ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সর্ম্পকে বিস্তারিত জানুন

 

বর্তমানে ড্রাগন কমবেশি অনেকের কাছে জনপ্রিয় ফল। কিন্তু ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। অথবা ওজন কমাতে ড্রাগন ফলের উপকারিতা এটাও জানে না। তাই আজকের আর্টিকেলের ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করছি আর্টিকেলটি পড়ে ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে পারবেন।
ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা
ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত সকল কিছু এ আর্টিকেলে তুলে ধরা হয়েছে। ড্রাগন ফলের সম্পর্কে জানতে হলে পুরো আর্টিকেল টি পড়ুন। আশা করছি ড্রাগন ফলের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য এই আর্টিকেলে খুঁজে পাবেন।

ভূমিকা

বর্তমান সময়ের ড্রাগন ফল চিনে না এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম। এটি দেখতে ও যেমন অদ্ভত এবং খেতে ও অনেক সুস্বাদু। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফলের মধ্যে ড্রাগন ফল একটি । ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা অনেকেই জানেন না। ওজন কমাতে ড্রাগন ফলের উপকারিতা তুলনামূলক বেশি।এছাড়া অন্যান্য ফলের থেকে ড্রাগন এর দাম তুলনামুলক বেশি হলেও এর পুষ্টিগুন অনেক। ড্রাগন ফল অনেকের কাছে বিদেশি ফল নামে পরিচিত। ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রসিদ্ধ ফল। ড্রাগন ফলের গাছ ক্যাকটাস প্রজাতির। ড্রগন গ্রীষ্মকালের ফল,কারন সারা বছর এর তুলনায় গ্রীষ্মকালই বেশি উৎপাদন হয়। ড্রাগন গাছ সাধারণত দেড় থেকে আড়াই মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।
ড্রাগন ফলের শাঁস গোলাপি রঙ্গের এবং রসালো হয়ে থাকে। ড্রাগন ফলের ভেতরের বীজগুলো ছোট ছোট কালোজিরা দানার মত। একটা ড্রাগন ফলের ওজন ১৫০ গ্রাম থেকে ৫০০গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই ফল দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাবাড়ায় এবং বিভিন্ন রোগ দূর করতে সাহায্য করে।

ড্রাগন ফল খাওয়ার নিয়ম

ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সকলেই জানে কিন্ত খাওয়ার নিয়ম সঠিক ভাবে জানে না।ড্রাগন ফলের উপরের অংশ দেখে অনেকে চিন্তায় পড়ে যায় কিভাবে খেতে হয় অথবা কিভাবে ড্রাগন ফল খেলে তা শরীরের জন্য উপকারী।অনেকে ভাবে ড্রাগন ফল খাওয়ার আলাদা কোনো নিয়ম আছে কিন্ত ড্রাগন ফল খাওয়ার নিয়ম মোটেও আলাদা নয় । অন্য সকল ফলের মতো খাওয়া যায়। ড্রাগন ফল খাওয়ার নিয়মগুলো দেখুন। প্রথমে একটি পাকা ফল নির্বাচন করুন অন্য সকল ফলের মতো মাথা ও পিছনের অংশ কেটে নিন।
ছুরি বা চামচ এর সাহায্য সামান্য পরিমানে কেটে ভিতরে ফল টুকু বের করবেন। খোসা ছাড়িয়ে নিয়ে ভিতরের ড্রাগন ফল টুকরো করে খেতে পারবেন। এছাড়া ড্রাগন এর জুস করে খাওয়া যায়। পাকা ড্রাগন ফলের স্বাদ অনেক বেশি। ড্রাগন ফলের চামড়া বা খোসা খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা

বর্তমান সময়ের ড্রাগন একটি জনপ্রিয় ফল । এই ফল অনেক পুষ্টি গুন সম্পূর্ণ। এই ফল দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ড্রাগন ফল খাওয়ার যেমন অনেক উপকারিতা রয়েছে তেমনি অপকারিতা ও রয়েছে। তাহলে জেনে নিন ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সর্ম্পকে বিস্তারিত তথ্য।

ড্রাগন ফলের উপকারিতাঃ
  • ড্রাগন ফল মুখে ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করে।
  • চুল পড়া প্রতিরোধ করে।
  • ড্রাগন ফল দেহের হার শক্ত ও মজবুত করে।
  • রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • ড্রাগন ফল ওজন কমাতে আদর্শ খাবার।
  • ড্রাগন ফল হার্ট ও কিডনি সুস্থ রাখতে সহায়ক।
  • ড্রাগন ফল ক্যান্সারের কোষ ধ্বংস করতে প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অন্যতম ভূমিকা রাখে।

ড্রাগন ফলের অপকারিতাঃ
  • অতিরিক্ত মাত্রায় ড্রাগন ফল খেলে ডায়রিয়া হতে পারে। কারণ অতিরিক্ত ড্রাগন ফল খাওয়ার ফলে এই সমস্যা দেখা দেয়।
  • যাদের ড্রাগন ফলে এলার্জি আছে তারা কম পরিমাণে ড্রাগন ফল খাওয়া উচিত । কারণ যাদের এলার্জি সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য এই ফল নিয়মিত খেলে এলার্জির সমস্যা বাড়তে পারে। তাই যাদেরএলার্জি সমস্যা রয়েছে এক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।
  • তবে আরেকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে অ্যালার্জি সমস্যা নেই। তারা ড্রাগন ফলের সাথে অন্যান্য ফল জুস করে খাওয়ার ফলে এ্যানাফিল্যাকটিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। তাই এক্ষেত্রে তা সচেতন হয়ে খাওয়া উচিত।
  • ড্রাগন ফলের মধ্যে প্রাকৃতিক শর্করা থাকে তাই ডায়াবেটিস রোগীদের এই ফল খুব পরিমাণ মতো খাওয়া উচিত।
  • অতিরিক্ত ড্রাগন খাওয়ার ফলে উচ্চফাইবার উপাদান যা পেটের হজমে অবস্থার ওপর অস্বস্তিকর কারণ হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় ড্রাগন ফলের উপকারিতা

গর্ভবতী নারীদের জন্য সুষম খাবার ও ভিটামিন আয়রন সম্মিলিত ফল খাওয়া জরুরী। কারণ শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সাহায্য করে ভিটামিন আয়রন খনিজ পদার্থ ইত্যাদি। ড্রাগন ফল সকল পুষ্টির গুন সম্পন্ন ফল। একে আদর্শ ফল বলা হয় গর্ভবতী নারীদের জন্য। ভিটামিন নবজাতকের ত্রুটি রোধ করতে সহায়তা করে। ড্রাগন এ আয়রন রয়েছে যা নিয়মিত খেলে গর্ভবতী নারীদের আয়রনের চাহিদা মেটাতে একটি ভালো খাদ্য উৎস। শিশুদের শরীর ও ব্রেন এর বিকাশের ড্রাগন ফল অতি গুরুত্বপূর্ণ। তাই গর্ভবতী নারীদের নিয়মিত ড্রাগন ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন ।

ড্রাগন ফলের খোসার উপকারিতা

ড্রাগন ফলের খোসার উপকারিতা না জানার কারণে অনেকে ড্রাগন ফলের খোসা অপ্রয়োজনীয় ভেবে ফেলে দেই। কিন্তু ড্রাগন ফলে যেমন পুষ্টিকর তেমনি ড্রাগন ফলের খোসাতে ও বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা রয়েছে অনেক। ড্রাগন ফলের খোসা শরীরের মেদ ভুরি,অতিরিক্ত ওজন কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। এছাড়া যাদের ডায়াবেটিস,হৃদরোগ ও হার্টের সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত ড্রাগন ফলের খোসার জুস করে খেতে পারেন। 
ড্রাগন ফলের খোসার জুস করার নিয়ম প্রথমে কিছু ড্রাগন ফলের খোসার টুকরো টুকরো করে কেটে নিতে হবে এক লিটার পানির মধ্যে ড্রাগন ফলের না যে আমরা যখন আলোচনা না করাটাই উচিত ছিলটুকরো দিয়ে সাত মিনিটের মতো জাল দিতে হবে পানি যখন লাল বর্ণের হবে সেই পানি গ্লাসে ঢেলে নিয়ে স্বাদমতো লবণ ও পরিমাণ মতো লেবু রস দিয়ে খেলে অতিরিক্ত ওজন ও মেদ ভুরি থেকে পরিত্রান পাবেন। মুখে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি ও চুল পড়া রোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে ড্রাগন ফলের খোসার জুস।

ওজন কমাতে ড্রাগন ফলের উপকারিতা

ওজন কমাতে ড্রাগন ফলকে আদর্শ খাদ্য বলা হয়। কারণ ড্রাগন ফলের মধ্যে ফ্যাটের পরিমাণ নেই বললেই চলে। তাই ওজন কমাতে ড্রাগন ফলের উপকারিতা রয়েছে অনেক। এছাড়া ড্রাগন ফলে ভিটামিনসি,ক্যালসিয়াম,ম্যাগনেসিয়াম,ভিটামিন ডি ইত্যাদি পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে।এই উপাদানগুলো আমাদের শরীরে এনার্জি বাড়াতে সাহায্য করে। ওজন কমাতে চাইলে নিয়মিত খাদ্য তালিকায় ড্রাগন রাখুন কারণ ড্রাগন ফল অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখে যার ফলে অন্য খাবার খাওয়ার রুচি হয় না। ড্রাগন ফল আপনার শরীরের সঠিক ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ড্রাগন ফল টবে চাষ পদ্ধতি

বর্তমানে ড্রাগন ফল একটি জনপ্রিয় ফল। এই জনপ্রিয়তার কারণে বাংলাদেশে চাষাবাদ বাড়ছে এই ফলের। এই ফল বাণিজ্যিকভাবে আবার বাড়িতে ও চাষ করা যায়। অনেকে বাড়িতে বা ছাদে টবে এই ড্রাগন ফলের চারা রোপণ করে। ড্রাগন ফলের কাটিং চারা রোপনের এক থেকে দেড় বছর বয়সের মধ্যেই ফল সংগ্রহ করা যায়। ড্রাগন ফলের যখন সম্পূর্ণ লাল রং হবে তখন সংগ্রহ করতে হবে। গাছের ফুল ফোটার মাত্র ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যেই ফল খাওয়া জন্য উপযোগী। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় ড্রাগন ফল চাষ হচ্ছে দুই রকম সাদা ও লাল এই দুই জাতের। জেনে নিন ডাগন ফল টবে চাষ পদ্ধতি।

ড্রাগন ফল চাষের উত্তম সময়
সাধারণত সারা বছরের ড্রাগন ফলের চাষ করা যায়। তবে ড্রাগন ফল মোটামুটি শক্ত প্রজাতের গাছ হওয়ায় প্রায় সব ঋতুতে এই চার রোপণ করা যাবে না। তবে ছাদে, টবে বা ড্রামে ড্রাগন চাষ করার জন্য এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসের চারা রোপন করার জন্য উত্তম সময়।

ছাদে চাষের উপযোগী পাত্র
আপনার ছাদ বাগানে মাটির টব বা ড্রামে ড্রাগন চাষ করতে পারবেন। ২০ ইঞ্চি থেকে ৩০ ইঞ্চি আকারের ড্রা্মে ড্রাগন চাষের জন্য সবচেয়ে ভালো হয়। যত বেশি ইঞ্চি আকারে বড় পাত্র হবে তত বেশি শিকড় ছড়াতে পারবে এবং ফলন বাড়বে।

কেমন মাটি দরকার ড্রাগন চাষে
প্রায় সব ধরনের মাটিতে ড্রাগন ফল সহজে চাষ করা যায়। তবে ভালো ফলন চাইলে অবশ্যই জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ বেলে দোআঁশ মাটি বাছাই করবেন। শুরুতে বেলে দোআঁশ মাটি ভালোভাবে পরিস্কার করে নিতে হবে। এরপর পরিমাণ মতো গোবর, পটাশিয়াম র্টি‌এসপি ও ইউরিয়া সার মাটির সাথে মিশিয়ে নিন ।সার ও মাটি মিশিয়ে পানি দিয়ে ১০ থেকে ১২ দিন ভিজিয়ে রাখুন। চার পাঁচ দিন পর মাটি কিছুটা শুকিয়ে গেলে ড্রাগনের চারা ড্রামে বা পাত্রের রোপন করুন।

সেচ ও পরিচর্যা
ড্রাগন গাছে তেমন একটা রোগ বালাই আক্রমণ করে না। তাই পারিপার্শ্বিক কিছুটা নিয়মিত যত্ন নিতে হয়। তবে ড্রাগন ফল গাছের সঠিক পরিচর্যা না করলে ফলন বেশি একটা ভালো হয় না। সব সময় গাছকে রোদ যুক্ত স্থানে রাখবেন। ড্রাগন ক্যাকটাস জাতীয় গাছ। তাই বেশি পানি সহ্য করতে পারে না।

তাই পানি দেওয়ার সময় লক্ষ্য রাখবেন যেন গাছের গোড়ায় অতিরিক্ত পানি না জমে। অতিরিক্ত পানি বের হওয়ার জন্য ড্রামের ভেতরে চার থেকে পাঁচটি ছিদ্র করবেন মাটি দিয়ে ভরাট করার আগে । ড্রাগন গাছ লতার মত হওয়ার সময় একটা শক্ত খুটি দিয়ে বেঁধে দিন এতে গাছ ঢোলে পড়বে না।

ড্রাগন ফল সংগ্রহ
ড্রাগন ফলের চারা রোপনের এক বছর থেকে.১৫ মাস বয়সে ফল সংগ্রহ করা যায়। ড্রাগন ফল যখন সম্পূর্ণ লাল আকার ধারণ করে তখন খাওয়ার জন্য উপযোগী। ফুল ফোটার ৪০ থেকে ৪৫ দিনের ড্রাগন ফল খাওয়ার জন্য উপযুক্ত।।

ড্রাগন ফলের স্বাদ কেমন

ড্রাগন ফল অনেক সুস্বাদু ও মিষ্টি। ড্রাগন ফল পিংক কালার হয়ে থাকে ড্রাগন ফলের ভিতরে ছোট ছোট দানা থাকে কালো বর্ণের হয়ে থাকে যা দেখতে কিছুটা কালোজিরার দানা মত। ড্রাগন ফল যেমন পুষ্টিকর তেমনি এর গুনা গুন অনেক রয়েছে। তেমনি ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা রয়েছে প্রচুর। ড্রাগন ফলের স্বাদ অন্য ফলের তুলনা অনেক বেশ। দুই ধরনের ড্রাগন বেশি পাওয়া যায় বাজারে একটি সাদা আরেকটি পিংক কালারের।

ড্রাগন ফলের দাম

বর্তমান সময় ড্রাগন ফল শুধু বাহিরের দেশেই নয় বাংলাদেশ এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। দিন দিন জনপ্রিয় হওয়ার বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রাগন ফলের চাষ হচ্ছে। যেমন সুন্দর তেমনি খেতে চমৎকার ড্রাগন ফল। বিভিন্ন রঙ্গের হয়ে থাকে তবে গোলাপি ড্রাগনের জনপ্রিয়তা বেশি। ড্রাগন ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি,আয়রন,ম্যাগনেসিয়াম,ক্যালসিয়াম ইত্যাদি রয়েছে। ড্রাগন ফল অনেকের কাছেই পরিচিত কিন্তু এর দাম সম্পর্কে অনেকেই জানে না ড্রাগন ফলের দাম।

ড্রাগন ফলের দাম সাধারণত কোয়ালিটির ওপর নির্ভর করে। বাংলাদেশের বাজারে ভালো কোয়ালিটি ড্রাগন ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি। তবে কোয়ালিটি দিক থেকে একটু কম অর্থাৎ ছোট ড্রাগন ফল ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। তবে বাহির থেকে আমদানি হলে ড্রাগনের দাম বেশি।

শেষ কথা

ড্রাগন ফল আমাদের দেহের জন্য অনেক উপকারী একটি ফল। কারণ এই ফল দেহের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। হার্ট সুস্থ রাখার, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখা, চুল পড়া রোধ ত্বকে ব্রণ কমানো ইত্যাদি কাজ করে। এছাড়া যাদের রক্তশূন্যতা রয়েছে তারা নিয়মিত এই ড্রাগন ফল খেলে এই রোগ থেকে উপকার পাবে। সব ভালো দিকের আবার খারাপ দিকে রয়েছে। ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা রয়েছে অনেক।অতিরিক্ত পরিমাণে ড্রাগন ফল খাওয়ার ফলে আমাদের দেহে বিভিন্ন রকমের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

যেমন হজমে সমস্যা,এলার্জিজনিত সমস্যা, পেট ফাঁপা ইত্যাদি তাই ড্রাগন ফল পরিমাণ মত খাওয়া উচিত । ড্রাগন ফল যেমন আমাদের দেহের জন্য উপকারী তেমনি অতিরিক্ত খাওয়ার জন্য দেহে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। তাই নিয়ম মেনে পরিমান মত খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url