প্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ - প্রস্রাবে ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা

প্রিয় পাঠক আপনি প্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ - প্রস্রাবে ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। তাহলে আর্টিকেলটি আপনার জন্য। এছাড়াও প্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ - প্রস্রাবে ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা কিংবা প্রস্রাবে ইনফেকশন হলে করণীয় কি এ সম্পর্কে কোন তথ্য জানেন না। আজকেরে আর্টিকেলে প্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ - প্রস্রাবে ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আলোচনা করেছি। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ে আপনি জানতে পারবেন এবং উপকৃত হবেন। 
প্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ - প্রস্রাবে ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা
আশা করছি প্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ - প্রস্রাবে ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা এই পোস্টটি পড়ে আপনি উপকৃত হবেন। আজকের আর্টিকেলে প্রস্রাবের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধান তুলে ধরা হয়েছে। তাই দেরি না করে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন।

ভূমিকা

ইউরিন ইনফেকশন বা প্রস্রাবে ইনফেকশন খুবই পরিচিত একটা রোগ। এ রোগের সাধারণত প্রস্তাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া অথবা ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার রকম লক্ষণ দেখা দিতে পারে। শরীর থেকে বর্জ্য এবং অতিরিক্ত পানি প্রস্রাব হিসেবে বেরিয়ে যায়। প্রস্রাব বেরিয়ে যাওয়ার এ ব্যবস্থা সাথে সম্পর্কিত নিয়ে মূত্রতন্ত্র গঠিত। মূত্রতন্ত্র এর মধ্যে রয়েছে দুইটি কিডনি, দুইটি ইউরেটার এবং একটি মূত্র থলি বা ব্লাডার ও একটি মূত্রনালী। ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু সংক্রম হলে সেটিকে ইউরিন ইনফেকশন বা প্রস্রাবের ইনফেকশন বলে। ডাক্তারি ভাষায় এটাকে ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশন বা ইউটিআই বলা হয়।


প্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ - প্রস্রাবে ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা এই সম্পর্কে জানেনা। এ রোগটি সাধারণত প্রতি পাঁচ জন নারীর মধ্যেই একজন প্রস্রাবের ইনফেকশনে আক্রান্ত হন। বছরের প্রায় ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন রুগী এ রোগে আক্রান্ত হয়ে ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নেয়। নারী অথবা পুরুষ উভয়ের মধ্যে প্রস্রাবে ইনফেকশন হলেও পুরুষের তুলনায় নারীদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। তবে কিছু নিয়মকান মেনে চলে এবং সঠিক সময় চিকিৎসা নিলে এর থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

প্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ

প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়া সবচেয়ে অন্যতম লক্ষণ হলো- প্রস্তাবের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভূতি হওয়া। এছাড়াও আরো কিছু লক্ষণ রয়েছে সেগুলো জেনে নিন।
  • প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া হওয়া।
  • স্বাভাবিকের চেয়ে ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া।
  • অস্বাভাবিক গন্ধযুক্ত অথবা ঘোলাটে প্রস্রাব হওয়া।
  • তলপেটে ব্যথা অনুভূতি হওয়া।
  • দুর্গন্ধ যুক্ত প্রস্রাব এবং প্রস্রাবের রং লালচে হওয়া।
  • ঠিকমতো প্রস্রাব না হওয়া।
  • প্রস্রাবের সময় মাঝেমাঝে রক্ত যাওয়া।
  • কোমরের পিছনে পাঁজরের ঠিক নিচের অংশে ব্যথা হওয়া।
  • ক্লান্তি ও বমি বমি লাগা।
  • হঠাৎ তীব্র প্রস্রাবে বেগ আসা।
  • রাতে অতিরিক্ত প্রস্রাবের বেগ আসা।
  • জ্বর আসা কিংবা গরম লাগে এবং শরীরের কাঁপুনি হওয়া।
  • শরীরের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ৯৬. ৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট এর থেকে কমে যাওয়া।

উপরের লক্ষণগুলোর পাশাপাশি বয়স ভেদে প্রস্রাবে ইনফেকশন লক্ষণ গুলো কিছুটা পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। প্রস্রাবের নল (ক্যাথেটার) দেওয়া পরিবর্তণ হলো-
  • অস্বাভাবিক আচরণ
  • মানসিক বিভ্রান্তি অথবা ক্ষোভ
  • নতুন করে শরীরে কাঁপুনি অথবা ঝাকুনি হওয়া
  • প্রস্রাব করে জামা কাপড় নষ্ট করে ফেলা
এছাড়াও বাচ্চাদের ক্ষেত্রে সাধারণত লক্ষণ গুলো পাশাপাশি ভিন্ন ধরনের কিছু লক্ষণ দেখা যায়। যেমন-
  • ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করা বন্ধ করে দেওয়া
  • জ্বর আসা বা শহরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া
  • মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া।
  • ঘনঘন প্রস্রাব করা কিংবা হঠাৎ বিছানায় প্রস্রাব করতে শুরু করা।
  • বমি হওয়া

প্রস্রাব ইনফেকশনের কারণ

সাধারণত পায়খানার রাস্তায় থাকা বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া বা জিবাণু মূত্রতন্ত্রে প্রবেশ করার ফলে প্রস্রাবে ইনফেকশন হয়। অর্থাৎ প্রস্রাবের রাস্তা বা মূত্রনালী দিয়ে এইসব জীবাণুর মূত্রতন্ত্রে প্রবেশ করে। নারী পুরুষ উভয়ে প্রস্রাবে ইনফেকশন হতে পারে। তবে পুরুষের তুলনায় নারীদের মধ্যে এ রোগের সংক্রমণ হওয়ার প্রবণতা বেশি। নারীদের প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়ার অন্যতম কারণ হলো পুরুষের তুলনায় নারীদের যোনিপথ দৈর্ঘ্য অনেক । অনেক নারী ও পুরুষ রয়েছে যারা প্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ - প্রস্রাবে ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে জানে না।


অর্থাৎ নারীদের মূত্রনালী পায়ুপথের খুব কাছাকাছি অবস্থিত। ফলের জীবাণু পায়ুপথ থেকে প্রবেশ করে প্রস্রাবের ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যে সকল কারণে প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে-
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করা।
  • যৌনাঙ্গ পরিষ্কার ও শুকনো না রাখলে
  • গর্ভধারণ করলে।
  • মত্রতন্ত্রের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধা সৃষ্টি করলে এরকম হয়। যেমন কিডনিতে পাথর হওয়া।
  • প্রস্রাবের রাস্তা নল বা ক্যাথেটার পড়ানো থাকলে।
  • যৌন সহবাস করলে।
  • পিরিয়ড বা মাসিক চিরতরে বন্ধ হয়ে গেলে। এ অবস্থাকে মনোপজ বলা হয়। ইস্ট্রোজেন নামক হরমোন কমে যাওয়ার ফলে প্রস্রাবে ইনফেকশন সংক্রমণ বেড়ে যায়।
  • মূত্রথলি সম্পূর্ণ খালি করতে বাধা সৃষ্টি করলে প্রস্রাবে ইনফেকশন সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে পুরুষের প্রস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়া, শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য বা স্নায়ুতন্ত্রের কোন ধরনের অসুখ।
  • শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে যেমন টাইপ টু ডায়াবেটিস অথবা এইচআইভি রোগে আক্রান্ত হলে প্রস্রাবে ইনফেকশন হয়।
  • দীর্ঘদিন যাবত কমোথেরাপি অথবা স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ সেবন করলে।
  • পূর্বে প্রস্রাবে ইনফেকশন হয়ে থাকলে।

প্রস্রাব ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা

প্রস্রাবে ইনফেকশন তেমন কোন গুরুতর না হলেও রোগী বেশ কয়েকদিনের মধ্যেই সুস্থ হয়ে যায়। প্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করুন। তাই ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলার পাশাপাশি ঘরোয়া কিছু চিকিৎসা মেনে চলতে পারেন। এর ফলে খুব তাড়াতাড়ি এর রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক প্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ - প্রস্রাবে ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে।
  • ব্যথাও জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল খাওয়া যায়। ঠিক তেমনি প্রস্রাবে ইনফেকশনে ব্যথা কমাতে অন্যান্য ঔষধের তুলনায় প্যারাসিটামল দারুন কার্যকর।
  • শিশুদের ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল সিরাপ খাওয়ানো যেতে পারে।
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম এবং প্রচুর পানি পান করতে হবে। দিনে কমপক্ষে দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে। এর ফলে প্রস্রাবের রং স্বচ্ছ ও হালকা হলুদ রঙের হয়। নিয়মিত প্রস্রাব করলে সেটির শরীর থেকে ব্যাকটেরিয়া বের করে দিতে সাহায্য  করে
  • নিয়মিত ভিটামিন সি জাতীয় ফল খাওয়ার ফলে প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। দিনে ১০০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি গ্রহণ করলে শরীরের যে অম্ল তৈরি হয় তাতে মুত্রে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিস্তার হ্রাস পায়।
  • শসা তে প্রচুর পরিমাণে পানি আছে। প্রস্রাবে ইনফেকশন কমাতে নিয়মিত একটি করে শসা খেতে পারেন।
  • তলপেট গরম কিছু সময় সেক দিলে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া ও ব্যথা কমে যায়।
  • এছাড়াও সোডা পানি পান করুন। এক গ্লাস পানিতে এক চামচ বেকিং সোডা মেশিয়ে সপ্তাহে অন্তত একদিন সকালবেলা পান করলে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কমে।
  • প্রস্রাব ইনফেকশন থেকে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত যৌন সহবাস থেকে বিরত থাকুন। যদিও প্রস্রাব ইনফেকশন ছোঁয়াচে নয় তবে ইনফেকশন থাকা অবস্থায় যৌন সহবাস অস্বস্তিকর হতে পারে

প্রস্রাবে ইনফেকশন হলে করণীয়

প্রস্রাবে ইনফেকশন প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও কিছু উপায় মেনে চললে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে আনা যায়। প্রস্রাবে প্রস্রাবে ইনফেকশন হলে করণীয় উপায় গুলো জেনে নিন।
  • প্রস্রাব করার পর টিস্যু ব্যবহারের সময় সামনে থেকে পেছনে পরিষ্কার করুন।
  • যৌনাঙ্গ সবসময় পরিষ্কার এবং শুকনো রাখুন।
  • প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। দিনে কমপক্ষে দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করা উচিত।
  • প্রস্রাব করার সময় মূত্রথলি সম্পূর্ণ খালি করার চেষ্টা করবেন।
  • সহবাসের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রস্রাব করবেন।
  • সুতি কাপড় ধিরেঢালা অন্তবাস ব্যবহার করুন।
  • সহবাসের আগে ও পরে যৌনাঙ্গ হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • পুকুরে গোসল করার পরিবর্তে শাওয়ার কিংবা বালতির সাহায্যে গোসল করুন।
  • যৌনাঙ্গে সুগন্ধি সাবান বা টেলকম পাউডার ব্যবহার করবেন না।
  • বাচ্চাদের ডাইপার বা কাপড়ের ন্যাপি নিয়মিত পরিবর্তন করুন।

প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঘরোয়া চিকিৎসা

আমরা সকলেই প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা ইউরিন ইনফেকশন সাথে কম বেশি পরিচিত। প্রায় প্রত্যেকটি বাড়িতেই প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া আক্রান্ত রোগী দেখতে পাওয়া যায়। নারী পুরুষ ও ভয়ের মধ্যেই এই রোগটি হয়ে থাকে। তবে পুরুষের তুলনায় নারীদের এটি বেশি দেখা যায়। প্রস্রাবে ইনফেকশন মূলত একটি উপসর্গ তবে এটা কোন রোগ নয়।
প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া অনুভূতি হলে অবশ্য সবার প্রথমে চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। তবে কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা আছে যা প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া অনেকটা নিরাময়ের করে। সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু দ্বারা সংক্রামিত হলে এটি হয়ে থাকে। চলুন তাহলে জেনে নেই প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ঘরোয়া চিকিৎসা।
  • প্রথমত প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া বা প্রস্রাবের সময় ব্যথা অনুভব করা থেকে মুক্তি পেতে অবশ্যই আপনার শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে হবে। এর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। অনেক সময় প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ডিহাইড্রেশনের কারণ হতে পারে।
  • কুসুম গরম পানির মধ্যে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেতে পারেন। এই মধু মিশ্রিত লেবু পানি প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া কমাতে একটি অন্যতম ঘরোয়া চিকিৎসা।
  • প্রস্রাবের রাস্তা জ্বালাপোড়া কমাতে আরেকটি ঘরোয়া চিকিৎসা হলো ডাবের পানি অন্যতম। ডাবের পানিতে ইলেকট্রোলাইটস আছে যা আপনার শরীরের ডিহাইড্রেশনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে দুর্দান্ত উপকারী।
  • টক দই প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাদ্য। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় দুই থেকে তিন চামচ টক দই রাখুন। প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া নিরাময় করতে টক দই দারুন কার্যকর। এছাড়াও টক দইয়ের পুষ্টি কর উপাদান শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
  • প্রস্রাবে ইনফেকশন রোগীদের জন্য শসা খুবই উপকারী। শসা প্রায় ৯৫ শতাংশ পানি। শসা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়। এছাড়াও শরীরকে শীতল রাখতে বেশ কার্যকর। তাই প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া কমাতে প্রতিদিন এক থেকে দুইটি করে শসা খাবেন।
  • প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া ও প্রস্রাবের সময় ব্যথা কমাতে হালকা কুসুম গরম সেঁক নেওয়া বেশ উপকারী। গরম তাপ মুত্রশার চাপ কমিয়ে ব্যথা নিরাময় করে। তাই প্রস্রাবের রাস্তা জ্বালাপোড়া সমস্যা দেখা দিলে তলপেটে পাঁচ মিনিট গরম সেঁক দিন। বাজারে নানা ধরনের হট ওয়াটার প্যাক পাওয়া যায়। যেগুলোর ভিতরে পানি ভরে আপনি গরম নিতে সেঁক পারবেন অনায়াসে

প্রস্রাবে ইনফেকশন ঔষধের নাম

অনেকে অনলাইনে প্রস্রাবে ইনফেকশন ঔষধের নাম কি এ বিষয়ে জানতে চায়। তাই আপনাদের জন্য প্রস্রাবে ইনফেকশনের জন্য সুপারিশকৃত ঔষধের নাম উল্লেখ করেছি।
  • ট্রাইফোমাইসিন
  • ফসফোমাইসিন
  • নাইট্রোফুরানটয়েন
  • সেফট্রিয়াক্সোন
অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের একটি গ্রুপ হল ফ্লুরোকুইনোলোনস যেমনঃ সিপ্রোফ্লক্সাসিন,লেভোফ্লক্সাসিন ইত্যাদি সাধারণত ইউটিআই এর জন্য দেওয়া হয় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে কিডনিতে সংক্রমণ বা কমপ্লিকেটেড ইউটিআই চিকিৎসার জন্য অন্য কোন বিকল্প থাকে না তখন ফ্লুরোকুইনোলোন ঔষধ দেওয়া হয়। সাধারণত প্রস্রাবের ইনফেকশনের লক্ষণ বা উপসর্গ গুলো চিকিৎসা শুরু করার কিছুদিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়।

উপরোক্ত ডাক্তাররা এই ঔষধ গুলো প্রস্রাবে ইনফেকশন রোগীদের দিয়ে থাকেন। তবে আমার মতে চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে কোন ধরনের ঔষধ খাওয়া যাবেনা কারণ এতে করে সমস্যা আরো বাড়তে পারে। কেননা ডাক্তার আপনার লক্ষণগুলো জেনে টেস্ট করার মাধ্যমে সব কিছু দেখে ঔষধ দিবেন। তাই প্রস্তাবে ইনফেকশন সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন

শেষ কথা

প্রিয় পাঠক উপরোক্ত আলোচনা থেকে জানতে পেরেছেন প্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ - প্রস্রাবে ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। এছাড়াও আরো জানতে পেরেছেন প্রস্রাব ইনফেকশন হওয়ার কারণ, প্রস্রাবে ইনফেকশন হলে করণীয় কি সে সম্পর্কে। আজকের এই আর্টিকেলেপ্রস্রাবে ইনফেকশনের লক্ষণ - প্রস্রাবে ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ পড়ে আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং উপকৃত হবেন। সম্পূর্ন আর্টিকেলটি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই পরিবার অথবা বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করবেন। মনোযোগ সহকারে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url