কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সর্ম্পকে বিস্তারিত জানুন

 

কলা কম বেশি আমাদের সকলের কাছেই প্রিয় ফল। কিন্তু কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আপনাদের কোন ধারনা নেই। এছাড়া দিনে কয়টি কলা খাওয়া উচিত এটাও জানে না। তাই আজকের এই আর্টিকেলে কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনি কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে পারবেন।
কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা
কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এ আর্টিকেলে তুলে ধরা হয়েছে। কলার সম্পর্কে জানতে হলে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন। আশা করছি এই আর্টিকেলে আপনার প্রয়োজনীয় কলার সকল তথ্য পেয়ে যাবেন। তাহলে দেরি না করে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে ফেলুন।

ভূমিকা

সবচেয়ে সহজলভ্য খাদ্যের একটি হলে কলা। এটি সারা বছর পাওয়া যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক প্রজাতির কলা চাষ হয়। কলা অনেক পুষ্টিকর একটি ফল। তবে কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে অনেকেই জানে না। এই খাদ্যে অতি সহজেই পাওয়া জায় ও দাম নাগালের মধ্যই থাকে। যেমন সহজে পাওয়া যায় তেমনি ক্যালরির চাহিদাও পূরন করে।
ক্যালরি ছাড়াও এতে অনেক পুষ্টি রয়েছে।যেমনঃ ভিটামিন,আয়রন,খনিজপদার্থ,ক্যালসিয়াম ইত্যাদি পুষ্টি উপাদান রয়েছে। কলা মানুষের দেহের জন্য উপকারি একটি ফল। অনেকে ধারনা করে যে কলা খেলে ওজন বাড়ে, কিন্ত না কলা দেহের ওজন বাড়ায় না।

কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

দামে কম কিন্ত মানের দিকে সেরা একটি খাবার হল কলা । এটি খেতে দারুন। অনেকের প্রিয় খাবার বা ফলের মধ্য অন্যতম হল কলা । কলা একটি পুষ্টি সম্পন্ন ফল। এর মধ্য রয়েছে ভিটামিন,মিনারেল, ফাইবার ইত্যাদি এ সকল উপাদান দেহের জন্য উপকারী। কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত সকল তথ্য জেনে নিন।
কলা খাওয়ার উপকারিতাঃ
  • কলা তে পচুর পরিমানে পটাসিয়াম রয়েছে। দেহের পটাসিয়ামের চাহিদা পূরন করতে প্রতিদিন একটি কলা খাওয়া উপকারি।
  • কলা একটি মিষ্টি ফল। তবে মিষ্টি হলে সুগার বাড়ে না এজন্য যারা ডায়াবেটিস রোগী আছে তারা নিশ্চিন্তে খেতে পারবে।
  • দেহের শক্তি বা এনাজি বাড়াতে কলার গুরুতপূন অবদান রয়েছে। শরীরে দুবলতা দেখা দিলে কলা খেলে শরীরে শক্তি পাওয়া যায়।
  • কলা তে পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে যা দেহের হাড়কে শক্ত করে।
  • বাচ্চাদের ফল হিসাবে কলা খাওয়ালে পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এছারা হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
  • কলা তে প্রচুর পরিমানে ফাইবার রয়েছে এজন্য অনেকখন পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
  • যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তারা নিয়মত কলা খেলে ঘুমের সমস্যা থাকবে না। রাতে ঘুমানোর আগে কলা খেলে ভালো ঘুম হয়।
কলা খাওয়ার অপকারিতাঃ  

কলা খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি গুনেও ভরপুর। কলা শরীরের ক্যালরি চাহিদা পূরণ করতে এবং পেট ভরা রাখতে অনেকটা সাহায্য করে। তবে সব ভালো দিকের একটা খারাপ দিক রয়েছে। তাই লোভে পড়ে বেশি কলা খেয়ে ফেলবেন না এতে উপকারের চেয়ে ক্ষতি হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

ওজন বৃদ্ধি
কলা ওজন বৃদ্ধি করতে এবং নিয়ন্ত্রণ উভয়ের সাহায্য করে। তবে সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার খাওয়ার ওপর। অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে কারন একটি মাঝারি মাপের কলাতে ১০৫ ক্যালোরি শক্তি থাকে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে অতিরিক্ত কলা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
মাইগ্রেন
যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে তারা কলা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ কলাতে টাইরামাইন নামে এক ধরনের উপাদান থাকে যা মাইগ্রেনের সমস্যার অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হয়। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য যতটা পারবেন কলা এড়িয়ে চলা।

দাঁতের ক্ষয়
অতিরিক্ত পরিমাণে কলা খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ কলাতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা থাকে যা বেশি খেলে তাদের ক্ষতি হয়। দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য নাকি চকলেটের থেকেও কলা বেশি ক্ষতিকর।

শ্বাসকষ্ট
অতিরিক্ত পরিমাণে কলা খাওয়ার ফলে যাদের শ্বাসকষ্ট সমস্যা রয়েছে এই সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। তাই যাদের শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি সমস্যা রয়েছে তারা পরিমাণ মতো কলা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

ডায়াবেটিস
কলা একটি মিষ্টি জাতীয় ফল। প্রাকৃতিকভাবে সুগারগুলো কলাতে উপস্থিত থাকে। তাই মাত্রা অতিরিক্ত কলা খেলে ডায়াবেটিস বেড়ে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে। তবে নির্দিষ্ট পরিমাণে খেলে এটা শরীরের জন্য উপকারী। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য দিনে ১ থেকে ২টি কলা খাওয়া উচিত।

এলার্জি
কলাতে অনেকের এলার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন ঠোঁট ফুলে যাওয়া,চোখ চুলকানো, গলা জ্বালা করে ইত্যাদি।

পেট ব্যথা
বাজারে যে কলা গুলো বিক্রি হয় তাতে বেশিরভাগই রাসায়নিকের সাহায্যে পাকানো হয়। এছাড়াও কলাতে শর্করা পরিমাণ খুব বেশি থাকে যা অতিরিক্ত খেলে পেট ব্যথা সমস্যা হতে পারে।

দিনে কয়টি কলা খাওয়া উচিত

সারা বছরই প্রায় কলা পাওয়া যায় বলে অন্যান্য ফলের তুলনায় কলা বেশি খাওয়া হয়। সুমিষ্ট প্রাকৃতিক ফল কলা ওজন বাড়াতে এবং ওজন কমানো এই দুই প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে। তবে সেটা নির্ভর করে খাওয়ার ওপর। মিল্ক সেক, স্মুদি,ডেজার্ট,কেক সহ অন্যান্য খাবার তৈরিতে কলার প্রয়োজন হয়। কলাতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ রয়েছে এর ফলে এটি হজম ক্রিয়ার সাহায্য করে। আঁশ জাতীয় খাবার হজমের দীর্ঘ সময় নেয় এর ফলে দীর্ঘ সময় ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণের রাখে। খাদ্য পুষ্টিবিদদের, মতে একটি মাঝারি মাপের কলাতে ২৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ৩ গ্রাম আস ১৫ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি ১১০ ক্যালরি এবং অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর উপাদান থাকে।
কলা আমাদের দেহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দিনে কয়টি কলা খাওয়া উচিত এ সম্পর্কে অনেকের ধারণা নেই। তবে এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার খাওয়ার পরিমাণ এর ওপর। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন দুই কাপ ফল খাওয়া উচিত সেটার দুইটা কলার পরিমাণ সমান। এক্ষেত্রে প্রতিদিন দুইটি কলা খাওয়া নিরাপদ। তবে যদি আপনি ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাহলে মাঝারি আকারের অর্থাৎ ৫ ইঞ্চি মাপের একটি কলা খাওয়া যেতে পারে। স্বাস্থ্যসম্মত ভাবে ওজন কমাতে চাইলে অবশ্যই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একটি করে কলা রাখুন।

কলা খেলে কী ওজন বাড়ে

কলা খেলে ওজন বাড়ে নাকি কমে এ নিয়ে অনেকের ভুল ধারনা রয়েছে। দিনে কয়টি কলা খাওয়া উচিত এটা অনেকেই জানেনা। কলা প্রাকৃতিক মিষ্টি জাতীয় ফল। কলা তে প্রচুর পরিমানে ফাইবার রয়েছে এজন্য কলা খেলে অনেক্ষন পেট ভরা থাকে। যার ফলে অন্য খাবার না খেয়ে অনেক সময় থাকা যায়। যারা ডায়েট করে তারা খাবার এর তালিকা তে কলা রাখে কারণ কলা দেহের ওজন বাড়ায় না ওজন কমায়। দেহের শক্তি জোগাতে ও সারা দিনের ক্লান্তি দূর করতে কলা অত্যান্ত কাযকারী। শরীরে পুষ্টি চাহিদ মেটানোর পাশাপাশি খিদে মেটাতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিনের খাবার তালিকায় কলা রাখা উচিত।

কলা কখন খাওয়া উচিত 

কলা নিয়ে অনেকের বিভিন্ন ধারণার মধ্য অন্যতম একটি হলো কলা আসলে কখন খাওয়া উচিত। দিনে নাকি রাতে ? নাকি অন্য কোন সময় ?তবে কলা খাওয়ার কোন ধরা বাধা নিয়ম নেই সকল সময় খাওয়া যাবে। সকালে কলা খেলে সাড়া দিনের কাজ এর শক্তি পাওয়া যায় । তবে কলা সকালে খালি পেটে খেলে বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে এজন্য অন্য কোন খাবারের সাথে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। সুধু যে সকালে খাওয়া যায় এমন না দিনের অন্য সময়ও খাওয়া যাবে। খালি পেটে কলা খেলে এসিডের সমস্যা হয়। কলা সকালে খালি পেটে কোষ্টকাঠিন্য হতে পারে। তাই সব দিক বিবেচনা করে সকালে কলা খাওয়া উচিত নয়।

দুধ কলা খাওয়ার উপকারিতা

দুধকে আদর্শ খাবার হিসেবে ধরা কারণ দুধে ভিটামিন সি এবং ফাইবার ছাড়া সকল পুষ্টিগুণ উপাদান থাকে। সুস্বাস্থ্যের জন্য দুধ ও কলা উপকারী। তবে দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়া নিয়ে অনেকের বিভিন্ন ধরনের মতামত রয়েছে। দুধ ও কলা একসঙ্গে কখনো খালি পেটে খাওয়া যাবেনা। কারণ দুধ ও কলার সংমিশ্রণ উত্তম খাবার নয়। দুধ ও কলা ভিন্ন ভিন্ন উপাদান রয়েছে। দুধ আমাদের শরীরে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে। অন্যদিকে কলা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী এবং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ।
 
১০০ গ্রাম দুধে প্রায় ৪৫ ক্যালরি পাওয়া যায়। অন্যদিকে কলা ফাইবারে ভরপুর এবং শরীরের শক্তি যোগায় শরীরে নানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। কলাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি,ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও বায়োটিনের উপাদান থাকে। কলা খাওয়ার ফলে অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখতে এবং শরীরের ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে ।

দুধ ও কলা একসঙ্গে খাওয়ার ফলে হজম ক্রিয়ার সমস্যা হতে পারে শুধু তাই নয় এর ফলে সাইনাস সংকুচিত হয়ে সর্দি, কফ,এলার্জির মত সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন যাবত দুধ ও কলা একসঙ্গে খেলে বমি বমি ভাব,পাচনতন্ত্রে, লুজ মোশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই দুধ ও কলা আলাদা আলাদা খাওয়া উচিত। সাধারণত দুধ খাদ্য আঁশ নেই যা কলা আছে তাই কলা ও দুধ একই সঙ্গে খাবার ফলে শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

কাচা কলার খাওয়ার উপকারিতা

পাকা কলা তে যেমন পূষ্টি উপাদান রয়েছে তেমনি কাচা কলাও পুষ্টি উপাদান এ ভরপুর। কাচা কলা সবজি হিসেবে তরকারি তে ব্যবহার করা হয়। কলা কাচা বা পাকা উভয় ভাবে খাওয়া যায়। কাচা কলা তে রয়েছে ভিতামিনএ,ভিটামিন বি,ভিটামিন সি ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবার ইত্যাদি। কাচা কলা শকরা পরিমান নিয়ন্তণে রাখতে সাহায্য করে। ডায়রিয়া ও পেটের নানা সমস্যা দূরীকরণে কাচা কলা উপকারী। নিয়মিত কাচা কলা খেলে হৃদরোগ ঝুকি কমে। এছাড়া রক্তে গ্লকোজ এর পরিমান নিয়ন্তনে রাখে ,কাচা কলা ডায়াবেটিস রোগিদের জন্য অনেক উপকারি।

বাচ্চাদের কলা খাওয়ার উপকারিতা

কলা শিশু শরীরের শারীরিক ভাবে এনার্জি ও ব্রেনের বিকাশ করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। কলা পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদের জন্য খুবই উপকারী। শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন একটি করে কলা রাখা উচিত। কলা শরীরের শক্তির অন্যতম প্রধান উৎস। কারণ কলাতে রয়েছে ভিটামিন বি৬, ফাইবার, পটাশিয়াম, আয়রন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও বায়োটিন।কলাতে ফ্যাটের পরিমাণনেই বললেই চলে।
শিশু শরীরের হজম শক্তি ঠিক রাখতে চোখ ও হার ভালো রাখার জন্য রক্ত শূন্যতা রোধ করতে এবং মস্তিষ্কের শক্তি বৃদ্ধি করতে কলা খুব কার্যকরী একটি খাদ্য। ছয় মাস বয়স থেকে শিশুকে কলা খাওয়ানো যায়। এছাড়া কলা অন্যান্য খাবারের সাথে মিশিয়ে শিশুকে খাওয়ালে অনেকক্ষণ পেট ভরে রাখতে সাহায্য করে।

শেষ কথা

কলা আমাদের শরীরের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল। এই ফল দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রতিদিন একটি করে কলা খাওয়া জরুরী। কলা আমাদের শরীরের ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। কলা যেমন আমাদের শরীরের জন্য উপকারী অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। কথায় আছে অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো নয়। পরিমিত পরিমাণে কলা খেলে তা হতে পারে আমাদের জন্য উপকারী আবার অপরিমত কলা গ্রহন করলে সেটা স্বাস্থ্যঝুকি । তাই নির্দিষ্ট পরিমাণে কলা খাবার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

নিঃসন্দেহে কলা আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষায় একটি সুষম খাদ্য। আশা করছি আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনি কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। আজকের এই আর্টিকেলে কলা সম্পর্কে সকল তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। এবং আর্টিকেলটি পড়ে আপনি উপকৃত । সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url