ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা বিস্তারিত জানুন

 

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। আপনি ও কি ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন। কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা সম্পর্কে জানেন না। কিংবা দ্রুত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার উপায় এ সম্পর্কে ধারণা নেই। তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়লে আপনি জানতে পারবেন ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার উপায়।
ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা
ডায়াবেটিস রোগ কখনো সম্পূর্ণ নিরাময় করা যায় না তবে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়। আজকের এই আর্টিকেলে ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা করব। সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ে আপনি ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

ভূমিকা

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে,বর্তমান বিশ্বে ডায়াবেটিস রোগের সংখ্যা ৫৩ কোটি যা আগামী ২০৩০ সালে ৬৪ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের প্রায় দেশে ১০ সেকেন্ডে একজন মানুষ ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। আমাদের শরীরে যখন ইনসুলিন উৎপাদন ও তা ব্যবহার করতে পারেনা তখন ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।

অনেকের ক্ষেত্রে ইনসুলিন একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। ডায়াবেটিস মূলত চার ধরনের হয় টাইপ-১ টাইপ-২ জেস্টেশনাল ও অন্যান্য। টাইপ-১ ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের শরীরে সব ইনসুলিন নষ্ট হয়ে যায়।এদের বাহির থেকে শরীরে ইঞ্জেকশন মাধ্যমে ইনসুলিন প্রবেশ করাতে হয়।যাদের শরীরে টাইপ-১ ডায়াবেটিস থাকে তাদের যদি আলাদা করে ইনসুলিন না দেওয়া হয় তাহলে তারা মারা যেতে পারে।
আমরা যখন খাবার খায় তখন আমাদের প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নিঃসূত হয়। ইনসুলিন এর কাজ হল যে খাবার খাচ্ছে সেটার অতিরিক্ত গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে দেওয়া। ইনসুলিন উৎপাদন কমে যায়, উৎপাদন করার পর দেহে কোন কাজ করতে পারেনা তখন শরীরে,অতিরিক্ত গ্লুকোজ জমে থাকে সেই অবস্থাকে ডায়াবেটিস বলে।

ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা

বর্তমান সময় ডায়াবেটিস রোগটির সাথে আমরা সকলেই পরিচিত। ডায়াবেটিস রোগকে নীরব ঘাতক বলা হয়। একজন ডায়াবেটিস রোগীর সবসময় মনে রাখতে হবে যে শৃঙ্খলায় জীবন। আর এজন্যই একজন ডায়াবেটিস রোগী অন্য রোগীদের চেয়ে সুস্থ থাকে। একজন ডায়াবেটিস রোগীর তিনটি নিয়ম মেনে চলতে হবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।ওষুধ,খাবার,নিয়মানুবর্তিতা এই তিনটি নিয়ম মেনে চলে ডায়াবেটিস রোগীর কোন সমস্যা তৈরি হবে না এবং তিনি সুস্থ থাকবেন। জেনে নিন ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য ও সময়ের তালিকা গুলো-

সকাল
ডায়াবেটিস রোগীদের সকাল সাতটা থেকে আটটার মধ্যেই সকালের নাস্তা শেষ করতে হয়। সকালের নাস্তা যদিও দেরি হয় তাহলেও যেন ৯ টার পরে না যায় তা খেয়াল রাখতে হবে।নাস্তায় আপনি রুটি চিড়া খই মুড়ি ইত্যাদির শুকনা জাতীয় খাবার খেতে পারেন সাথে নিরামিষ সবজি আর একটা ডিম।

দুপুরের খাবার
দুপুরবেলায় আপনি আপনার পরিমাণ অনুযায়ী ভাত মাছ বা মুরগির মাংস শাকসবজি সালাত ও লেবু ইত্যাদি খেতে পারবেন।দুপুরের খাবার টাইম ১ থেকে ২টার মধ্যে হতে হবে।
বিকালের নাস্তা
বিকালের নাস্তায় আপনি আপনার পছন্দমত চিনি ছাড়া বিস্কুট,মিষ্টি ছাড়া পিঠা, বাদাম ইত্যাদি খাবারগুলো খেতে পারেন। তবে যে কোন খাবারই মিষ্টি ছাড়া খাওয়ার চেষ্টা করবেন।

রাতের খাবার
রাতে আপনি পছন্দ মতো রুটি বা পরিমান মত ভাত খেতে পারেন। সাথে দুপুরের খাবারের মতো তরকারি হিসাবে মাছ বা মুরগির মাংস সবজি,সালাত, ডাল,লেবু রাখতে পারেন তবে রাত্রের খাবারটা আপনাকে রাত ৮ থেকে ৯ মধ্যে শেষ করে ফেলতে হবে।

ঘুমানোর আগে
রাতে ঘুমানোর এক ঘন্টা আগে এক কাপ পরিমাণ দুধ খেয়ে নিতে পারেন। দুধ খাওয়ার ফলে যদি সমস্যা হয় তাহলে টকদই,ছানা, পনির আপনি খেতে পারবেন।

ডায়াবেটিস রোগীর নিষিদ্ধ খাবার তালিকা

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে ডায়াবেটিস বেড়ে যেতে পারে।মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই বিপদজনক। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সবসময় মনে রাখতে হবে কোন খাবারগুলি খেলে ডায়াবেটিস বেড়ে যাওয়া সম্ভাবনা থাকে সেগুলো সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা উচিত। ভুল ধরনের খাবার খাওয়ার ফলে রক্তের শর্করা মাত্রা বেড়ে যেতে পারে যা মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।
  • মিষ্টি জাতীয় খাবার
  • প্রক্রিয়াজাত মাংস
  • চিনি যুক্ত কোমল পানীয়
  • উচ্চ চর্বিযুক্ত জাত পণ্য
  • স্বেত সার বহুল শাকসবজি
  • অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার
  • উচ্চ সোডিয়াম জাতীয় খাবার

দ্রুত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার উপায়

ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা কখনো নিরাময় করা যায় না কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করে রাখা যায়। দ্রুত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার উপায় জানতে পারবেন। রয়েছে অনেক। প্রধান বিষয়গুলি হলো খাদ্যাভাসের উন্নতি ব্যায়াম এবং ওষুধ গ্রহণ যেগুলোর মাধ্যমে আপনি ডায়াবেটিস দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সময়ের সাথে ছোট ছোট পরিবর্তন করা গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে জেনে নিন দ্রুত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার কার্যকর উপায় গুলিঃ
  • প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন
  • ৩০ মিনিট নিয়মিত ব্যায়াম করুন
  • মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন
  • উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত করা খাবার থেকে বিরত থাকুন
  • সুষম খাদ্য খাওয়ার চেষ্টা করুন
  • ধূমপান পরিহার করুন
  • ফাইবার যুক্ত খাবার গ্রহণ করুন
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান
  • পরিমিত ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখুন
  • মানসিক চাপমুক্ত থাকুন
  • খাদ্য তালিকা থেকে চিনি ও শর্করা জাতীয় খাবার পরিহার করুন

ডায়াবেটিস চিরতরে নিরাময় করার উপায়

ডায়াবেটিস চিরতরে নিরময় হবে কি এমন প্রশ্নকারী মানুষের সংখ্যা অসংখ্য। ডায়াবেটিস হলো দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক সমস্যা। ডায়াবেটিস এক ধরনের হরমোন জনিত বহুমূত্র রোগ । যা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত থাকবে। ডায়াবেটিস রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় করা যায় না তবে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রেখে সুস্থ জীবন যাপন করা সম্ভব। ডায়াবেটিস দুই ধরনের টাইপ-১ যা ইনসুলিন নির্ভরশীল এবং অন্যটি টাইপ-২ যা ইনসুলিন নিরপেক্ষ।
  • ডায়াবেটিস কমানোর অন্যতম উপায় হলো ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। স্বাস্থ্যকর ওজন ডায়াবেটিস কমাতে ৭০ % সাহায্য করে।
  • প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট হাঁটার চেষ্টা করুন। ডায়াবেটিস কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী হলো হাটাহাটি করা।
  • নিয়মিত ব্লাক কফি পান করলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ৭০% কমে যায়। তাই যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তারা নিয়মিত ব্লাক কফি খেলে রক্তের সুগারের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
  • অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকে বিরত থাকুন। অনেক সময় অতিরিক্ত স্ট্রেস ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে বাধা প্রদান করে। এজন্য ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে অবশ্যই মানসিক চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।
  • দারুচিনি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। দারুচিনি ডায়াবেটিস কমাতে ৪৫ % সাহায্য করেন । তাই সময় পেলেই দারুচিনি খাওয়ার চেষ্টা করুন।
  • ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে অবশ্যই ধূমপান পরিহার করতে হবে।কারণ সিগারেট থাকা নিকোটিন ডায়াবেটিস কমাতে বাধা দেয়। তাই ধূমপান এড়িয়ে চলুন।

রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা

রমজান মাসে অনেকে বুঝতে পারেনা কোন খাবারগুলো খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এ সময় অতিরিক্ত ভাজাপোড়া চিনি জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিস বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে আপনি যদি ডায়াবেটিস রোগী হয়ে থাকেন এবং রমজান মাসে রোজা পালন করেন তাহলে চিনি ও চর্বি কম থাকে এমন স্বাস্থ্যকর খাবার অনুসরণ করা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করার উপায় এর নিম্নে রমজান মাসে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খাবারের তালিকা দেওয়া হলঃ
  • আপেল,নাশপাতি, কমলা, জাম্বুরা, লেবু, বরই, তরমুজ,স্ট্রবেরি,চেরি ইত্যাদি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খাওয়া উচিত।
  • ব্রকলি, পালংশাক, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মাশরুম, গাজর, টমেটো,করলা, পটল, পুঁইশাক, ইত্যাদি শাক-সবজি বেশি বেশি খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
  • মটরশুঁটি, মসুর ডাল এবং মটর খেসারি ইত্যাদি ডালগুলো খেতে পারেন।
  • কম চর্বিযুক্ত দুধ, টকদই,ছানা এবং পনির ইফতারে খাবারগুলো ইত্যাদি খাবার গুলো খেতে পারবেন।
  • মাছ,চর্বিহীন মাংস, হাঁসের ডিম,বাদাম এবং বীজ জাতীয় খাবার ইত্যাদি।

৭২ ঘণ্টায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ

ডায়াবেটিস আসলে কোন প্রাণঘাতী রোগ নয় । তবুও এই রোগ নিয়ে মহা টেনসনে থাকেন। ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। চিকিৎসকরা পরামর্শ অনুযায়ী চলার পরও এই রোগ ঠেকানো প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।যারা দীর্ঘ দিন যাবত ওষুধ কিংবা ইনসুলিন নিয়েও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না এ সকল রোগীদের জন্য সুখবর। ঔষধ কিংবা ইনসুলিন ছাড়াই কিভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সে ব্যাপারে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হলিস্টিক হেলথ কেয়ার সেন্টার রোগীদের পরামর্শ দিয়েছেন এই কৌশল অনুসরণ করে মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
হলিস্টিক হেলথ কেয়ার সেন্টার এর পরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার গোবিন্দ চন্দ্র দাস অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বলেন ডায়াবেটিস কোনো প্রাণঘাতী রোগ নয় কিন্তু সব রোগের উপসর্গ হিসেবে কাজ করে নিয়ম তান্ত্রিক জীবন যাপনের মাধ্যমে ডায়াবেটিস আক্রান্ত এক রোগী শতভাগ সুস্থ থেকে দীর্ঘ লাভ করতে পারেন।তিনি বলেন ওষুধ ব্যবহার ছাড়া শুধুমাত্র খাদ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ৭২ ঘন্টা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা

গর্ভকালে নারীদের বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও হরমনে পরিবর্তন দেখা দেয়। হরমোনের উচ্চমাত্রাসহ কিছু ঝুকির কারণে কারো ডায়াবেটিস হতে পারে। গর্ভকালে ডায়াবেটিস হওয়ার প্রধান কারণ অতিরিক্ত ওজন। গর্ভধারণের আগে মায়ের ওজনের স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকলে গর্ভকালীন সময়ে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে ডায়াবেটিসের শুরু থেকে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন এবং সঠিক খাদ্যাভাসে সহজেই এই গর্ভকালীন ডায়াবেটিস কমানো সম্ভব। নিচে গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগীর প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা তুলে ধরা হলো।

গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকায় যে সকল ফল থাকা জরুরী
কমলা,আপেল, আম, কলা, পেঁপে, নাশপাতি, লেবু, জাম, পেয়ারা, কামরাঙ্গা,আমলকি, ড্রাগন ইত্যাদি। যে সকল গর্ভবতী মায়েদের ডায়াবেটিস রোগ রয়েছে তারা এ সকল ফলগুলো খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ থাকবে এবং গর্ভের নবজাতক পুষ্টি উপাদান পাবে। তবে এ সকল ফলগুলো নিয়ম অনুযায়ী খেতে হবে খুব বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়।
গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকায় যে সকল সবজি থাকা জরুরী
গাজর,পালং শাক, টমেটো,শালগম, বাঁধাকপি, মিষ্টি আলু, করলা, কাঁকরোল, চিচিঙ্গা, ব্রকলি, কলমি শাক, পুইশাক ইত্যাদি। শুধু যে গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগীদের যে এই সবজিগুলো খেতে হবে এমন না। যাদের ডায়াবেটিস আছে তারাও এই সকল সবজিগুলো প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রাখুন। বেশি বেশি শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস করে তুলুন। উপরোক্ত সবজিগুলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।

গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগীর প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা

মাছ
ডায়বেটিস রোগীদের নিয়মিত মাছ খাওয়া উচিত। কারণ মাছে প্রয়োজনে পুষ্টি পাওয়া যায়। মাছ ডায়াবেটিস এর ওপর কোন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না।ঠিক তেমনি গর্ভের বাচ্চার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে। তাই গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগীরা মাছ খেতে পারবেন এতে কোন সমস্যা নেই।

মাংস
গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত মাংস খেতে পারবেন কিন্তু মাংস হতে হবে চর্বি মুক্ত।কারণ চর্বিযুক্ত মাংস ডায়াবেটিস এর ক্ষতি করতে পারে। তাই চর্বিবিহীন মাংস গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগীরা খেতে পারবেন এতে কোন সমস্যা নেই।

ডিম
গর্ভবতী নারীদের ডায়াবেটিস থাকা সত্ত্বেও নিয়মিত ডিম খেতে পারবেন। কারণটা গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগীদের অন্যতম একটি আদর্শ খাবার হল ডিম। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একটি করে ডিম রাখা গর্ভবতী নারীদের জন্য জরুরী।

দেশি কচি মুরগি
দেশি কচি মুরগি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপযোগী খাবার। কারণ এই সকল কচি মুরগিতে চর্বি থাকে না এবং ডাইবেটিস এর ওপর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। গর্ভের বাচ্চার সার্বিক পুষ্টি সাধনে কচি মুরগি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আরো পড়ুনঃ শীতে ঠোঁট ফাটা থেকে মুক্তি পাওয়ার ১৫ টি ঘরোয়া উপায় 
বাদাম ও বীজ জাতীয় খাদ্য
বাদাম ও বীজ জাতীয় খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান থাকে ।তাই গর্ভবতী নারীদের নিয়মিত বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার গর্ভবতী নারীদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে এর পাশাপাশি নবজাতকের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দুধ
ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত এক কাপ করে দুধ খেতে পারবেন এতে সমস্যা নেই। তবে মনে রাখবেন দুধ যেন ফ্যাট বিহীন হয়। কারণ ফ্যাট যুক্ত দুধ ডায়াবেটিস রোগের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

ছোট মাছ
গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আরেকটি আদর্শ খাবার হল ছোট মাছ। কারণ এই ছোট মাছের প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান থাকে। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা অনায়াসে এই ছোট মাছ নিয়মিত খেতে পারবেন।

ডায়াবেটিস কি খেলে ভালো হয়

ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘ মেয়াদী স্বাস্থ্যগত সমস্যা এই রোগ পুরোপুরি নিরাময় করা যায় না তবে নিয়ন্ত্রণ এর মাধ্যমে সুস্থ থাকা যায়। ডায়াবেটিস রোগের সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা হলো প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিকভাবে সক্রিয় হওয়ার মাধ্যমে ডায়াবেটিস আক্রান্ত হওয়া থেকে রেহাই পাওয়া যায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়। নিয়মিত আঁশযুক্ত খাবার শাক-সবজি পূর্ণ শস্যজাতীয় খাবার এবং বাদাম খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

চিয়া সিড বীজ
চিয়া সিড বীজ এমন একটি খাবার যা রক্তের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে সক্ষম। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম আঁশ ও উচ্চমাত্রা প্রোটিন ও ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে। চিয়া সিড বীজ ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায় । যা রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বেশ কার্যকর। এছাড়াও হৃদরোগে ঝুঁকি কমাতে চিয়া সিড অনেকটা সাহায্য করে। এছাড়া ওজন কমাতে চিয়া সিড একটি কার্যকর খাবার। নিয়মিত চিয়া সিড খাওয়ার ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

টকদই
টকদই ক্যালোরি পরিমাণ কম থাকে।টকদই খাওয়ার ফলে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে এবং রক্তের সুগারের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা প্রতিদিনের খাদ তালিকায় টকদই রাখতে পারেন।

খেজুর
খেজুর প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি জাতীয় ফল। এতে অতিরিক্ত পরিমাণে সুগার নেই যার ফলে ডায়াবেটিস খেতে পারবে। খেজুর খেলে ডায়াবেটিস বাড়ে না বরং রক্তে সুগারের নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিস বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকে থাকে।

আখরোট
আখরোট এক ধরনের বীজ জাতীয় খাবার। সপ্তাহের অন্তত দুই দিন নিয়মিতভাবে আখরোট খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখে

লাল চাল
সাদা চালের ভাত রক্তের সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে এক্ষেত্রে সাদা চালের পরিবর্তে লাল চাল ভাত খাওয়া উচিত। এতে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অন্তত ১৫% কমে আর ভাত বাদ দিয়ে যদি অন্য কোন শস্যজাতীয় খাবার বা শুকনা জাতীয় খাবার খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৩৫% কমে।

আপেল
আপেল নিয়মিত খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিস-২আক্রান্ত রোগীদের ঝুঁকি কমে। তাই টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগীরা প্রতিদিনের খাবার তালিকায় একটি করে আপেল রাখুন। যারা প্রতিদিন নিয়মিত একটি করে আপেল খাবেন তাদের টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে আসবে ৩৫%।

কোন ৭টি ফল খেলে ডায়াবেটিস কমে 

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ফল অত্যন্ত প্রয়োজনীয় খাবার। ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে অনেকেই ফল খেতে ভয় পায়। কারণ কিছু কিছু ফল মিষ্টি জাতীয় হয়ে থাকে এজন্য ভাবে এই ফলগুলো খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিস বেড়ে যেতে পারে। সকল ফলের মধ্যে কিছু ফল রয়েছে যেগুলো ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকার বয়ে আনে। ডায়াবেটিসে ও কিছু মিষ্টি জাতীয় ফল খাওয়া যায় এতে ডায়াবেটিসের কোন সমস্যা হয় না। তাহলে জেনে নিন কোন ৭টি ফল খেলে ডায়াবেটিস কমে।

কমলা
কমলা একটি ভিটামিন সি জাতীয় ফল। ভিটামিন সি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। কমলা একটি ফাইবার যুক্ত ফল এটি রক্তের সুগারের মাত্রা ধীর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও কমলাতে ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং ফাইবারের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়।

আপেল
ডায়াবেটিস হলে অবশ্যই প্রতিদিন একটি করে আপেল খান। এ ছাড়া ডায়াবেটিসের ঝুঁকি এড়াতেও নিয়মিত আপেল খেতে পারেন। টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আপেল রক্তের সুগারের মাত্রা কমাতে দারুন কাজ করে।

কাচা পেঁপে
কাচা পেঁপের মধ্যে ন্যাচারাল এন্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। প্রতিদিনের ফলের তালিকায় কাচা পেঁপে রাখুন। পেঁপে শুধু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ নয় হার্ট ও নার্ভের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও বেশ উপকারী।

পেয়ারা
পেয়ারা প্রচুর পরিমাণে ফাইবারযুক্ত ফল। এছাড়া পেয়ারার মধ্যে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। টাইপ-২ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত 
 পেয়ারা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করতে পেয়ারা অনেক সাহায্য করে।

আরো পড়ুনঃ প্রেগন্যান্সি টেস্ট করার ১০ টি সেরা ঘরোয়া পদ্ধতি সম্পর্কে জানুন

অ্যাভোকোডা
অ্যাভোকোডা একটি বিদেশি ফল। তবে বর্তমান সময়ে বাজারে অনেক অ্যাভোকোডা পাওয়া যায়। এটি স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ২০টির ও বেশি ভিটামিন ও খনিজের উৎস। এতে ফাইবার এর পরিমাণে অনেক বেশি এবং ডায়াবেটিস ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

কামরাঙ্গা
কামরাঙ্গা ফাইবার ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। এতে রক্তের সুগারের মাত্রা কমাতে ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করে। এছাড়াও কোষের ক্ষতি মেরামত করতে কামরাঙ্গা অনেক উপকারী। তাই ডায়াবেটিস রোগী এই ফলটি খেতে পারেন।

বেদানা
বেদানা এমন একটি ফল যা শুধু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নয় প্রতিটি মানুষেরই এই ফল খাওয়া দরকার। কারণ বেদেনা শরীরে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ডায়বেটিস রোগীরা নিয়মিত বেদানা খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকতে সাহায্য করে।

ওষুধ ছাড়াই ডায়াবেটিস কমানোর উপায়

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট হাঁটুন এবং ব্যায়াম করুন। সকাল এবং রাতে রুটি খাওয়ার অভ্যাস করুন। সকাল 9 টা থেকে দশটার মধ্যে একটি ডিম ও রুটি বা সবজি রান্না করে খাবেন। দুপুরে অল্প পরিমাণে ভাত ও সবজি বেশি করে খাওয়ার অভ্যাস করবেন। এবং রাতে খাবার সময় একটি রুটি ও সবজি বেশি পরিমাণে করে খেতে পারেন। সব সময় চেষ্টা করবেন চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা। যাদের চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস আছে এর পরিবর্তে গ্রীন চা খেতে পারবেন।

আপনার যখন অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগে তখন কাঁচা পেঁপে, পেয়ারা, খেজুর এজাতীয় ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন ডায়াবেটিস কখনো সম্পূর্ণ নিরাময় করা যায় না কিন্তু নিয়ম মেনে খাদ্য গ্রহণ এবং ওষুধ খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রেখে সুস্থ থাকা যায়।

    কি কি খাবার খেলে ডায়াবেটিস বাড়ে

    পৃথিবীতে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে এই রোগে আক্রান্ত হলে অবশ্যই আপনার জীবন যাপন পরিবর্তন আনতে হবে। ডায়াবেটিস রোগ কখনো সম্পূর্ণ নিরাময় করা যায় না কিন্তু এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রেখে সুস্থ থাকা যায়। অনিয়ন্তিত ডায়াবেটিসের কারণে আপনার দেহে বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। ডায়াবেটিস হলে শরীরে ইনসুলিন হরমোন নিঃসরণ কমে যায় যার ফলে কোষের গ্লুকোজ পৌঁছাতে পারে না তাই রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে যায়।

    প্রোটিন
    আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য গরুর, ভেড়ার মাংস উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কারণ হতে পারে। তাই এ সকল প্রোটিন জাতীয় খাবার সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত। এ সকল খাবারে পরিবর্তে সিম,বাদাম এ ধরনের বীজ জাতীয় খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে।

    দুদ্ধ জাতীয় খাবার
    জাতীয় খাবারের রয়েছে ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিন। দুধ আমাদের শরীরের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।তবে ফ্যাট জাতীয় ডেইরি পণ্য রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে যারা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।

    কোমল পানীয়
    বিভিন্ন ধরনের এনার্জি ড্রিংস উচ্চমাত্রায় মিষ্টি দ্রব্য ও ক্যাফেইন থাকে। এই ধরনের এনার্জি ড্রিংস খাওয়ার ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের এ জাতীয় এনার্জি ড্রিংস পরিহার করা উচিত।

    আলু
    আলু তে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে শ্বেতসার ও গ্লাইসেমিক উপাদান। শ্বেত সার রক্তের সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আলু না খাওয়াই ভালো।

    ভুট্টা
    ভুট্টা একটি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার।এছাড়া ভুট্টাতে রয়েছে ভিটামিন ও খনিজ পর্দাথ ইত্যাদি। তবে এটি অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে যেটা ডাইবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।

    মিষ্টি জাতীয় খাবার পরিহার করা উত্তম। কারণ ডায়াবেটিসের শত্রু মিষ্টি জাতীয় খাবার। যাদের চা কফি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে তারা চিনি ছাড়া খাওয়ার অভ্যাস করুন। চা কফির পরিবর্তে গ্রীন চা খাওয়া শরীরের জন্য অনেক উপকারী। সবসময় চেষ্টা করবেন চিনি বিহীন খাবার খাওয়ার এতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

    শেষ কথা

    বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশ্বের প্রায় দেশেই নীরব ঘাতকের মত থাবা বসিয়েছে ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিস রোগ কখনো সম্পন্ন নিরাময় করা যায় না কারণ এটি রক্তের হরমোন জনিত সমস্যা। তবে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রেখে সুখ থাকা যায়। নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান এবং মদ্যপান বর্জন, সুষম খাবার গ্রহণ, নিয়ম মেনে ওষুধ খাওয়া এই অভ্যাস গুলোর মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

    নিজেকে সবসময় মানসিক চাপ থেকে বিরত রাখুন স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আজকের এই আর্টিকেলে ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্য তালিকা সম্পর্কে সকল তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। উপরোক্ত আর্টিকেলটি পড়ে আপনি বুঝতে পারবেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখার উপায়। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।

    এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

    পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
    এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
    মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

    অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

    comment url