কোমর ব্যথার কারন ও সহজ ঘরোয়া চিকিৎসা বিস্তারিত জানুন

প্রিয়পাঠক,আপনি কি আপনার কোমর ব্যথার সমস্যা নিয়ে ভুগছেন? বর্তমানে প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততায় কোমর ব্যথা নিয়ে ভুগে থাকে অনেকে। কিন্তু কোমর ব্যথা কমানোর সহজ ব্যায়াম সম্পর্কে অনেকেই জানে না। আজকের এই আর্টিকেলে কোমর ব্যথার কারন ও সহজ ঘরোয়া চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। সম্পূর্ণ পোস্টটির পড়ে আপনি জানতে পারবেন কোমর ব্যথার কারন ও সহজ ঘরোয়া চিকিৎসা উপায় সম্পর্কে।
কোমর ব্যথার কারন ও সহজ ঘরোয়া চিকিৎসা
বর্তমানে কোমরের ব্যথায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ঘরোয়া কিছু উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে কোমরের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আসুন জেনে নেওয়া যাক কোন পদ্ধতির মাধ্যমে কোমর ব্যথার কারন ও সহজ ঘরোয়া চিকিৎসা সমাধান পাওয়া যায় ।

ভূমিকা

বর্তমান সময়ে কোমরে ব্যথায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শুধু যে বয়স্কদের কোমরের ব্যথা হয় এমন না তরুণ তরুণীদের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব দেখা দিচ্ছে। কোমর ব্যথা সমস্যা বিভিন্ন কারণে দেখা দিতে পারে। কিছু পদ্ধতি রয়েছে যার নিয়ম মেনে চললে এ সমস্যা থেকে সমাধান পাওয়া যায়। শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ কোন না কোন ভাবে এই ব্যথায় শিকার। এ ব্যথা দীর্ঘমেয়াদী হয়ে থাকে আবার অল্প সময়ে ভালো হয়ে যায়।
তবে কোমর ব্যথার কারন ও সহজ ঘরোয়া চিকিৎসা বিস্তারিত কিছু পদ্ধতি মেনে চললে এ ব্যথার সমাধান রয়েছে। ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের কোমরের ব্যথা সংখ্যা বেশি দেখা যায়। হাড়ের ক্ষয়, দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করা, ক্যালসিয়ামের অভাব ইত্যাদি কোমর কারণে কোমর ব্যথা হতে পারে।

কোমরের ব্যথা কেন হয়?

কোমর ব্যথার অন্যতম প্রধান কারণ হলো সঠিকভাবে বসে না কাজ করা এবং বসার চেয়ারের কাঠামোগত ত্রুটির কারণে। দীর্ঘ সময় বসে থেকে কাজ করলে আমাদের মেরুদন্ড সামনের দিকের মাংসপেশী সংকুচিত ও পিছনের দিকে মাংসপেশী প্রসারিত হয়। এজন্য মেরুদন্ড এর ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয, এই চাপ থেকে ধীরে ধীরে ব্যথার সৃষ্টি হয়। এছাড়া দীর্ঘক্ষন কোন কাজ বসে করলে কোমর সহ ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হতে পারে। যারা অফিস - আদালতে কিংবা ব্যাংক - হাসপাতাল বসে কাজ করেন দীর্ঘ সময় ও চেয়ারে বসে ঝুঁকে কাজ করেন এরা বেশি কোমর ব্যথায় ভোগে।
দীর্ঘ সময় বসে থাকার কারণে কোমরের মাংসপেশি শক্ত হয়ে যায়। এর ফলে পিঠে,ঘাড়্‌ কোমরর মাংসপেশী দুর্বল হয়ে যায়।সঠিকভাবে না বসার কারণে পিঠের হারের বক্রতা দেখা যায় এবংমেরুদন্ডের হাড়ের ভারসাম্যহীনতা হারিয়ে ফেলে। যারা বছরের পর বছর অফিস - আদালতে কিংবা ব্যাংক - হাসপাতালে কাজ করে এরা দীর্ঘমেয়াদী কোমর ব্যথায় ভোগে।

কোমর ব্যথার কারন ও সহজ ঘরোয়া চিকিৎসা

মহিলাদের কোমর ব্যথার কারণঃ সাধারণত পুরুষের তুলনায় নারীদের কোমর ব্যথা সমস্যা বেশি হয়।সাধারণত মেরুদন্ডের মাংসপেশীর লিগামেন্ট মচকানো বা আংশিক ছিড়ে যাওয়া,কষেরুকার অবস্থানের পরিবর্তনের কারণে কোমর ব্যথা সমস্যা বেশি হয়ে থাকে। বেশিরভাগ নারীদের গর্ভধারণের পর থেকে কোমর ব্যথা বেশি হয়ে থাকে। এছাড়া ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সের মহিলারা বেশিরভাগ কোমর ব্যথায় ভোগে। এছাড়াও গবেষণায় দেখা গেছে পুরুষের তুলনায় নারীদের মধ্যে কোমর ব্যথা বেশি হয়।
একজন মহিলার গর্ভধারণের প্রথম থেকেই বিভিন্ন হরমোন নিঃসরণ বেড়ে যায় এসব হরমোন কোমরের বিভিন্ন লিগামেন্ট এবং জয়েন্ট নরম ও ডিলা করে দেয়। এর ফলে মহিলা নিচ থেকে কোন কিছু তোলার সময় ব্যথা অনুভব করে এবং ভারী কিছু বহন করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। অতিরিক্ত ওজনের কারণে কোমর ব্যথা হয়ে থাকে কারণ অতিরিক্ত ওজনের কারণে কোমরের মাংসপেশী ও হাড়ের ওপর চাপ পড়ে, আর এই চাপ থেকে ধীরে ধীরে কোমর ব্যথা শুরু হয়।

মহিলাদের কোমর ব্যথার প্রতিকারঃ কোমরের স্বাভাবিক নড়াচড়া করা এবং নিরাময় করা হলো কোমর ব্যথা সারানোর সহজ উপায়। কোমর ব্যথা দূর করার কিছু নিয়ম রয়েছে যেগুলো মেনে চললে কোমর ব্যথা কমানো সম্ভব এবং ঘরোয়া উপায়ে কোমর ব্যথা দূর করা যায়। কোমর ব্যথার কারন ও সহজ ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
  • দীর্ঘক্ষণ সময় কাজ না করা
  • একটানা কোথাও বসে না থাকা
  • বেশি নরম বিছানায় না শোয়া
  • ভারী বস্তু বহন না করা।
  • হাড়ের পুষ্টির জন্য খাবার খাওয়া
  • নিচু স্থানে না বসা
  • রাতে ঘুমানোর সময় এক কাঁথে বেশি সময় ধরে না শোয়া
  • গরম শেক দেওয়া
  • সঠিকভাবে বসে কাজ করাঝুকে কাজ করা থেকে বিরত থাকা
  • মানসিক ভাবে ফিট থাকার চেষ্টা কর
  • টেবিল বা চেয়ারে একটানা বসে না থাকে

কোমর ব্যথা কি গর্ভধারণের লক্ষণ?  

গর্ভাবস্থার জরায়ু বড় হওয়ার সাথে শরীর ভারী ও ওজন বাড়ে এর ফলে পেটের পেশিগুলো দুর্বল হয়ে যায় এবং পিঠের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে যায়। তবে কোমর ব্যথা গর্ভধারণের লক্ষণ নয় কিন্তু গর্ভধারণের সময় শরীরের বিভিন্ন পরিবর্তন হওয়ার কারণে কোমর ব্যথা দেখা দিতে পার। কারণ এই সময় মেয়েদের বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন হয়। তাই বলা যায় কোমর ব্যথা গর্ভধারনের পরের লক্ষণ।

কোমর ব্যথা প্রতিরোধে ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয়তা ।

ক্যালসিয়াম ব্যথা উপশমের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান। ক্যালসিয়াম হার ও দাঁত শক্ত করে এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ করে ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড়ের ক্ষয় বা অস্টিওপোরাসিস নামক রোগ হয়। হাড়ের ক্ষয় সাধারণত বয়স্কদের বেশি হয়ে থাকে কিন্তু হরমোন জনিত কারণে কম বয়সি নারী ও পুরুষদের হাড়ের ক্ষয় হয়ে থাকে। হাড় ক্ষয়ের অন্যতম কারণ হলো ক্যালসিয়ামের অভাব।ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি,খনিজ পদার্থ ইত্যাদি আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় বিষয় এই উপাদান গুলোর অভাবে শরীরে বিভিন্ন রকমের রোগ দেখা দিতে পা। ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার গ্রহণ করলে হারের ক্ষয় রোধ করা যায়।

কিছু অসুখের কারণে ও অনেক সময় শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। অনেকে কোমর ব্যথার কারণে ক্যালসিয়াম জাতীয় ট্যাবলেট খেয়ে থাকেন কিন্তু ক্যালসিয়াম জাতীয় ট্যাবলেট খাওয়া উচিত না।প্রতিদিনের খাবারে তালিকায় ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার রাখা উচিত এবং এই খাবার থেকে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করা যায়। অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করলে কিডনিতে পাথর হওয়া সম্ভাবনা থাকে। একজন সুস্থ মানুষের দৈনিক ১০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম খাওয়া উচিত।
ক্যালসিয়ামের প্রধানউৎস দুধ। দুধ শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে সাহায্য করে। এছাড়া ডিম,দই,বাদাম,সয়াবিন,সামুদ্রিক মাছ,কাঁটাযুক্ত ছোট মাছ,কালো ও সবুজ শাক, মিষ্টি কুমড়ার বীজ, চিংড়ি শুটকি,ডুমুর ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। যাদের কোমর ব্যথা সমস্যা তারা এই জাতীয় খাবার খেলে কোমর ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

কোমর ব্যথা কমানোর সহজ ৭ টি উপায়

কোমরের ব্যথা সমস্যায় বর্তমানে কম বেশি ভোগ সবাই ভোগেন। বিশেষ করে কর্মজীবীদের জন্য যারা সারাদিন বসে কাজ করে এদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা দেয় ।ভারী কিছু তোলার কারণে কিংবা শোয়া বা বসার ভুলেও কোমর ব্যথা হতে পা। তাই এই সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত এবং কোমর ব্যথা সারানোর ঘরোয়া কিছু উপায় অনুসরণ করলে ব্যথা কমানো সম্ভব ।
ব্যথা কমানোর সহজ ৭ টি উপায়ঃ
  • কোমরের ব্যথা কমাতে চাইলে দিনে দুইবার ব্যথার স্থানে শেক দিন। এটি অনেক উপকারী
  • সরিষার তেলের মধ্যে রসুনের কুচি মিশিয়ে গরম করে ব্যবহার করলে শরীরের যেকোনো ব্যথা থেকে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।
  • নারকেল তেলে কর্পূর মিশিয়ে গরম করে নিন এরপর ঠান্ডা করে ওই তেল কোমরের ব্যথার স্থানে ব্যবহার করুন কয়েকবার এতে ব্যথা দ্রুত সেরে যাবে।
  • গরম দুধে কাঁচা হলুদ ও মধু মিশিয়ে পান করলে অনেক উপকারিতা পাওয়া যায।ব্যথা কমাতে কাঁচা হলুদ সাহায্য করে।
  • আদাতে পটাশিয়াম পাওয়া যা।কোমর ব্যথা কমাতে আদর চা ও অনেক উপকারী
  • লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায।এই ভিটামিন সি ব্যথা উপশমের দ্রুত কাজ করে। নিয়মিত লেবুর শরবত খেলে ব্যথা কমে যায়।
  • দুধের সাথে মেথির বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এই মিশ্রণ ব্যথার জায়গায় লাগান দেখুন অল্প সময়ের মধ্যে ব্যথা কিছুটা কমে যাবে।

কোমর ব্যথা কমানোর সহজ ব্যায়াম

বর্তমানে কোমর ব্যথা বড় একটি সমস্যা। অসতর্ক হাঁটাচলা বা ওঠা বসার কারণে এই সমস্যা হয়ে থাকে। সঠিকভাবে হাঁটাচলা বা ওঠা বসা করলে কোমর ব্যথা সাধারণত হয় না। কিছু কোমর ব্যথা কমানোর সহজ ব্যায়াম যা কোমর ব্যথা উপশমের সাহায্য করে এমনকি ওষুধের চেয়েও ভালো কাজ করে এবং খুব সহজেই এই ব্যায়াম করা যায়। এই ব্যায়াম সকালে ও রাতে বিছানায় শুয়ে শুয়ে আপনি করতে পারবেন এবং সময় কম লাগবে।
  • সমতল হালকা নরম বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে দুই হাত শরীরের ২ পাশে রেখে দুই পা সোজা করে শুতে হবে এরপর এক পা হাঁটু ভাজ না করে উপরের দিকে তুলুন যতদূর সম্ভব হয় ১০ সেকেন্ড পা তুলে রাখুন বা এক থেকে দশ গোনা গোনা পর্যন্ত তুলে রাখতে পারেন। এইভাবে অপর পা তুলুন এবং একই সময় পর্যন্ত রাখুন।
  • এভাবে হাঁটু ভাজ না করে দুই পা তুলতে হবে এবং একই সময় পর্যন্ত রাখতে হবে।
  • একই নিয়মে প্রথমে একটি হাত ভাঁজ না করে উপরে তুলুন এবং ১০ সেকেন্ড রাখুন। এক হাত নামিয়ে অপোর হাত একই নিয়মে ১০ সেকেন্ড রাখুন ।
  • এবার দুই হাত ও দুই পা একসঙ্গে তুলুন এবং ১০ সেকেন্ড উঁচু করে রাখুন এবং একই নিয়ম অনুসরণ করে তুলে রাখুন।
  • প্রতিটি ধাপে ১০ সেকেন্ডের বেশি হওয়া যাবে না। এই ধাপ গুলো অনুসরণ করে সকাল ও রাতে দু থেকে তিন বার করলে কোমরের মাংসপেশী প্রদাহ কমায় এবং মাংসপেশী শক্তিশালী করে তোলে কোমরের ব্যথা কমে আসে।

কোমরের ব্যথা কমানোর ট্যাবলেট

কোমর ব্যাথার ট্যাবলেট কি? কোমর ব্যথা মানুষের জন্য খুব একটা কমন এবং অত্যন্ত ক্ষতিকর একটি সমস্যা। কোমর ব্যথা ট্যাবলেট কি এই সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরী। যারা কোমর ব্যথায় ভুগছেন তারা অনেকে ঠিক মত জানে না কোন ওষুধটা সেবন করলে কোমর ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। তাই কখনো নিজের আন্দাজে ওপর ভিত্তি করে ওষুধ সেবন করে যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

কোমর ব্যথা সমস্যা ভালো হওয়ার বিপরীতে খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। নিজের আন্দাজ মতো ওষুধ খেলে। তাই অবশ্যই কোমর ব্যথা ট্যাবলেট খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।
  • আইবুপ্রোফেন।
  • ন্যাপ্রক্সেন সোডিয়াম।
কোমর ব্যথার ওষুধ হিসেবে এই দুটি ঔষধ অনেক বেশি কার্যকরী। কোমর বা পিঠের ব্যথা উপশমের সাহায্য করে এই দুটি ঔষধ। অতিরিক্ত ঔষধ ব্যবহার করলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে শরীরে।তাই সঠিক পরামর্শ গ্রহণ করুন এবং চিকিৎসকের নির্দেশ মত সেবন করুন। এর পাশাপাশি কিছু ট্যাবলেট রয়েছে সেগুলো হল হলোঃ
  • Napro(500mg)
  • Sonap(500mg)
  • Xenapro(500mg)
  • Ecless(500mg)
  • Naspro(500mg)

সবশেষ কথাঃ

মনে রাখবেন,ব্যথার ঔষধ অতিরিক্ত সেবন করলে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি সৃষ্টি হয়। শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অল্প সময়ের জন্য ব্যথার ওষুধ সেবন করতে পারেন। যেহেতু কোমর ব্যথা বর্তমান সময়ে বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে সঠিক কোমর ব্যথার কারন ও সহজ ঘরোয়া চিকিৎসা বিস্তারিত পদ্ধতি অবলম্বন করুন এবং খাদ্য অভ্যাসের পরিবর্তন করুন। 

নিয়মিত ব্যায়াম করুন ও সঠিকভাবে বসার চেষ্টা করুন, আমরা মনে করি, কোমরের ব্যথা হয় তো হাড়ের ব্যথা কিন্তু না কোমরের ব্যথা পেশিতে হয়।। নিজেকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম করুন এবং সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন কর।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url