেটের বিপরীতে, ঢাকা
রোগী দেখার সময়ঃ বিকাল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা (শনি, সোম ও বুধ) এবং সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৯টা (রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতি)
যোগাযোগের নম্বর: +880248321960


প্রফেসর ডাঃ মারুফ সিদ্দিকী
যোগ্যতাঃ MBBS (DMC), FCPS (OBGYN), IVF&ICSI (থাইল্যান্ড)
বিশেষজ্ঞঃবন্ধ্যাত্ব এবং IVF বিশেষজ্ঞ
চেম্বারঃ আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতাল লিমিটেড
ঠিকানাঃ বাড়ি # 17, রোড # 08, ধানমন্ডি আর/এ, ঢাকা – 1205
রোগী দেখার সময়ঃ বিকাল ৫টা থেকে রাত ৯টা (শনি, রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার)
যোগাযোগের নম্বর: +8801794631222

পরামর্শমূলক কিছু কথা

প্রিয় বন্ধু আপনাদের জন্য আজকে পুরুষের বন্ধ্যাত্বের লক্ষণ - পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দূর করার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এছাড়াও এই আর্টিকেলে বন্ধ্যাত্ব কোন ভিটামিনের অভাবে হয়, পুরুষের বন্ধ্যাত্ব কিভাবে হয়, পুরুষের বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা ইত্যাদির প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। আশা করছি সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পরলে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন এবং উপকৃত হবেন। এ ধরনের প্রয়োজনে মূলক তথ্য পেতে নিয়মিত আমার লেখা আর্টিকেলগুলো পড়ুন। আমার লেখা আর্টিকেলগুলো যদি পড়ে আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করবেন। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url